issue_cover
x

শেষ দৌড়
সুধাংশু ঘোষ

এখন কিন্তু বর্ষাকাল। পড়ার ঘরে বসেই পড়ছিল সমু। তক্তপোশে পা ঝুলিয়ে বসে টেবিলে বই রেখে পড়ছিল। সেই তক্তপোশেই অন্য পাশে রুনি বসেছে। বাচ্চা মেয়ে তো। এখনো স্বরবর্ণ কাহাকে বলে, ব্যঞ্জনবর্ণ কাহাকে বলে- এই সব পড়ে। বর্ষায় বারান্দা স্যাঁতসেতে হয়ে থাকে বলে ঘরে পড়তে বসলেও খোলা দরজা দিয়ে পুবের বাগানের অনেকখানি দেখা যায়। তাই তেমন খারাপ লাগে না সমুর।

f
x
x

হাসনুহানার জামা
বলরাম বসাক

পুজো চলে গেল। এদিকে জামা কেনা হচ্ছে না। হাঁসের ছানা হাস্নুহানা তাড়া দিল হাঁসমামাকে, “কই জামা কিনে দিলে না।”
“দেব,দেব।” বলেই হাঁসমামা পাঁচ সিকে পয়সা দিয়ে একটা লাল-নীল জামা কিনে দিল। লাল-নীল জামা মানে জামাটার একদিকে লাল, আরেক দিক নীল। সেই জামা পরে হাস্নুহানা ধেই-ধেই করে নাঁচলে কিছুক্ষণ। তারপর হাঁসমামার সঙ্গে হাস্নুহানা বাঁশপুকুরের জলায় সাঁতার কাটতে গেল।

c

কলম্বাসের বাবা
এণাক্ষী চট্টোপাধ্যায়

ভবানীপুর স্পোর্টিং-এর সঙ্গে আমাদের ক্লাবের খেলা, কাল বিকেল তিনটেয়-খবরটা গৌতম আগেই দিয়ে গিয়েছিল। তারপর আধ ঘণ্টাও হয়নি-জানলা দিয়ে দেখতে পেলাম সাইকেল থেকে কেষ্টাকে নামতে। ঊর্ধ্বশ্বাসে পড়ার টেবিল ছেড়ে দৌড়েছি। খুব সময়ে পৌঁছে গেছি যা হোক। দেখি বাঁটুল গোড়ালি উঁচু করে ঘণ্টি টেপার চেষ্টা করছে, হাত পৌঁছচ্ছে না।

f
x
x

কাজে লাগানো
আশাপূর্ণা দেবী

এত বড় ওজনের একখানা চুরি! খোদ রাজবাড়ি! স্বয়ং মহারাজের জন্মদিনে, একেবারে রাজ-অন্দরের খাসমহল ‘মচ্ছমহল’ থেকে! খবরটা শুনেই মহারাজা খাপ থেকে তলোয়ার টেনে বার করতে গেলেন, কিন্তু অনেক দিনের মরচেয় খাপের সঙ্গে জম্পেস হয়ে আটকে থাকার দরুন তলোয়ার আর খাপ্ থেকে বেরোতে রাজী হল না।

c

1 2 3 4 5 6 7 8 9 >