issue_cover
x
Sports

ক্রিকেটে হার, হকিতে জয়

আই সি সি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রোফির ফাইনালে শেষ রক্ষা হল না। ইতিহাস পালটে দিয়ে ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে দিল পাকিস্তান। টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন ভারত অধিনায়ক কোহলি। ফাইনালে টসে জিতে নিজেরা ফিল্ডিং নিয়ে এর আগেও ভারত হেরেছে। ২০০৩ বিশ্বকাপে সৌরভের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ফাইনালেও ভারত ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। সেই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া বিশাল অঙ্কের ৩৫৯ রান তুলে ভারতকে ম্যাচ থেকে হটিয়ে দেয়। ২০০৭ টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টসে জিতে ভারত প্রথমে ব্যাট নেয়। সেই ম্যাচ ভারত জেতে। ২০১১ বিশ্বকাপে ভারত টসে হারে। তবু পরে ব্যাট করে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ দিতে নেয়। ২০১৩ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রোফির ফাইনালে এই মাঠেই টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নিয়েছিল ইংল্যান্ড।

টি২০ সেই ম্যাচ প্রথমে ব্যাট করে জিতে নেয় ভারত। তাই ফাইনালের মতো ম্যাচে পরে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কেন উমেশ যাদবের মতো একজন ফাস্ট বোলারকে বসিয়ে স্পিনার নেওয়া হল। আগের ম্যাচের সফল বোলার কেদার যাদবকে কেন ৪০তম ওভারে বল করতে আনা হল? যখন পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের পার্টনারশিপ ভাঙা দরকার ছিল তখন কেদার যাদব বা যুবরাজকে বল দেওয়া হল না কেন? হারের পর এমন নানা প্রশ্ন এখন উঠছে। তা ছাড়া ভাগ্যও ভারতের সঙ্গে এদিন ছিল না। বুমরার ‘নো’ বলে আউট, উইকেটে বল লেগেও বেল না পড়া এসবই ভারতের বিপক্ষে গিয়েছে। তাই ৩৩৮ রানের বিশাল ইনিংস খাঁড়া করে মাত্র ১৫৮ রানে বিপক্ষকে আটকে দিতে পাকিস্তানের সমস্যা হয়নি। তবে ক্রিকেটে না পারলেও, হকিতে ৭-১ গোলে পাকিস্তানকে হারিয়ে দিল ভারত। বিশ্বের সমস্ত হকি খেলা দেশকে নিয়ে হকি ওয়ার্ল্ড লিগ শুরু হয় গত বছর এপ্রিলে। ফাইনাল রাউন্ডের খেলা হবে এবছর ডিসেম্বরে, ভারতের ভুবনেশ্বরে। বিশ্ব হকি লিগের সেমিফাইনাল স্তরে গ্রুপের খেলায় ভারত হারিয়ে দিল পাকিস্তানকে। এর আগে কানাডা এবং স্কটল্যান্ডকেও হারায় ভারত। গ্রুপে ভারতের পরের ম্যাচ নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে।


ব্যাডমিন্টনে কাদম্বির জয়

গত বছর অক্টোবরেও ডান পায়ের পাতার হাড়ে চিড় ধরেছিল বলে ব্যান্ডেজ বেঁধে বসেছিলেন কাদম্বি। তারপর সুস্থ হয়ে আবার ট্রেনিং, নিজের ফিটনেস ধরে রাখার কসরত। আর তারপর ইতিহাস। ন’মাস পরে বিশ্বের এক নম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার সোন ওয়ান হো-কে হারালেন ইন্দোনেশিয়া ওপেন সুপার সিরিজ়ের সেমিফাইনালে। ফাইনালে সরাসরি সেটে প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিলেন মাত্র ৩৭ মিনিটে। বিশ্বের ৪৭ নম্বর জাপানের কাজুমাসা সাকাই জাকার্তার ফাইনালে কোনও লড়াই দিতে পারেননি বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ২২ নম্বরে থাকা কাদম্বিকে। ফলে ২১-১১, ২১-১৯ ফলে ম্যাচ জিতে নিলেন কাদম্বি। ট্রোফি জিতে চ্যাম্পিয়নের সোনার পদক আর পুরস্কারের ৭৫ হাজার ডলার অর্থ জিতলেন কাদম্বি। এবার নিয়ে দ্বিতীয় সুপার সিরিজ় প্রিমিয়ার ট্রোফি জিতলেন কাদম্বি। এর আগে নভেম্বর ২০১৪ সালে চিন ওপেন জিতেছিলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের এই ‘ঘুমন্ত দৈত্য’। শ্রীকান্ত কাদম্বির সাফল্যে রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, ভারতীয় ব্যাডমিন্টন সংস্থার প্রেসিডেন্ট হেমন্ত বিশ্ব শর্মা তাঁকে সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছেন।