issue_cover
x

নিজের চোখে ভারতের চন্দ্রাভিযান দেখতে চাও?

science-songi-img1 হাতে সময় আর ১০ দিন মতো। তারপর, এই জুলাইয়ের ১৫ তারিখ শ্রীহরিকোটার সতীশ ধবন স্পেস সেন্টার থেকে রাত দুটো ৫১ মিনিটে চাঁদের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে ভারতের তৈরি চন্দ্রযান ২। তার আগে চন্দ্রাভিযান নিয়ে উৎসাহী ভারতীয়দের জন্য আনন্দের খবর দিল এই অভিযানের কান্ডারি ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজ়েশন, যাকে সংক্ষেপে ডাকা হয় ইসরো নামে। ইসরো জানিয়েছে, চন্দ্রযান ২-এর উৎক্ষেপণ সরাসরি চাক্ষুষ করা যাবে শ্রীহরিকোটার রকেট স্পেস থিম পার্ক থেকে। তবে তার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন করতে হবে https://www.shar.gov.in/VSCREGISTRATION/index.jsp এই লিঙ্কে গিয়ে। এর আগে পি এস এল ভি – সি ফর্টি ফাইভ লঞ্চের সময়ও ১২০০ দর্শক তা স্বচক্ষে দেখতে পেয়েছিলেন। এবার সেই গ্যালারিকে আরও বাড়ানো হয়েছে। স্টেডিয়ামের আকারের সেই গ্যালারিতে বসে এবারের চন্দ্রাভিযান দেখতে পাবেন একসঙ্গে ৫০০০ মানুষ। মহাকাশের অফুরান রহস্য তোমাকেও ভাবিয়ে তোলে কি মাঝে-মাঝেই? তা হলে কিন্তু একবার আবেদন পাঠিয়ে দেখতেই পার। ডাক পেলে একেবারে চোখের সামনে দেখতে পাবে চন্দ্রযান ২-এর উৎক্ষেপণ! এমন সুযোগ কিন্তু বারবার আসে না। রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়ে গিয়েছে ৪ জুলাই রাত বারোটা থেকে।

প্লুটোর বরফের তলায় আস্ত সমুদ্র?

২০১৫ সালের জুলাইয়ে নাসার নিউ হরাইজ়ন নামের মহাকাশযান প্লুটোর ছবি তুলে এনেছিল। সেই ছবি দেখেই জানা গিয়েছিল, সূর্য থেকে অনেক-অনেক দূরের এই বামন গ্রহের গায়ে বি-শা-ল জায়গা জুড়ে একটা গর্ত মতো আছে। তার নাম দেওয়া হয়েছিল ‘স্পুটনিক প্লেনিশিয়া’। আরও জানা গিয়েছিল, প্লুটোর গায়ে একটা বরফের আস্তরণ আছে, যেটা ওই স্পুটনিক প্লেনিশিয়া-য় খুব পাতলা। প্রশ্নটা বিজ্ঞানীদের মাথায় ঘুরছিল তখন থেকেই, তা হলে কি প্লুটোর গায়ের বরফের আস্তরণের তলায় জল থাকতে পারে? কিন্তু জল থাকবেই বা কী করে? সাড়ে চারশো কোটি বছর আগে প্লুটো তৈরি হয়ে থাকলে এতদিনে সমস্ত তাপ ছেড়ে ঠান্ডা কঠিন বরফের গোল্লায় পরিণত হওয়ার কথা ছিল প্লুটোর। তা হলে প্লুটোর পেটের মধ্যে যদি জল থেকেও থাকে, সেটা তাপ ছেড়ে ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে না কেন? জাপানের একদল বিজ্ঞানী সম্প্রতি দাবি করেছেন, তাঁরা এই রহস্য ভেদ করে ফেলেছেন। কীরকম? বিজ্ঞানীদের ওই দল বলছেন, এ আর এমন কী আশ্চর্য ঘটনা! প্লুটোর গায়ের ওই বরফের চাদরের তলায় নিঘঘাত গ্যাসের একটা আস্তরণ আছে। আর তার তলায় আছে জল। মাঝের ওই গ্যাসের চাদর তাপের ভীষণ কুপরিবাহী হওয়ায় প্লুটোর পেটের ওই জল তাপ ছেড়ে ঠান্ডা হতে পারে না। সে না হয় হল, কিন্তু প্রশ্ন হল, বিজ্ঞানীদের এই দাবি যদি সত্যিও হয়, তাতে আমাদের কী? বা রে! সূর্য থেকে এত দূরের ঠান্ডা এক বামন গ্রহে যদি জল থাকতে পারে, তার মানে কী দাঁড়ায়? মহাকাশে ছড়িয়ে থাকা ছোট-বড় অন্য নানা গ্রহ উপগ্রহেও তার মানে জল থাকা অসম্ভব নয়। আর জলের অন্য নাম কী? কী যেন?