issue_cover
x

z গিজ়ার পিরামিড

এই পিরামিডের পদে-পদে জড়িয়ে অজস্র আশ্চর্য। যেমন ধরো, ৩৮০০ বছর ধরে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু মানুষের তৈরি স্থাপত্য ছিল। তার সেই একনায়কত্বে থাবা বসাল লন্ডনের লিঙ্কন টাওয়ার। তবে খ্রিস্টপূর্ব ২৫৮৯-২৫০৪ সালের মধ্যে নির্মিত গিজ়ার পিরামিড বলতে কিন্তু একটি পিরামিডকে বোঝায় না। গিজ়ার পিরামিড কমপ্লেক্সে আসলে রয়েছে তিনটি পিরামিড। তার মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীনতম আর বৃহত্তমটিই সারা বিশ্বে গিজ়ার পিরামিড নামে আদৃত। মিশরের ফারাও খুফুর সমাধির উপর তৈরি হয়েছিল এই পিরামিড, যা প্রায় ১৪৬ মিটার উঁচু। আচ্ছা, এত বড় পিরামিডটি তৈরি হয়েছিল কতদিনে? সঠিক জানার তো উপায় নেই। তবে ঐতিহাসিকরা একটি আনুমানিক হিসেব করেছেন। প্রত্যেক আড়াই মিনিটে একটি দেড় থেকে ১৫ টনের পাথর যদি সেট করা হয়, তা হলে গিজ়ার পিরামিড বানাতে মানুষের ৩০ বছর লাগা উচিত। প্রাচীন পৃথিবীর সাতটি আশ্চর্যের অন্যতমই শুধু নয়, এটি তাদের মধ্যে একমাত্র আশ্চর্যও যেটি আবহমান কাল ধরে অবিকল একই আছে। সেটিই বা কী কম আশ্চর্যের! কী বলো?

১০ কেজি ওজনের ফুল র‌্যাফ্লেশিয়া

ফুল যে সবসময় ছোটখাটোই হবে আর তাকে হাতে নিয়ে বেশ গন্ধটন্ধ শুঁকে আহা-উহু করা যাবে, তার কিন্তু কোনও মানে নেই। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুল র‌্যাফ্লেশিয়ার নাম নিশ্চয়ই তোমরা অনেকেই শুনেছ। কিন্তু জান কি, র‌্যাফ্লেশিয়া কখনও-কখনও এতই বিশাল হয় যে তার ওজন একেবারে দশ কেজিও হতে পারে? এত্ত বড় এই ফুল অবশ্য পাঁচ-সাতদিনের বেশি বাঁচে না। এই ফুল যে গাছের, তার না আছে পাতা, না আছে কাণ্ড, না-ই আছে কোনও শিকড়। পরজীবী এই ফুল অন্য গাছের উপর জন্মায়। ইন্দোনেশিয়ার রাজ্য ফুল এই র‌্যাফ্লেশিয়ার গায়ে ক্লোরোফিল নেই। ফলে অন্য গাছের মতো সে নিজের খাবার নিজে তৈরি করতে পারে না। জঙ্গলে গেলে র‌্যাফ্লেশিয়াকে খুঁজে বের করা অবশ্য সোজা। তার কারণ, এই ফুল থেকে সবসময়ই পচা মাংসের মতো গন্ধ বেরয়। যে কারণে অনেকেই একে ‘মাংস-ফুল’ও বলে থাকেন।