Category Archives: Sports

রোনাল্ডোকে মিস করছে রিয়াল?

রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে জুভেন্তাসে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো চলে গিয়েছেন বেশ কয়েকমাস হয়ে গেল। ইত্যবসরে রিয়াল মাদ্রিদ ছয় ম্যাচের মাত্র একটিতে জয় পেয়েছে। আর বারবারই কথা উঠেছে, রিয়াল কি মিস করছে তাঁদের মহাতারকাকে? রিয়ালের তারকা টোনি ক্রুসকে সম্প্রতি প্রশ্নটা করা হয়েছিল। উত্তরে ক্রুস জানিয়েছেন, ‘‘হ্যাঁ, একটু তো পালটে গিয়েছেই। কিন্তু ক্লাব এটাই চেয়েছিল। আমরা সিজ়নের শুরুটা ভালই করেছিলাম এবং কিছু ম্যাচে তিন-চার গোলও করেছি। তখনও ওকে (রোনাল্ডো) কেউ মিস করছিল না। যাঁরা এখানে নেই, তাঁদের নিয়ে কথা বলার মানেটাই বা কী! ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ও। কিন্তু তাতে আমাদের কোনও লাভ নেই। যা করার ওকে ছাড়াই করতে হবে আমাদের।’’ ক্রুসের এই মন্তব্যের কয়েকদিন আগে ইসকোকেও এই প্রশ্ন করা হয়েছিল। তাঁর জবাব ছিল, ‘‘যে এখানে নেই, তাঁর থেকে তো সমাধানের আশা নেই। যে এখানে থাকতে চায়নি, তাকে নিয়ে কান্নাকাটি করেও লাভ নেই।’’ রূঢ় শোনালেও ক্রুস আর ইসকোর কথাগুলো যে সত্যি, তা কিন্তু অস্বীকার করা যায় না।

নতুন মাইলফলক কোহলির


চলতি বছরে একদিনের ম্যাচে তাঁর স্কোর এরকম— ১১২, ৪৬ (নট আউট), ১৬০ (নট আউট), ৭৫, ৩৬, ১২৯ (নট আউট), ৭৫, ৪৫, ৭১, ১৪০, ১৫৭ (নট আউট)। ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির ধারাবাহিকতা নিয়ে লিখতে বসে ক্রিকেট-বোদ্ধারা যে অনেকদিন থেকেই প্রশংসাসূচক বিশেষণের ঝুলি উপুড় করে দিচ্ছেন, তাতে আশ্চর্য হওয়ার অতএব কিছু নেই। সাধারণ মানুষে নিজের প্রশংসা শুনে বিগলিত হয়ে পড়ে। একমাত্র অতিমানব, অসাধারণরাই পারেন খ্যাতির সেই বিহ্বলতাকে উপেক্ষা করে ক্রমাগত আরও ভাল ফল করে যেতে। ঠিক যেভাবে অক্টোবরের ২৪ তারিখ বিশাখাপত্তনমে নতুন মাইলফলক ছুঁয়ে ফেললেন বিরাট কোহলি। একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্রুততম ১০ হাজার রান করার দৌড়ে তিনি পিছনে ফেলে দিলেন সচিন তেন্ডুলকরকে। সঙ্গে একদিনের ম্যাচে করে ফেললেন ৩৭ তম সেঞ্চুরিটিও। দশ হাজার রানে পৌঁছতে কিংবদন্তি সচিনের লেগেছিল ২৬৬ ম্যাচের ২৫৯ ইনিংস। কোহলি নিলেন ২১৩ ম্যাচের ২০৫ ইনিংস। একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্রুততম ১০ হাজার রানশিকারির তালিকায় এরপরই রয়েছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। যে-ম্যাচে এই অবিশ্বাস্য কীর্তি বিরাট গড়লেন, তাতে অবশ্য তিনি নিজে অধিনায়কোচিত অপরাজিত ১৫৭ রান করার পরেও শেষ রক্ষা হয়নি। নাটকীয়ভাবে ম্যাচের শেষ বলে টাই হয়েছে খেলা। তাতে অবশ্য ভেঙে পড়েননি বিরাট। বরং সত্যিকারের রাজার মতোই উদাত্ত গলায় বলেছেন, ‘‘এটাই ক্রিকেটের মাধুর্য।’’

