issue_cover
x

হঠাৎ হারিয়ে যায়নি ডায়নোসররা

সাড়ে ছ’কোটি বছর আগে পৃথিবীর বুকে দাপিয়ে বেড়ানো ডায়নোসররা যে আকাশ ফুঁড়ে নেমে আসা উল্কাপাতের ফলেই নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল, তা আজ আর আমাদের কারও জানতে বাকি নেই। কিন্তু তা বলে যদি ভেবে থাকো, হঠাৎ করেই উল্কাটা নেমে এল আর সঙ্গে-সঙ্গে পুড়ে ছাই হয়ে গেল সারা পৃথিবীর সমস্ত ডায়নোসর, তা হলে কিন্তু মস্ত ভুল করবে।
বরং বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রায় সাড়ে সাত মাইল চওড়া সেই বিশাল উল্কাপাতের ফলে প্রচুর পরিমাণে ধুলো আর ধোঁয়ায় বিষিয়ে গিয়েছিল আমাদের গ্রহের বাতাস। যার জেরে ঢেকে গিয়েছিল আকাশ, সূর্যের আলো সহজে এসে পৌঁছতে পারছিল না ভূপৃষ্ঠ পর্যন্ত। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হু হু করে কমতে শুরু করেছিল পৃথিবীর পরিবেশের তাপমাত্রা।
ফলে ক্রমশ কমতে থাকে পৃথিবীর গাছগাছালির সংখ্যা, যার অভাবে মারা যেতে শুরু করে তৃণভোজী ডায়নোসররা। তাদের সংখ্যা কমতে থাকায় কালক্রমে মারা যেতে শুরু করে মাংসাশী সব ডায়নোসর। ভেঙে পড়ে খাদ্যশৃঙ্খল এবং এই অবস্থা চলতে থাকে কয়েকশো কিংবা কয়েক হাজার বছর ধরে। এর জেরেই ধীরে-ধীরে হারিয়ে যেতে থাকে বিশাল এই সরীসৃপরা। একসময় নিশ্চিহ্নও হয়ে যায় তারা, যারা পৃথিবীর বুকে দাপিয়ে বেড়িয়েছিল একটানা প্রায় ১৬ কোটি ৫০ লক্ষ বছর ধরে।
এদিকে আধুনিক মানুষের সভ্যতার বয়স সেখানে কত জান? মেরে-কেটে মাত্র ১০ হাজার বছর।

আন্টার্কটিকায় আগ্নেয়গিরি


আন্টার্কটিকা মানেই বিশাল এক বরফভূমির ছবি আমাদের চোখে ভেসে ওঠে। সেই বরফের নীচের রহস্য খুঁজতে গিয়েছিলেন এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ্যার ছাত্র ম্যাক্স ভ্যান। বরফের নীচে খোঁজ করতে গিয়ে পশ্চিম আন্টার্কটিকায় ৯১টি নতুন আগ্নেয়গিরির সন্ধান পেয়েছেন ম্যাক্স। যেগুলোর উচ্চতা একশো থেকে চার হাজার মিটার। আগ্নেয়গিরিগুলো ছড়িয়ে রয়েছে সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার লম্বা পথে। ম্যােক্সর গবেষণার সঙ্গে সহমত তাঁর শিক্ষকরা এবং কয়েকজন ভূবিজ্ঞানী। ম্যাক্সের খোঁজ স্বীকৃতি পেলে আন্টার্কটিকা সম্পর্কে আমাদের ধারণা বদলে যাবে। আগ্নেয়গিরিগুলো কী অবস্থায় রয়েছে এখন তা নিয়ে গবেষণা চলছে। এর আগে কৃত্রিম উপগ্রহের পাঠানো ফোটো থেকে সেখানে ৪৭টি মৃত আগ্নেয়গিরির খোঁজ মিলেছিল। সেই ফোটোর সঙ্গে ম্যাক্সের খোঁজও মিলে যাচ্ছে।