issue_cover
x
Current Affairs

নতুন গ্রহ


আবার এক নতুন গ্রহের খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই গ্রহটির বিশেষত্ব পিলে চমকে দেওয়ার মতো। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই গ্রহটি নাকি অনেক তারার চেয়েও গরম। ৬৫০ আলোকবর্ষ দূরের এই গ্রহটি একটি নীল তারাকে ঘিরে প্রদক্ষিণ করে। আয়তনে এই গ্রহটি বৃহস্পতির চেয়েও তিনগুণ বড়। কিন্তু কেন ওই গ্রহটি এত গরম? বিজ্ঞানীদের মতে, ওই গ্রহটি যে তারাদের কাছে সেই তারাগুলো সূর্যের চেয়ে আড়াই গুণ বেশি গরম। তার ফলে সেই উত্তাপ এসে পড়ছে গ্রহটির উপর। ৭৮২০ ফ্যারেনহাইট পর্যন্তও ওই গ্রহের তাপমাত্রা উঠে যাচ্ছে বলে বিজ্ঞানীদের দাবি। মজার কথা হল, গ্রহটির একদিকে যেমন তারার উত্তাপ এসে লাগছে, অন্যদিকে কিন্তু সেই উত্তাপ নেই। সেখানে শুধুই অন্ধকার। তাই গ্রহের একদিক যেমন গরম, অন্যদিক তেমনই ঠান্ডা। এমন আবহাওয়ার ফলে আমেরিকার ওহিরো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী স্কট গাউডি নিশ্চিত যে, ওখানে কোনও প্রাণের সন্ধান পাওয়া যাবে না। তবে গ্রহটি তথ্যের খনি। গাউডি জানিয়েছেন, ‘‘বহুদিন পর্যন্ত আমাদের এটাই বিশ্বাস হচ্ছিল না যে, এমন কোনও গ্রহ সত্যিই থাকতে পারে।’’

blue-divider

ভারতের দীর্ঘতম সেতু

bridge

অসমে ব্রহ্মপুত্র নদের উপনদী লোহিতের উপর ঢোলা-সাদিয়া সেতুটি ২৬ মে উদ্বোধন হল। দৃশ্যত অসম্ভব সুন্দর ব্রিজটি। ঠিক যেন তুলিতে আঁকা। আশা করা হচ্ছে, অসম আর অরুণাচল প্রদেশের যোগাযোগে অনেক সুবিধে বাড়াবে এটি। আগে অরুণাচল থেকে অসমের ডিব্রুগড় বা তিনসুকিয়া যেতে ১০ ঘণ্টা সময় লাগত। এখন অনেকটাই বাঁচবে। ২,০৯৬ কোটি টাকা খরচে তৈরি প্রকাণ্ড সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল সেই সাতবছর আগে, ২০১০ সালে। অসমের সাদিয়া অঞ্চলের লোকদের কাছে সেতুটি এক বিশাল দরজা খুলে দিল, কারণ এতদিন তারা একপ্রকার বাইরের পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্নই ছিল, নদীর দক্ষিণদিকে ঢোলায় পৌঁছতে হলে ফেরি পারাপারই ছিল একমাত্র ভরসা। সেসব ঘুচিয়ে দিল ৯.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্রিজটি, এখনও পর্যন্ত ভারতের দীর্ঘতম সেতুর দাবিদার।