issue_cover
x
Current Affairs

এবার শব্দের ছোঁয়াতেই তৈরি হবে বাষ্প

জল ফুটে তৈরি হয় বাষ্প, অনেক সময়ে তাপের প্রভাবে জলের উপরিভাগ থেকেও বাষ্প তৈরি হয়ে মিশে যায় বাতাসে। তবে এতদিন পর্যন্ত যে-কোনও উপায়েই জল থেকে বাষ্প তৈরিতে তাপের ভূমিকা ছিল অপরিহার্য। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা এক পরীক্ষায় প্রমাণ করেছেন যে, তাপপ্রয়োগ ছাড়াও জল থেকে বাষ্প তৈরি সম্ভব। সেক্ষেত্রে বাইরে থেকে শব্দের প্রয়োগ করতে হবে। জলের তলার নানা কার্যকলাপ পরীক্ষা করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা এক তীব্র আওয়াজের হদিশ পেয়েছেন। এই শব্দ সমুদ্রের তলার কোন ভূমিকম্পের ফল নয়, এটি উচ্চচাপে তৈরি একটি ছোট্ট ওয়া়টার জেট, যার বেধ আমাদের একটি চুলের বেধের অর্ধেক। প্রায় ২৭০ ডেসিবেলের এই শব্দ মানুষের কানে ধরা দেয় না, কিন্তু এর বিধ্বংসী ক্ষমতা জলের সংস্পর্শে এসে জলকে বাষ্পে পরিণত করতে পারে। বিজ্ঞানীদের আশা, আরও নিয়ন্ত্রিতভাবে এই শব্দপ্রবাহকে চালনা করলে জলকে ফোটানোও যেতে পারে। জলের তলায় বিভিন্ন শব্দের প্রভাবে কীভাবে বিভিন্ন অণুর পরিবর্তন ঘটে, এই আবিষ্কার সেই বিষয়ে আরও গবেষণায় সাহায্য করবে।

‘দৈত্য’দের হাতে তৈরি বিশাল পাথরের জার

দক্ষিণ এশিয়ার ছোট্ট দেশ লাওস। সেই লাওসের জিয়াংখুয়াং প্রদেশের এক জঙ্গলে অভিযান চালাচ্ছিলেন একদল ন়ৃতত্ত্ববিদ। সেখানে তারা খুঁজে পেলেন প্রায় ১০ফুট লম্বা পাথরের বিশাল জার। সংখ্যায় যা একশোরও বেশি। কিন্তু কী কাজে ব্যবহার হত এই জারগুলো? ওই একই জায়গা থেকে পাওয়া গিয়েছে প্রায় আড়াইশো বছরের পুরনো কবরও। তাই নৃতত্ত্ববিদরা মনে করছেন, মৃ়তদেহকে এই জারে ভরেই কবর দেওয়া হত। তবে এই বিশাল জারগুলো কারা বানিয়েছিলেন, সে বিষয়ে গবেষকরা এখনও অন্ধকারেই রয়েছেন, তবে যাঁরা এই দৈত্যাকৃতি জার বানিয়েছিলেন, তাঁরা যে খুব একটা দুবলা-পাতলা ছিলেন না, এ কথা বলাই বাহুল্য। তবে এই ধরনের জারের হদিশ আগেও পাওয়া গিয়েছিল লাওসেরই অন্য এক অঞ্চলে।