রুপো জিতে রেকর্ড দ্যুতি চন্দের

ওড়িশার গোপালপুরের মেয়েটি ছোট থেকেই উসেইন বোল্টের ভক্ত। স্প্রিন্টিং তাঁর ভালবাসা। আর সেই ভালবাসার জোরেই পি টি উষার মস্কো অলিম্পিক্‌সের হিটে গড়া ১২.২৭ সেকেন্ডের রেকর্ড ভেঙে ১১.২৪ সেকেন্ডে রেস শেষ করে এশিয়ান গেমসে রুপো জিতে শুধু নতুন রেকর্ডই গড়েননি, সঙ্গে-সঙ্গে রিও অলিম্পিকের ছাড়পত্রও পেয়ে গিয়েছেন তিনি। দ্যুতি চন্দ, যিনি অ্যাথলেটিক্সে নামার সময় থেকেই স্বপ্ন দেখতেন অলিম্পিক্‌সে একশো মিটার দৌড়নোর, আজ এই স্বপ্ন পূরণের সুযোগ পেয়ে তাঁর মুখে সার্থকতার হাসি। দ্যুতিই ভারতের প্রথম অ্যাথলিট যিনি ৩৬ বছর পরে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে রিও অলিম্পিক্‌সে নামবেন। তবে তার জন্য নিজেকে অহেতুক চাপ দিতে আগ্রহী নন তিনি। জেতা-হারার কথা ভাবনাতেই নেই, তাঁর কাছে দেশের হয়ে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে নামার গুরুত্ব প্রাথমিকভাবে অনেক বেশি। এশিয়ান গেমসে শেষ চল্লিশ মিটার চোখ বন্ধ করে দৌড়েছিলেন তিনি, তখনও মাথায় ছিল না জেতার কথা। তবে রুপো জেতায় স্বাভাবিকভাবেই ভীষণ খুশি তিনি। দ্যুতির উত্থানের পিছনে তাঁর কোচ এন রমেশের কৃতিত্ব অনেকটাই, দুশো বা চারশো মিটার স্প্রিন্টের ট্রেনিং দিয়ে তাঁর ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলেছেন তিনি। অন্যদিকে তাঁর বোন সরস্বতী দ্যুতির ট্রেনিংয়ের জন্য সমস্ত রকম আর্থিক সুবিধে তাঁকে দেওয়ার চেষ্টা করেন। দ্যুতির রুপো জেতা তাঁকে নিয়ে অনেকটা আশা বাড়িয়ে দিয়েছে আমাদের, এখন শুধু অলিম্পিক্‌সের অপেক্ষা।

এশিয়ান গেমসে রুপো জয় হিমার

আনন্দমেলার ওয়েবসাইটের পাতায় এর আগেও লেখা হয়েছে হিমা দাসের কথা। বিশ্ব জুনিয়র অ্যাথলেটিক্‌সে সোনা জিতে এই তো সেদিন সারা দেশের নয়নের মণি হয়ে উঠেছিলেন অসমের কৃষক পরিবারের এই মেয়ে। কিন্তু এশিয়ান গেমস থেকেও কি পদক আনতে পারবেন হিমা? সংশয় ছিল অনেকের মনেই। গত দু’দিনে হিমা সেই সব সন্দেহ স্রেফ ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দিয়েছেন বলা চলে। শনিবার হিটে ৪০০ মিটার ৫১ সেকেন্ডে দৌড়ে হিমা ফাইনালে উঠেছিলেন নিজেরই রেকর্ড ভেঙে। রবিবার ফাইনালে সেই রেকর্ডও ভেঙে ৪০০ মিটার শেষ করেছেন ৫০.৫৯ সেকেন্ডে। জিতেছেন রুপো। প্রথম স্থানে থেকে দৌড় শেষ করেছেন ২০১৭-র বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে রুপোজয়ী, বাহরিনের সালওয়া নাসের। তাঁর সময় ছিল ৫০.০৯ সেকেন্ড। এর আগে এশিয়ান গেমসে মহিলাদের ৪০০ মিটারে ভারত শেষবার পদক পেয়েছিল ১২ বছর আগে, ২০০৬ সালে। আনন্দের খবর এই যে, হিমার পাশাপাশি পুরুষদের ৪০০ মিটারে রুপো জিতেছেন ২৫ বছর বয়সি ভারতীয় রানার মহম্মদ আনাস ইয়াহিয়া-ও।

