issue_cover
x
Sports

ভারতের বে-নজির জয়


সাড়ে তিনশো রান তাড়া করতে গিয়ে এক সময়ে ১২ ওভারে ৬৩ রানে চার উইকেট খুইয়ে বসে ভারত। প্যাভেলিয়ানে ফিরে গিয়েছেন ধোনি, যুবরাজ। জয়ের আশা ক্রমেই ফিকে হয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় ক্যাপ্টেন কোহলি আর জুড়িদার কেদার যাদবের ব্যাট যেন রূপকথার রাত নামিয়ে আনল পুণের স্টেডিয়ামে। দু’জনের জুটিতে পরের ২৫ ওভারে উঠল দু’শো রান। কোহলি ১০৫ বলে ১২২ এবং কেদার যাদব ৭৬ বলে ১২০ রানে সুবাদে জয়ের কাছে পৌঁছে গিয়েছে ভারত। তখনই স্টোকসের বলে পুল করতে গিয়ে আউট হয়ে গেলেন কোহলি। ২৯১ রানের মাথায় কেদার যাদবও আউট। দশ ওভারে তখনও ভারতকে ৬১ রান তুলতে হবে। প্রথমে জাদেজা পরে অশ্বিনকে সঙ্গে নিয়ে ভারতকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর ৩৭ বলে ৪০ রান প্রয়োজনের সময়ে সংযমী ব্যাট, ফিনিশার ধোনিকে মনে করিয়ে দিচ্ছিল। সিরিজ়ে ভারত ১-০ ফলে এগিয়ে গেল ঠিকই। কিন্তু দলের বোলিং চিন্তায় রাখবে কোচ আর ক্যাপ্টেনকে। এদিন টসে জিতে প্রথমে ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠান কোহলি। কিন্তু শেষ আট ওভারে ১০৫ রান তুলে, ৩৫০ রানের স্কোর খাড়া করে তারা। ভারতের কোনও বোলারই সেদিন নিস্তার পাননি ইংল্যান্ডের রয়, রুট আর স্টোকসের সংহার থেকে। সাতজন বোলারকে কোহলি ব্যবহার করেও ইংল্যান্ডের রানে লাগাম টানতে পারেননি। তবে সাড়ে তিনশো রান তাড়া করে, ১১ বল বাকি থাকতে তিন উইকেটে জেতার পর আপাতত তুঙ্গে রয়েছে ভারতীয় দলের স্পিরিট।


শীর্ষে বেঙ্গালুরু


ঘরের মাঠে ড্র করার পর আই লিগে প্রথম জয় পেল ইস্টবেঙ্গল অ্যাওয়ে ম্যাচে। বারাসতে প্রথম ম্যাচে আইজল এফসির সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে ছিল তারা। পুণেয় ডি এস কে শিবাজিয়ান্সকে ১-২ গোলে হারিয়ে জয়ের মুখ দেখল মর্গ্যানের দল। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গোল দু’টি করেন ওয়েডসন এবং প্লাজা। ম্যাচের ১৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে প্রথম গোল করেন ওয়েডসন। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের ৬৪ মিনিটে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান শিবাজিয়ান্সের গৌরমাঙ্গি সিংহ। ৮০ মিনিটে উইলস প্লাজার গোলে তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে লাল-হলুদবাহিনী। ইস্টবেঙ্গলের পরের ম্যাচ গোয়ায় চার্চিল ব্রাদার্সের সঙ্গে। আপারাতত দুই ম্যাচে চার পয়েন্টে পেয়ে লিগ টেবিলের চতুর্থস্থানে তারা। দুই ম্যাচের দু’টিতেই জয় তুলে নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে বেঙ্গালুরু এফ সি। প্রথম ম্যাচে শিলং লাজংকে ৩-০ গোলে হারানোর পর দ্বিতীয় ম্যাচে চেন্নাই সি টিকে ২-০ গোলে হারিয়ে দিল সুনীলরা। প্রথম ম্যাচে চার্চিল ব্রাদার্সের পর দ্বিতীয় ম্যাচে শিলং লাজংকে ২-০ গোলে হারিয়ে টেবিলের দ্বিতীয়স্থানে রয়েছে মোহনবাগান। বেঙ্গালুরুর সঙ্গে তাদের পয়েন্ট সমান হলেও, গোল পার্থক্যে এক ধাপ পিছনে রয়েছে সঞ্জয়ের দল। ছয় পয়েন্টে তৃতীয়স্থানে রয়েছে মুম্বই এ সি। প্রথম ম্যাচে ১-০ গোলে তারা হারিয়ে দেয় ডি এস কে শিবাজিয়ান্সকে। পরের ম্যাচে চার্চিল ব্রাদার্সকে ২-১ গোলে হারিয়ে দেয়। ইস্টবেঙ্গলের ঠিক পরেই চার পয়েন্ট নিয়ে পাঁচ নম্বরে রয়েছে আইজল এ সি। প্রথম ম্যাচ ড্র করলেও পরের ম্যাচে পঞ্জাবের মিনার্ভা আকাদেমিকে ১-০ গোলে হারিয়ে দেয় তারা। মিনার্ভার সঙ্গে চেন্নাই সি টি-র খেলা গোলশূন্যভাবে শেষ হওয়ায় দু’ দল ওই এক পয়েন্টেই দাঁড়িয়ে আছে। শিবাজিয়ান্স, চার্চিল এবং লাজং এখনও কোনও পয়েন্ট সংগ্রহ করতে পারেনি।