issue_cover
x

কৈলাসে চা পান
আশাপূর্ণা দেবী

মা দুর্গা কৈলাসে ভাঁড়ার ঘরের সামনে বসে পান সাজছিলেন। জয়া-বিজয়া কাছে বসে খয়ের সুপুরি কুচিয়ে দিচ্ছিল; তা দিক, পান সাজাটি মা কারো হাতে দিতে রাজী নন, ভোলা মহেশ্বরের জিনিস বলে কথা! কে চূণ বেশী দিয়ে ফেলবে, কে খয়ের বেশী দিয়ে ফেলবে, বেচারী ভোলানাথের গাল পুড়বে, জিভ তিতোবে।

f
x
x

এম্পিয়ারিং
মতি নন্দী

জাপানী বোমার ভয়ে, কলকাতা অর্ধেক খালি করে একবার মানুষ ঊর্ধ্বশ্বাসে গ্রামে ছুটে গিয়েছিল। আমরাও গিয়েছিলাম আটঘরায়। তারকেশ্বর থেকে খুদে রেল বি-পি-আরে চড়ে আটঘরা মাইল সাতেক। রেলগাড়ি উঠে গিয়ে এখন অবশ্য বাস চলছে। যেমন, তখনকার তিনটে চালাঘর নিয়ে হাইস্কুলটা এখন বিরাট তিলতলা পাকা বাড়ি। আমাদের এই বাত্‌সরিক, আটঘরার সঙ্গে পাশের গ্রাম বকদিঘির, ক্রিকেট ম্যাচের পত্তন সেই সময় থেকেই।

c

বিষে বিষক্ষয়
আশাপূর্ণা দেবী

বেয়াল্লিশ রাত চোখে ঘুম আসেনি জগদীশ উকিলের। তাই করালী কবরেজের কাছে গিয়েছিলেন নিদান  জানতে। দোষের মধ্যে করালী শুধু বলেছেন, ব্যাধিটি সামান্য নয়। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে একেই বলে ‘অনিদ্রা ব্যাধি’। খারাপ কোনও কথাই নয়। কিন্তু না ঘুমিয়ে-ঘুমিয়েই বোধ হয় জগদীশ উকিলের মাথায় কিঞ্চিত্‌ গোলমাল দেখা দিয়েছে। না হলে কেন এই কথা শুনেই তিনি করালী কবরেজের নাকে কামড় বসাবেন। আর পাঁচজনের চেষ্টায় নাকটা বাঁচল বটে। কিন্তু জগদীশ উকিলের সমস্যা তো মিটল না। কী হবে তা হলে?

f
x
x

ডোডো তাতাই পালা কাহিনী
তারাপদ রায়

জানলার ওপারে রাস্তায় ফুটপাথের উপরে একটি সাদা কুকুর থুতনি রেখে অনিমেষ নয়নে ডোডোবাবুর দিকে তাকিয়ে রয়েছে। কুকুরটির নাম তুষারকণা, তার রঙ সম্পূর্ণ সাদা বলে এই নাম দেওয়া হয়েছে। ডোডোবাবুর হাতে দু’টো বিস্কুট রয়েছে, ভূগোল পড়তে-পড়তে বিস্কুট খাচ্ছেন। ডোডোবাবুর মা ডোডোবাবুকে ডাকলেন। ভূগোলের বইয়ের উপর বিস্কুটটুকু রেখে ডোডোবাবু জানলার উপরে বইটি ফেলে বাড়ির ভিতরে গেলেন। তুষারকণা নামের কুকুরটি তখন কী করল?

c

1 2 3 4 5 6 7 8 9 >