issue_cover
x

সব ঘোড়াই কথা বলে
বরেন গঙ্গোপাধ্যায়

বাড়িতে ঘোড়া আনা হয়েছে, চারপাশে হৈচৈ। নিখিলেশবাবু একবার একটু উঁকি মেরে দেখে এলেন। তেমন উত্‌সাহ পেলেন না। তারপর সময় নষ্ট করা হচ্ছে মনে করে ‘সীতার বনবাস’খানা খুলে বসলেন। এমন সময় গাবাচরণ লাফাতে লাফাতে ঘরে ঢুকে নিখিলেশবাবুকে জড়িয়ে ধরে বললো, “মাস্টারমশাই ঘোড়া এসেছে, ঘোড়া।”

f
x
x

ঝুনুমাসীর বিড়াল
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

একদিন তো ঝুনুমাসী তাঁর বিছানার ওপর কোথাকার একটা উটকো বিড়ালকে দেখে একেবারে কেঁদেই ফেলেছিলেন। সেই বিড়ালই একদিন ঝুনুমাসীকে জব্দ করে দিল। বাড়ির কাজের লোকদের ঝুনুমাসী হুকুম দিয়ে রেখেছিলেন, বাড়ির ত্রিসীমানায় যেন বিড়াল না আসে। বিড়াল দেখলেই তাড়াতে হবে।

c

কৈলাসে চা পান
আশাপূর্ণা দেবী

মা দুর্গা কৈলাসে ভাঁড়ার ঘরের সামনে বসে পান সাজছিলেন। জয়া-বিজয়া কাছে বসে খয়ের সুপুরি কুচিয়ে দিচ্ছিল; তা দিক, পান সাজাটি মা কারো হাতে দিতে রাজী নন, ভোলা মহেশ্বরের জিনিস বলে কথা! কে চূণ বেশী দিয়ে ফেলবে, কে খয়ের বেশী দিয়ে ফেলবে, বেচারী ভোলানাথের গাল পুড়বে, জিভ তিতোবে।

f
x
x

এম্পিয়ারিং
মতি নন্দী

জাপানী বোমার ভয়ে, কলকাতা অর্ধেক খালি করে একবার মানুষ ঊর্ধ্বশ্বাসে গ্রামে ছুটে গিয়েছিল। আমরাও গিয়েছিলাম আটঘরায়। তারকেশ্বর থেকে খুদে রেল বি-পি-আরে চড়ে আটঘরা মাইল সাতেক। রেলগাড়ি উঠে গিয়ে এখন অবশ্য বাস চলছে। যেমন, তখনকার তিনটে চালাঘর নিয়ে হাইস্কুলটা এখন বিরাট তিলতলা পাকা বাড়ি। আমাদের এই বাত্‌সরিক, আটঘরার সঙ্গে পাশের গ্রাম বকদিঘির, ক্রিকেট ম্যাচের পত্তন সেই সময় থেকেই।

c

1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 >