issue_cover
x
Sports

রঞ্জি চ্যাম্পিয়ন বিদর্ভ


দিল্লিকে ৯ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবার রঞ্জি ট্রোফি চ্যাম্পিয়ন হল বিদর্ভ। চারদিনের ফাইনালে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বিদর্ভ। প্রথম ইনিংসে ২৯৫ রানে অল-আউট হয়ে যায় দিল্লি। দিল্লির অধিনায়ক গম্ভীর, অপর ওপেনার কুনাল চান্ডিলা বড় রান পাননি। ব্যাট হাতে ১৪৫ রান করে দিল্লি ইনিংসের মান রাখেন ধ্রুব শোরে। হিম্মত সিংহ করেন ৬৬ রান। বিদর্ভের হয়ে ছ’টি উইকেট পান রজনিশ নরেশ গুরবানি। ব্যাট করতে নেমে ৫৪৭ রান তোলে বিদর্ভ। দলের অধিনায়ক ফয়েজ় ফয়জল ৬৭, ওয়াসিম জাফর ৭৮ রান করেন। ১৩৩ রান করেন বিনোদ ওয়াদকর। দিল্লির হয়ে নভোদীপ সাইনি পাঁচ উইকেট পান। দ্বিতীয় ইনিংসেও বড় রান তুলতে ব্যর্থ হয় দিল্লি। মাত্র ২৮০ রানে শেষ হয়ে যায় তাদের ইনিংস। এ বার গুরবানির ঝুলিতে আসে দুটো উইকেট। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র এক উইকেট হারিয়ে জয়ের রান তুনে নেয় বিদর্ভ। ম্যাচের সেরা হয়েছেন দলের মিডিয়াম পেসার রজনিশ নরেশ গুরবানি। প্রসঙ্গত সেমিফাইনালে বাংলাকে হারিয়ে দিল্লি এবং কর্নাটককে হারিয়ে বিদর্ভ ফাইনালে উঠেছিল।


শীর্ষে ইস্টবেঙ্গল


আই লিগের শীর্ষে এখন ইস্টবেঙ্গল। ইম্ফলে নেরোকার বিরুদ্ধে ম্যাচের শেষমুহূর্ত পর্যন্ত এগিয়ে থেকেও জিততে পারেনি তারা। ৮৯ মিনিটে গোল খেয়ে ম্যাচ ড্র রেখে পয়েন্ট খোয়ায় কাতসুমিরা। দলের রক্ষণাত্মক স্ট্র্যাটেজি সেদিন বুমেরাং হয়ে যায়। শেষ মুহূর্তে গোল শোধ করে দেয় নেরোকা। পরের ম্যাচ ইন্ডিয়ান অ্যারোজের বিরুদ্ধে তাই প্রথম থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলে তারা। ম্যাচটি ২-০ গোলে জিতে নেয় তারা। ম্যাচের সেরা হয়েছেন আল আমনা। আট ম্যাচে লাল-হলুদের পয়েন্ট এখন ১৭। মোহনবাগান শেষ তিনটে ম্যাচ ড্র করেছে। প্রথমে শিলং লাজং, পরে নেরোকা আর তারপরে ইন্ডিয়ান অ্যারোজের সঙ্গে। ছয় ম্যাচে তাদের সংগ্রহ দশ পয়েন্ট। দলের স্ট্রাইকার সনি নর্দি চোটের কারণে মাঠের বাইরে চলে যাওয়ায় মোহনবাগানে গোল করার লোক পাওয়া যাচ্ছে না। প্রচুর সুযোগ তৈরি করলেও পেনাল্টি ছাড়া বিপক্ষের জালে বল ঢোকাতে পারছে না তারা। চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াইয়ে কলকাতার দুই প্রধান ছাড়াও এখনও দৌড়ে রয়েছে আইজ়ল, মিনার্ভা পঞ্জাব, লাজং, নেরোকা এবং ইন্ডিয়ান অ্যারোজ। চেন্নাই সিটি, গোকুলম কেরল এবং চার্চিল ব্রাদার্স সেই অর্থে খেতাবের লড়াইয়ে আর নেই। তাদের লড়াই এখন অবনমন ঠেকানো।