স্বর্ণপদক জয় হিমার


অসমের এক কৃষক পরিবারের মেয়ে ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সে গড়ে ফেললেন ইতিহাস। ১৮ বছরের হিমা দাস ৪০০ মিটার দৌড়ে ভারতকে এনে দিয়েছেন কোনও আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে ভারতের প্রথম ট্র্যাক গোল্ড। ফিনল্যান্ডের তাম্পেরা-তে অনূর্ধ্ব ২০ চ্যাম্পিয়নশিপে ৪০০ মিটারের ফাইনালে হিমা জিতেছেন স্বর্ণপদক। নিজের জীবনের প্রথম প্রতিযোগিতামূলক দৌড় তিনি দৌড়েছিলেন মাত্র ১৮ মাস আগে, আসামের শিবনগরে, একটি আন্তঃজেলা প্রতিযোগিতা়য়।
দৌড়ের শুরুতে হিমা ধীরে শুরু করলেও শেষ ৮০ মিটারে তিনি পেরিয়ে যান তিন-তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বীকে! গুয়াহাটিতে বসে থাকা হিমার কোচ নিপন দাস অবশ্য বলছেন, ‘‘ওই শেষ ৮০ মিটারেই আসল দৌড় শুরু করে ও (হিমা)। ওর ভিতরে কতটা সম্ভাবনা আছে, সেটা ওর উন্নতি দেখেই বোঝা যায়।’’
কাদাভরা মাঠে ফুটবল পিটিয়ে নিজের খেলোয়াড় জীবন শুরু করেছিলেন হিমা। স্থানীয় এক কোচের পরামর্শেই তিনি অ্যাথলেটিক্সের দিকে ঝুঁকে পড়েন। এবং চোখে পড়েন কোচ নিপন দাসের। নিপন দাসের পরামর্শেই হিমা তাঁর পাঁচ ভাই-বোন এবং বাবা-মাকে ছেড়ে, নিজের গ্রামের বাড়ি থেকে ১৪০ কিলোমিটার দূর গুয়াহাটিতে চলে আসেন এবং শিখতে থাকেন। স্বর্ণপদকজয়ী হিমার তৈরি হওয়ার দিনগুলোতে তাঁর জন্য নিপনের পরামর্শ ছিল একটাই, ‘‘ঈশ্বরদত্ত প্রতিভা সকলের থাকে না। তোমার আছে। কাজেই বড় স্বপ্ন দেখা অভ্যেস করো!’’
স্বপ্ন সত্যি হওয়াই বটে। প্রতিভার সঙ্গে পরিশ্রমের যোগ্য মিশেলে আজ সারা দেশের গর্ব হয়ে উঠেছেন হিমা। টুইটারে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশের তাবড়-তাবড় ব্যক্তিত্ব।

সোনা পেলেন দীপা

চোটের কারণে প্রায় দু’বছর প্রতিযোগিতার মাঠ থেকে দূরে থাকতে হয়েছে দীপা কর্মকারকে। দু’বছর পর যখন ফিরলেন, ফেরার মতো করেই ফিরলেন। তুর্কির মারসিনে এফ আই জি আর্টিস্টিক জিমনাস্টিক্স ওয়র্ল্ড চ্যালেঞ্জ কাপের ভল্ট ইভেন্টে দীপা জিতেছেন স্বর্ণপদক। ২০১৬-র রিও অলিম্পিক্সে একটুর জন্য পদক হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিল দীপার। কোনও ওয়র্ল্ড চ্যালেঞ্জ কাপে এটিই তাঁর প্রথম স্বর্ণপদক। এশিয়াডের জন্য নির্বাচিত আর-এক জিমন্যাস্ট আকাশ পাত্র রোমান রিংস ফাইনালসে চতুর্থ স্থান পেয়েছেন। দীপার স্বর্ণপদক জয়ের খবরে স্বাভাবিকভাবেই শুভেচ্ছাবার্তা আসতে শুরু করেছে দেশের নানা প্রান্ত থেকে। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে অমিতাভ বচ্চন, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব— টুইটারে দীপাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সকলেই।

