issue_cover
x

পৃথিবীর বুকে এক টুকরো মঙ্গল

science20.3.2019 চিলের আটাকামা মরুভূমির পরিবেশ নাকি একেবারেই মঙ্গল গ্রহের মতো। হয়তো সেকারণেই আমেরিকান মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা সেখানে পাঠিয়ে ছিল রোবট। উদ্দেশ্য ছিল, রোবট সেখানে মাটি খুঁড়ে পরখ করে দেখবে। পৃথিবীর বুকে মঙ্গলের মতো একটা জায়গাকে পরীক্ষা করে অনেক দূরের প্রতিবেশী গ্রহ মঙ্গল সম্পর্কে যদি দু’-চারকথা বেশি জানা যায়, আশা ছিল তেমনটাই। তা দেখা গেল, মরুভূমির মাটি খুঁড়ে রোবট খুঁজে বের করেছে বিশেষ ধরনের সব অণুজীবদের, যারা আটাকামা মরুভূমির অমন ভয়ানক প্রতিকূল পরিবেশেও দিব্যি বেঁচেবর্তে আছে। এই খবর এত জরুরি কেন? কারণ লাল গ্রহ মঙ্গলের মাটির উপরেও পরিবেশ এমনই ভয়ানক, যে তার চাইতে মাটির তলায় বেঁচে থাকাই বরং অনেক বেশি সহজ কোনও জীবের পক্ষে। আটাকামার মাটির তলায় অণু-জীব যখন বেঁচে থাকার ফন্দি এঁটে উঠতে পেরেছে, লাল গ্রহেও অতএব প্রাণ থাকলেও থাকতে পারে— এই আশাই দিতে পেরেছে নাসার এই রোবট। সেখানেই এই পরীক্ষার সাফল্য।

জলের অণু থাকার সম্ভাবনা রয়েছে গ্রহাণু ‘বেন্নু’তে

science-23-3-2019-img2 বেন্নু হল পৃথিবীর খুব কাছাকাছি থাকা একটি ছোট্ট গ্রহাণু বা অ্যাস্টারয়েড। বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন, আগামী ২০০ বছরের মধ্যে বেন্নু আছড়ে পড়তে পারে পৃথিবীর বুকে। এই গ্রহাণুটির সম্পর্কে বিশদে জানার জন্য নাসা অভিযান চালাচ্ছে। ‘ওসিরিস-রেক্স’ নামক একটি মহাকাশযান পাঠানো হয়েছিল সেখানে। এই মহাকাশযানই জানিয়েছে কীভাবে নিজের চারপাশে তৈরি করা ধুলোর মেঘের মধ্যে লুকিয়ে ছিল বেন্নু। সবচেয়ে ব়ড় কথা, মহাকাশযানটি এই গ্রহাণুর মাটিতে জলকণা থাকার সম্ভাবনা লক্ষ করেছে। এর পাশাপাশি আরও অনেক কণা সংগ্রহ করা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে বিশদ গবেষণার কাজে লাগবে। গ্রহাণুটির ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত রুক্ষ।