issue_cover
x
Sports

সিরিজ় ভারতের


টেস্ট এবং একদিনের সিরিজ়ের মতো টি ২০ সিরিজ়ও জিতে নিল ভারত। ফলে ক্রিকেটের তিনটি ফরম্যাটেই ভারত সফরে শূন্য হাতে ফিরতে হল স্টোকস-মরগ্যানদের। কানপুরে প্রথম টি ২০-তে ইংল্যান্ড জয়ী হয় ৫ রানে। কিন্তু পরের দুটোয়, কানপুরে সাত উইকেটে এবং বেঙ্গালুরুতে ৭৫ রানে জিতে সিরিজ় চ্যাম্পিয়ন হল কোহলির দল। সিরিজ়ে ভারতীয় বোলারদের মাপা লেংথে বল, বিপাকে ফেলে দেয় ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের। নেহরা, ভুমরা, অমিত এবং যুজবেন্দ্র চহলের বলের বিরুদ্ধে দাঁড়াতেই পারেননি ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। তাই দ্বিতীয় ম্যাচে ১৪৪ রান তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ড থেমে যায় ১৩৯ রানে। আর তৃতীয় ম্যাচে ভারতের ২০২ রানের উত্তরে মাত্র ১২৭ রানে শেষ হয়ে যায় ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ম্যাচের নায়ক যদি হন নেহরা এবং ভুমরা, তবে তৃতীয় ম্যাচে একাই বিপক্ষকে ম্যাচে মাত করে দেন চহল। শেষ ম্যাচে ২৫ রানে ৬ উইকেট তুলে নিয়ে ভারতীয় হিসেবে নতুন রেকর্ড তৈরি করলেন তিনি। বিশ্বের নিরিখে তৃতীয়। তাঁর আগে রয়েছেন শ্রীলঙ্কার অজন্তা মেন্ডিস। তিনি দু’বার ছয় উইকেট নিয়েছেন আট এবং ১৬ রানে। চহলের বোলিং দাপটে একসময় ১১৯ রানে দুই উইকেট থেকে ১২৭ রানে অল আউট হয়ে যান মরগ্যানরা। ফলে ম্যাচের সেরার পুরস্কারের জন্য চহল ছাড়া আর কারও নাম ভাবতে হয়নি। আগের ম্যাচে আর-এক জন ভারতীয় বোলার ভুমরা ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন। তবে বোলারদের সাফল্যের সময়ে ব্যাটসম্যানরাও সমান উজ্জ্বল। কোহলি ওপেন করতে নামতে শুরু করেছেন। কেরিয়ারে প্রথমবার টি ২০ ম্যাচে অর্ধ শতরান করলেন ধোনি। লোকেশ রাহুল, সুরেশ রায়না, হার্দিক এবং শেষ ম্যাচে যুবরাজের ব্যাটও সফল। ইংল্যান্ডের পর এবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একটি টেস্ট খেলবে ভারত। হায়দরাবাদের রাজীব গাঁধী স্টেডিয়ামে যা শুরু হবে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি।


শীর্ষে ইস্টবেঙ্গল


আই লিগের শীর্ষে উঠে এল ইস্টবেঙ্গল। পরপর বেঙ্গালুরু এফ সি, পঞ্জাবের মিনার্ভা আকাদেমি এবং মুম্বই এফ সিকে হারিয়ে এখন ১৬ পয়েন্ট তাদের। মিনার্ভাকে ৫-০ আর মুম্বইকে ২-০ গোলে হারানোর ফলে লাল-হলুদ গোল পার্থক্যও অনেকটা বাড়িয়ে নিয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের পরের খেলা চেন্নাই সিটি এফ সি-এর বিরুদ্ধে। মোহনবাগান রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। পুণের ডি এস কে শিবাজিয়ান্সদের সঙ্গে ড্র করার ফলে, তাদের পয়েন্ট ৫ প্যাচে ১৩। তবে ইস্টবেঙ্গলের চেয়ে একটি ম্যাচ কম খেলেছে তারা। এ এফ সি ম্যাচ খেলতে শ্রীলঙ্কা গিয়েছিল তারা। সেখানে কলম্বো এফ সিকে ২-১ গোলে হারিয়ে দেশে ফিরেছে। আই লিগে তাদের পরের খেলা আইজ়ল এফ সির বিরুদ্ধে। আইজ়ল ছয় ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে মোহনবগানের পরেই রয়েছে। তবে কিছু পিছিয়ে পড়েছে গতবারের চ্যাম্পিয়ন বেঙ্গালুরু এফ সি। ইস্টবেঙ্গলের পর, চার্চিল ব্রাদার্সের কাছে ২-১ গোলে হেরে গিয়েছে তারা। আপাতত পাঁচ ম্যাচে নয় পয়েন্ট নিয়ে তারা লিগ টেবিলে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। চার্চিল তাদের ছয় ম্যাচে একমাত্র জয় পেয়েছে বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে। বাকি তিনটি হেরেছে এবং দু’টি ড্র করেছে। তারা লিগের নীচে আট নম্বরে রয়েছে। শিলং লাজং তাদের ছ’টা ম্যাচের মধ্যে তিনটিতে জিতেছে, বাকি তিনটিতে হেরেছে। তারা নয় পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে পঞ্চমস্থানে। তবে কলকাতার দুই প্রধান আই লিগে প্রথমবার মুখোমুখি হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। শিলিগুড়িতে সেই ম্যাচ ঘিরে এখন থেকেই উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে।