issue_cover
x

রাত গভীর
হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

দোষ আমারই। বন্ধুর বোনের বিয়ে। যাব আর খেয়ে চলে আসব, এই ঠিক ছিল। কিন্তু গিয়েই মুস্কিলে পড়লাম।
বন্ধু অকান্তে ডেকে হাত দুটো ধরে বলল, উদ্ধার করে দে ভাই, ভীষণ বিপদে পড়েছি।

f
x
x

হোঁদল কুতকুতে
মনোজ বসু

বাঘের নাম হুমদো, বাঁদরের নাম টেনি। থাকে সুন্দরবনে। দু’জনে ভারী ভাব। ডালের উপর টেনি বসেছে, তলায় হুমদো। সুখ-দুঃখের কথা হচ্ছে।

হুমদো বলে, “দু-দুটো দিন পেটে কিচ্ছু পড়েনি। জল খেয়ে আছি।

“কেন, কেন?”

c

সব ঘোড়াই কথা বলে
বরেন গঙ্গোপাধ্যায়

বাড়িতে ঘোড়া আনা হয়েছে, চারপাশে হৈচৈ। নিখিলেশবাবু একবার একটু উঁকি মেরে দেখে এলেন। তেমন উত্‌সাহ পেলেন না। তারপর সময় নষ্ট করা হচ্ছে মনে করে ‘সীতার বনবাস’খানা খুলে বসলেন। এমন সময় গাবাচরণ লাফাতে লাফাতে ঘরে ঢুকে নিখিলেশবাবুকে জড়িয়ে ধরে বললো, “মাস্টারমশাই ঘোড়া এসেছে, ঘোড়া।”

f
x
x

ঝুনুমাসীর বিড়াল
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

একদিন তো ঝুনুমাসী তাঁর বিছানার ওপর কোথাকার একটা উটকো বিড়ালকে দেখে একেবারে কেঁদেই ফেলেছিলেন। সেই বিড়ালই একদিন ঝুনুমাসীকে জব্দ করে দিল। বাড়ির কাজের লোকদের ঝুনুমাসী হুকুম দিয়ে রেখেছিলেন, বাড়ির ত্রিসীমানায় যেন বিড়াল না আসে। বিড়াল দেখলেই তাড়াতে হবে।

c

1 2 3 4 5 6 7 8 9 >