issue_cover
x

রাক্ষস
গৌরাঙ্গ বন্দ্যোপাধ্যায়

বাড়ির পাশের খেলার মাঠটাতে ঝগড়া বেধে গেল সেদিন খুব। অনেক লোক জড় হয়ে গেল। পাড়ার দু’-একজন বুড়ো ভদ্রলোকও এসে হাজির হয়েছিলেন। কী যেন বলছিলেন হাত নেড়ে নেড়ে।

f
x
x

ক্যামেরা
পার্থ চট্টোপাধ্যায়

ওগুলো কি সেই একই ধরনের ছায়া-মূর্তি? এই ক্যামেরায় জাপানী মালিকের মৃত্যুর আগেও তার ছবিতে এমন ছায়া-মূর্তি ফুটে উঠেছিল। তাড়াতাড়িতে জেনেও নেওয়া হয়নি ছেলেটি কে। কিন্তু কেন যেন মনে হতে লাগল ওই ফুটফুটে কিশোর ছেলেটির সামনে একটা বিরাট বিপদ।

c

শেষ দৌড়
সুধাংশু ঘোষ

এখন কিন্তু বর্ষাকাল। পড়ার ঘরে বসেই পড়ছিল সমু। তক্তপোশে পা ঝুলিয়ে বসে টেবিলে বই রেখে পড়ছিল। সেই তক্তপোশেই অন্য পাশে রুনি বসেছে। বাচ্চা মেয়ে তো। এখনো স্বরবর্ণ কাহাকে বলে, ব্যঞ্জনবর্ণ কাহাকে বলে- এই সব পড়ে। বর্ষায় বারান্দা স্যাঁতসেতে হয়ে থাকে বলে ঘরে পড়তে বসলেও খোলা দরজা দিয়ে পুবের বাগানের অনেকখানি দেখা যায়। তাই তেমন খারাপ লাগে না সমুর।

f
x
x

হাসনুহানার জামা
বলরাম বসাক

পুজো চলে গেল। এদিকে জামা কেনা হচ্ছে না। হাঁসের ছানা হাস্নুহানা তাড়া দিল হাঁসমামাকে, “কই জামা কিনে দিলে না।”
“দেব,দেব।” বলেই হাঁসমামা পাঁচ সিকে পয়সা দিয়ে একটা লাল-নীল জামা কিনে দিল। লাল-নীল জামা মানে জামাটার একদিকে লাল, আরেক দিক নীল। সেই জামা পরে হাস্নুহানা ধেই-ধেই করে নাঁচলে কিছুক্ষণ। তারপর হাঁসমামার সঙ্গে হাস্নুহানা বাঁশপুকুরের জলায় সাঁতার কাটতে গেল।

c

1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 >