issue_cover
x
Sports

শীর্ষে ইস্টবেঙ্গল


আইজ়লের কাছে হারের পর কিছুটা মুষড়ে পড়েছিল ইস্টবেঙ্গল শিবির। কিন্তু পরের দুটো ম্যাচে বেঙ্গালুরু এফ সিকে ৩-১ গোলে এবং শিলং লাজংকে ২-১ গোলে হারিয়ে আবার লিগ টেবিলের শীর্ষস্থানে উঠে এল লাল-হলুদ দল। বেঙ্গালুরু গত তিন বছরে দু’বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। সুনীল-ভিনিতদের দল এবার কিন্তু আই লিগে অনেকটাই পিছিয়ে। ইস্টবেঙ্গলের কাছে হোম-অ্যাওয়ে দুটো ম্যাচেই হার হল তাদের। অন্য দিকে পাহাড়ের আইজ়ল এবং লাজং দুটো দলই ঘরের মাঠে অপ্রতিরোধ্য। ইস্টবেঙ্গল ঘরের মাঠে আইজ়লের সঙ্গে ড্র করেছিল। কিন্তু ফিরতি লিগে নিজেদের মাঠে ইস্টবেঙ্গলকে ১-০ গোলে হারিয়ে দেয় আইজ়ল এফ সি। তারপর মুম্বই এফ সিকে ২-০ গোলে হারিয়ে তারা এখন লিগ টেবিলের দ্বিতীয়স্থানে। ইস্টবেঙ্গল থেকে মাত্র এক পয়েন্ট পিছনে পাহাড়ি এই দলটি। একটা-দুটো ম্যাচের ফল এদিক-ওদিক হলেই কিন্তু আই লিগ জয় করে নতুন নজির গড়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে আইজ়লের সামনে। মোহনবাগান অবশ্য আইজ়ল এবং ইস্টবেঙ্গলের চেয়ে দুটো ম্যাচ কম খেলেছে। ১০ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ২১। তারাও লড়াইয়ে রয়েছে। শেষ ম্যাচে গোয়ায় চার্চিল ব্রাদ্রার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে প্রথমে গোল করে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। কিন্তু তারপরে দুটো গোল করে ম্যাচ থেকে পুরো পয়েন্ট তুলে নেয় চার্চিল। পরের ম্যাচেই মোহনবাগানকে হারানোর আত্মবিশ্বাস নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে কলকাতায় মাঠে নামবে চার্চিল। মোটামুটি বারো রাউন্ডের পর আই লিগের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দাবিদার এখন তিনটি দল। ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান এবং আইজ়ল। শেষ আটটা ম্যাচে যারা পুরো পয়েন্ট তুলতে পারবে শেষ হাসিটা তাদের জন্যই বরাদ্দ থাকবে। তবে আইজ়লের সামনে চ্যালেঞ্জ একটু বেশি কারণ, তাদের বেশিরভাগ ম্যাচ এখন খেলতে হবে বাইরের মাঠে। সেখানে বেঙ্গালুরু এফ সি, চার্চিল ব্রাদার্সের মতো শক্ত দলের বিরুদ্ধে নামতে হবে তাদের খেলতে হবে। ঘরের মাঠে কেবল মোহনবাগানের বিরুদ্ধে খেলবে তারা। ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানের ক্ষেত্রে আবার এই হিসেবটা একটু সহজ। কারণ, তারা সমান সংখ্যায় ম্যাচ ঘরে আর বাইরের মাঠে খেলবে।


শীর্ষে ইস্টবেঙ্গল


আই লিগের শীর্ষে উঠে এল ইস্টবেঙ্গল। পরপর বেঙ্গালুরু এফ সি, পঞ্জাবের মিনার্ভা আকাদেমি এবং মুম্বই এফ সিকে হারিয়ে এখন ১৬ পয়েন্ট তাদের। মিনার্ভাকে ৫-০ আর মুম্বইকে ২-০ গোলে হারানোর ফলে লাল-হলুদ গোল পার্থক্যও অনেকটা বাড়িয়ে নিয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের পরের খেলা চেন্নাই সিটি এফ সি-এর বিরুদ্ধে। মোহনবাগান রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। পুণের ডি এস কে শিবাজিয়ান্সদের সঙ্গে ড্র করার ফলে, তাদের পয়েন্ট ৫ প্যাচে ১৩। তবে ইস্টবেঙ্গলের চেয়ে একটি ম্যাচ কম খেলেছে তারা। এ এফ সি ম্যাচ খেলতে শ্রীলঙ্কা গিয়েছিল তারা। সেখানে কলম্বো এফ সিকে ২-১ গোলে হারিয়ে দেশে ফিরেছে। আই লিগে তাদের পরের খেলা আইজ়ল এফ সির বিরুদ্ধে। আইজ়ল ছয় ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে মোহনবগানের পরেই রয়েছে। তবে কিছু পিছিয়ে পড়েছে গতবারের চ্যাম্পিয়ন বেঙ্গালুরু এফ সি। ইস্টবেঙ্গলের পর, চার্চিল ব্রাদার্সের কাছে ২-১ গোলে হেরে গিয়েছে তারা। আপাতত পাঁচ ম্যাচে নয় পয়েন্ট নিয়ে তারা লিগ টেবিলে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। চার্চিল তাদের ছয় ম্যাচে একমাত্র জয় পেয়েছে বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে। বাকি তিনটি হেরেছে এবং দু’টি ড্র করেছে। তারা লিগের নীচে আট নম্বরে রয়েছে। শিলং লাজং তাদের ছ’টা ম্যাচের মধ্যে তিনটিতে জিতেছে, বাকি তিনটিতে হেরেছে। তারা নয় পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে পঞ্চমস্থানে। তবে কলকাতার দুই প্রধান আই লিগে প্রথমবার মুখোমুখি হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। শিলিগুড়িতে সেই ম্যাচ ঘিরে এখন থেকেই উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে।