issue_cover
x
নিজের হাতে

ডোকরা ঘোড়া


উপকরণ: মাটি অথবা সিন্থেটিক ক্লে, অ্যাক্রিলিক রং, টোন সুতো, আঠা।

কীভাবে করবে:

ছবিতে যে ঘোড়াটা তোমরা দেখছ সেটা বাঁকুড়ার বিকনা গ্রামের। এই ঘোড়াটা ডোকরা পদ্ধতিতে তৈরি। ঢোকরা ধামার বাংলার এক প্রাচীন উপজাতি। এরা ধাতু গলিয়ে হাতি, ঘোড়া, দেবদেবী ইত্যাদি তৈরি করত। তাদের নামেই তাদের এই পদ্ধতি ও কাজকে ঢোকরা বা ডোকরা বলা হয়। তাদের নামেই তাদের এই পদ্ধতি ও কাজকে ঢোকরা বা ডোকরা বলা হয়। এই পুতুলের আদল সহজভাবে দেখলে কিছু চোঙ আর শঙ্কু আকৃতি পাবে। এবার সেগুলি মাটিতে বানাও ও পরস্পর জুড়ে ঘোড়ার আকৃতি দাও। বাঁকুড়ার ডোকরা পুতুলের একটা বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলেও এর গায়ে জড়ানো সুতোর চিহ্ন। এইটা তারা ধুনোরও ও মোমের মিশ্রণের সুতো দিয়ে করে। তোমরা এক্ষেত্রে টোন বা টোয়াইন সুতো ব্যবহার করতে পার। সুতো দিয়ে করে। তোমরা এক্ষেত্রে টোন বা টোয়াইন সুতো ব্যবহার করতে পার। সুতো দিয়ে পুরো ঘোড়াটা জোড়া হয়ে গেলে একে খুশিমতো রং করে দাও।