issue_cover
x

x মৌমাছির ম্যাপ

চাক থেকে বেরিয়ে, নানা দিক ঘুরে, আবার নিজের জায়গা চিনে, ঠিক ঘরে ফিরে আসে মৌমাছিরা। বিজ্ঞানীরা বলেন, আসলে মৌমাছিরা সূর্যকে কম্পাস করে, নিজেদের যাওয়া- আসার পথ ঠিক করে। যার ফলে, ঘরে ফেরার সময় তারা পথ হারিয়ে ফেলে না। কিন্তু সম্প্রতি, বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক র‌্যাডল্ফ মেজ়েল মৌমাছিদের উপর পরীক্ষা চালিয়ে আরও একটা নতুন তথ্য দিয়েছেন। তিনি জানাচ্ছেন, মেরুদণ্ডী প্রাণীদের মতো, মৌমাছিরাও তাদের চলার পথের একটা ম্যাপ নিজেদের মস্তিষ্কে এঁকে নেয়। আর ফেরার পথে মাথায় থাকা সেই ম্যাপ ধরে-ধরে তারা আবার নিজেদের জায়গায় ফিরে আসে। ছোট্ট মাথা হলে কী হবে, মৌমাছিদের স্মরণশক্তি যে খুব ভাল, সেকথা কিন্তু বলতেই হবে।

রোবটের বিচারবুদ্ধি

রোবট মানেই আমরা বুঝি এমন এক যন্ত্রমানব, যার মধ্যে আগে থেকেই কিছু নির্দেশ বা ‘প্রোগ্রাম’ সেট করে দেওয়া রয়েছে। সেই মতোই সে কাজ করবে। হঠাৎ কোনও সমস্যায় পড়লে, নিজের বিচারবুদ্ধি দিয়ে তা সামলে নেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘রোবোটিক্স’ বিভাগের গবেষক জেফ ক্রিচমার আর তাঁর দল এমনই এক রোবট তৈরিতে ব্যস্ত, যার বিচারবুদ্ধি হবে মানুষের মতো। হঠাৎ আসা সমস্যার সমাধান করবে নিজের মতো করে। রোবোটিক্স এবং যন্ত্রাংশের এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে, কচ্ছপের মতো দেখতে একটি রোবট প্রদর্শন করেন জেফ। ইঁদুরের মস্তিষ্কে থাকা বিভিন্ন হরমোনের ক্রিয়াকলাপের সঙ্গে ইঁদুরের কাজকর্মের বিচার করে, তার থেকে প্রোগ্রাম তৈরি করেছেন জেফ। তারপর সেটি দিয়ে চালানো হয়েছে কচ্ছপ রোবটটিকে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, ইঁদুরের মস্তিষ্ক নকল করে রোবটের প্রোগ্রাম তৈরি করার পর, মানুষের মস্তিষ্ককে নকল করে রোবট তৈরির গবেষণা অনেকটাই এগিয়ে যাবে। ফলে খুব শিগগিরই আমরা মানুষের মতো ভাবনা, চিন্তা করে, এমন রোবট দেখতে পাব।