issue_cover
x

প্রাণিজগত্‌
পাওয়া গেল নতুন ড্রাগন

ইংরেজিতে এদের নাম ‘গ্রাসল্যান্ড ইয়ারলেস ড্রাগন’। তবে গল্পের বইয়ের ড্রাগনের মতো এর ডানা নেই। প্রচণ্ড রেগে গিয়ে এদের কেউ কখনও মুখ থেকে আগুন বের করেছে বলেও জানা নেই। গল্পের ড্রাগনের মতো এরা কেউ দৈত্যাকৃতিও নয়। বরং মিষ্টি দেখতে এই সরীসৃপ এঁটে যেতে পারে মানুষের হাতের তালুর মধ্যেই। ১৯৯৬ সাল থেকেই এই প্রাণী বিপন্ন প্রাণীর তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে। এতদিন পর এই প্রজাতির ক’টি প্রাণী অবশিষ্ট আছে, সেই অনুসন্ধানে নেমেছিলেন ডঃ জেন মেলভিল। খোঁজটোজ করে যা পাওয়া গেল, তা ভারী আনন্দের। দেখা যাচ্ছে, এই ড্রাগনদের ঠিক যতটা একা মনে করা হচ্ছিল, তারা ঠিক ততটাও একা নয়। বরং এই ড্রাগনের মোট চার রকম প্রজাতি খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। এদের মধ্যে একটি প্রজাতিকে শেষবার দেখা গিয়েছিল ১৯৬৯ সালে। তবে ডঃ মেলভিল বলছেন, আনন্দে আত্মহারা হওয়ার মতো কিছুও এক্ষুনি হয়নি। নতুন প্রজাতি খুঁজে পাওয়ার অর্থ, মানুষ হিসেবে আমাদের কর্তব্য, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। যাতে এই মিষ্টি প্রাণীর কোনও প্রজাতিই চিরতরে হারিয়ে না যায়।

ন’বছরে মারা গিয়েছে ২৪টি বাঘ, ১১০টি চিতা

সারা বিশ্বের পাশাপাশি আমাদের দেশেও বেশ অনেক বছর ধরে বাঘ বাঁচানোর চেষ্টা চলছে। যথেচ্ছ চোরাশিকার, বাঘের শরীরের নানা অংশের জন্য বাঘকে হত্যা, কখনও আবার আত্মরক্ষার জন্য ফাঁদ পেতে বাঘকে পিটিয়ে মারা… এদেশে বাঘের জীবনে বিশেষ শান্তি ছিল না কোনওদিনই। বাঘ বাঁচানোর জন্য আলাদা করে অভয়ারণ্য তৈরির পরেও দেখা গিয়েছে, তার মধ্যেও চোরাশিকারিরা লুকিয়েচুরিয়ে বাঘের জন্য ফাঁদ পাতছে। কখনও সেই ফাঁদসমেতই দীর্ঘদিন ধরে ঘুরে-ঘুরে যন্ত্রণা সহ্য করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে বাঘ। এই প্রসঙ্গে সম্প্রতি সামনে এসেছে এক ভয়ানক তথ্য। ২০১০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে এদেশে ফাঁদে পড়ে মারা গিয়েছে ২৪টি বাঘ এবং ১১০টি চিতাবাঘ। সবসময় যে বাঘ মারার জন্যই ফাঁদ পাতা হচ্ছে, তা কিন্তু নয়। কখনও তৃণভোজী প্রাণীর জন্য পেতে রাখা ফাঁদেও ধরা পড়ে মারা যাচ্ছে বাঘ। সারা বিশ্ব জুড়ে যেখানে নিরন্তর চেষ্টা করা হচ্ছে প্রকৃতির এই অপূর্ব সৃষ্টিকে বাঁচিয়ে রাখার, সেখানে এমন পরিসংখ্যান খুবই দুঃখের। দুশ্চিন্তার তো বটেই।