issue_cover
x

আঠা দিয়ে মুণ্ডু আঁটা
মনোজ বসু

দুকড়ি মাঝি, অথবা তেমাথা মাঝি। আমার তোমার একটা করে মাথা, দুকড়ির তিনটে। যেখান থেকে জঙ্গলের শুরু, তার ঠিক আগেই দুকড়ির বাড়ি। বাড়ির সামনে দুকড়ি প্রায়ই উবু হয়ে বসে থাকে। হাঁ, তিন মাথাই তার-এক, দুই, তিন করে গুনে দেখ, ঠিক-ঠিক তিনটে।

f
x
x

দ্রব্যগুণ
এণাক্ষী চট্টোপাধ্যায়

রাস্তা পার হতে গিয়ে চোখে পড়ল উলটোদিকে দেশপ্রিয় পার্কের রেলিংয়ে কিছু ছবি ঝোলানো। সারি-সারি কুড়ি-পঁচিশটা ছবি-কোনোটা প্রাকৃতিক দৃশ্য বলে মনে হচ্ছে, কোনোটার মাথামুন্ডু কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। কিন্তু একটা ছবির পাশে দাঁড়ানো একজন বুড়োগোছের ভদ্রলোককে আরো বেশি করে নজরে পড়ল কেন বলতে পারব না।

c

হাওয়া বদল
আশাপূর্ণা দেবী

গ্রামের জ্ঞাতি কবরেজ-ঠাকুর্দা, কলকাতার নাতি নিমাইচরণের বাড়িতে এসে দাঁড়ানো মাত্রই প্রায় ধিক্কারের গলায় বলে উঠলেন, ‘‘কী রে নিমে, সংসারের মালপত্তর শুধু নিজের পেটেই চালান করিস? ছেলেমেয়েগুলোকে স্রেফ হাওয়া খাইয়ে রাখিয়?’’

f
x
x

অশরীরী
লীলা মজুমদার

এখন আমি একটা সাধারণ কাগজের আপিসে কাজ করলেও, এক বছর আগেও একটা সাংঘাতিক গোপনীয় কাজ করতাম। সে কাউকে বলা বারণ। বললে আর দেখতে হত না, প্রাণটা তো বাঁচতই না, তার ওপর সব চাইতে খারাপ কথা হল যে, চাকরিটাও চলে যেত। তবে এটুকু বলতে দোষ নেই যে, কাজটা ছিল খবর সংগ্রহ করা। কোথায়, কেন, কার জন্য সে-সব তোমরাই ভেবে নিও।

c

1 2 3 4 5 6 7 8 >