issue_cover
x
Sports

সিরিজ় ভারতের

sport-1
অস্ট্রেলিয়া সিরিজ় শেষ হল। একদিনের সিরিজ় ৪-১ ফলে জিতলেও টি২০ সিরিজ় ১-১ ফলে ড্র থেকে গেল। হায়দরাবাদে শেষ ম্যাচে একটাও বল খেলা না হওয়ায় কিছু তাল কাটল সিরিজ়ের। তবে একথা বলতেই হবে, দুরন্ত ফর্মে আছে ভারতীয় দল। কোহলির নেতৃত্বে একের পর-এক সিরিজ় জিতে চলেছেন রোহিত, হার্দিক, সামি, উমেশরা। একদিনের সিরিজ়ে দু’দলের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৯৬ রান করেছেন রোহিত শর্মা। তবে মাত্র তিন ম্যাচ খেলে অ্যারন ফিঞ্চও কিন্তু ২৫০ রান করে ফেলেছিলেন। আর বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি (পাঁচ ম্যাচে ১০টি) উইকেট পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার নাথান। সিরিজ়ে ভারতের চমক চায়নাম্যান কুলদীপের সংগ্রহ চার ম্যাচে সাত উইকেট। তবে সিরিজ়ে ভারতের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হার্দিক পাণ্ড্য। ব্যাটে, বলে দুটোতেই সেরা পাঁচের মধ্যে রয়েছেন তিনি। এখনই তাঁকে ভারতের সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার কপিলদেবের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। তবে শুধু হার্দিক নয়, ভারতের নতুন প্রতিভাদের অনেকেই এই সিরিজ়ে সময়ে, দলের প্রয়োজনে পরিণত ভূমিকা পালন করেছেন। সেখানে কেদার যাদব এবং মনীশ পাণ্ডের নাম করতেই হবে। অস্ট্রেলিয়ার পর এবার নিউজ়িল্যান্ড আসছে ভারতে। আগামী ২২ অক্টোবর থেকে তাদের ভারত সফর শুরু হবে। সিরিজ়ে তিনটি একদিনের ম্যাচ হবে মুম্বই, পুণে এবং কানপুরে। তারপরে দিল্লি, রাজকোট এবং তিরুবনন্তপুরমে তিনটি টি২০ ম্যাচ খেলা হবে। ৭ নভেম্বর নিউজ়িল্যান্ড সফর শেষ হওয়ার পর, ইডেনে ভারত-শ্রীলঙ্কা টেস্ট ম্যাচ দিয়ে আবার নতুন সিরিজ় শুরু করবে কোহলিবাহিনী।


কাপ পেল মোহনবাগান

sport-2
মরসুমের প্রথম ট্রোফি ঘরে তুলে নিল মোহনবাগান। কাস্টমসকে ফাইনালে ১-০ গোলে হারিয়ে দিয়ে সিকিম গভর্নস গোল্ড কাপ জিতে নিল সবুজ-মেরুন দল। খুব কাছে এসেও কলকাতা লিগ হাতছাড়া হয়েছিল মোহনবাগানের। তবে গ্যাংটকে লাইবেরিয়ান আর ক্যামেরুন স্ট্রাইকার জুটির দাপটে ট্রোফি জিততে ভুল হয়নি তাদের। গ্যাংটকের পালজোড় স্টেডিয়ামে মোহনবাগানের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন লাইবেরিয়ান স্ট্রাইকার আনসুমানা ক্রোমা। কলকাতা লিগের পর এই টুর্নামেন্টে মোহনবাগান দলে আট-নয়জন নতুন ফুটবলার যোগ দেন। তাঁদের নিয়ে পাঁচদিনে তিনটে ম্যাচ খেলার ধকল সামলে দীপাবলির আগেই ট্রোফির আলোয় উজ্জ্বল হয়ে উঠল মোহনবাগান তাঁবু। সমগ্র টুর্নামেন্টে মোহনবাগানের রক্ষণ কোনও গোল খায়নি। তবে দলের ফরোয়ার্ডরা সুযোগগুলো ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারলে আরও বেশি গোলে জিততে পারত মোহনবাগান। ফাইনালে ৪-৪-২ ছকে দল সাজিয়েছিলেন মোহবাগানের কোচ শঙ্করলাল চক্রবর্তী। শুরু থেকেই আক্রমণ করতে থাকেন সবুজ-মেরুন শিবির। সাত মিনিটের মধ্যেই গোল পেয়ে যান তাঁরা। বক্সের আগে ক্যামেরুনের স্ট্রাইকার দীপান্দা ডিকার সঙ্গে চমৎকার ওয়ান-টু খেলে বক্সে ঢুকে ডান পায়ের জোরালো শটে গোল করেন ক্রোমা। এর পরেও আরও অনেক সুযোগ আসে। কিন্তু দিপান্দা ডিকা ও আনসুমানা ক্রোমা সেসব কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে কাস্টমসের ঘানার উইঙ্গার মুস্তাফা টোগোর শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এর আগে সেমিফাইনাল ম্যাচে মুম্বইয়ের ওন এন জি সি দলকে ৫-০ গোলে হারিয়েছে মোহনবাগান।