২৪ বছর পর শেষ আটে সুইডেন


গতকালের অন্য খেলায় ২৪ বছর পর সুইটজ়ারল্যান্ডকে হারিয়ে শেষ আটে পৌঁছল সুইডেন। এর আগে জ়্লাটান ইব্রাহিমোভিচের দেশ সুইডেন বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল ১৯৯৪ সালে। গতকালের ম্যাচে ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে ছ’নম্বরে থাকা সুইটজ়ারল্যান্ডকে হারের মুখ দেখিয়েছে ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে ২৪ নম্বরে থাকা সুইডেন। ম্যাচের ৬৬ মিনিটের মাথায় সুইডেনের হয়ে গোলটি করেন এমিল ফোসবেরিয়া। সুইটজ়ারল্যান্ডকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আগামী শনিবার সুইডেন মুখোমুখি হবে যাঁদের, তাঁদের কথা আগের খবরেই বলেছি। কোয়ার্টার ফাইনালের সেই ম্যাচে সুইডেনের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে এদিনের অন্য খেলায় কলম্বিয়াকে হারের মুখ দেখানো দেশ, ইংল্যান্ড।

লড়াই শেষে হার কলম্বিয়ার

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ম্যাচের ৫৭ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি থেকে হ্যারি কেনের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। ৯৩ মিনিটে কলম্বিয়াকে সমতায় ফেরান মিনা। শেষমেশ টাইব্রেকারে ইংল্যান্ড জয়ী হয় ৪-৩ গোলে। তবে খেলার ফলাফল যাই হোক না কেন, মস্কোর স্পার্টাক স্টেডিয়াম গতকাল সাক্ষী থাকল রুদ্ধশ্বাস এক লড়াইয়ের। ইংল্যান্ডের খেলা দেখে যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইংল্যান্ডের খেলায় সেই বৈচিত্র আর নেই। তুলনায় বরং অনেক বেশি উজ্জীবিত খেলা খেলেছে কলম্বিয়া। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ইংল্যান্ডের হয়ে হ্যারি কেন এই বিশ্বকাপে তিন ম্যাচে ছ’টি গোল দিয়ে ফেললেন। আগামী শনিবার, ৭ জুলাই, ভারতীয় সময় সন্ধে সাড়ে সাতটায়, কোয়ার্টার ফাইনালে সুইডেনের মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড।

বিশেষ দিনে পদ্মভূষণ ধোনির

এবছর ২৫ জানুয়ারি ঘোষিত হয়েছিল ৮৫ জন পদ্ম পুরস্কারপ্রাপকের (পদ্মবিভূষণ,পদ্মভূষণ ও পদ্মশ্রী) নাম। ২০ মার্চ রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁদের প্রায় সকলেই উপস্থিত থেকে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের হাত থেকে পুরস্কার নিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেদিন সেখানে উপস্থিত থাকতে পারেননি মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। সেই পুরস্কার তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হল, ২ এপ্রিল— যে দিনটা ইতিমধ্যেই ধোনির জীবনে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ! সাতবছর আগে, ২০১১ সালে এই দিনেই ২৮ বছরের খরা কাটিয়ে ভারতের ঘরে বিশ্বকাপ এনে দিয়েছিলেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। ফাইনালের শেষ ওভারের শেষ বলে ভারতকে জয় এনে দেওয়া তাঁর সেই দুরন্ত ছয় আজও প্রত্যেক ক্রিকেটপ্রেমী ভারতীয়র স্মৃতিতে টাটকা হয়ে আছে। বিশ্বকাপ জেতার জন্য দিনটা এতদিন স্পেশ্যাল ছিলই। এবার ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান প্রাপ্তির দিনটাও এই একই তারিখে পড়ে যাওয়ায় ক্যাপ্টেন কুলের জীবনে আরওই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল ২ এপ্রিল।

দোষের শাস্তি দেওয়া হল স্টিভ স্মিথদের

বল বিকৃতির কথা তাঁরা নিজেরা স্বীকার করেছিলেন ঠিকই। কিন্তু দোষ স্বীকার করলেই তো সব সময় দোষীকে ক্ষমা করা যায় না। ফলত শাস্তি হল অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক ডেভিড স্মিথ, সহ অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার এবং বোলার ক্যামেরন ব্যানক্রফ্টের। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া আজ স্মিথ এবং ওয়ার্নারকে নির্বাসিত করেছে একবছরের জন্য। ব্যানক্রফ্টের নির্বাসনের মেয়াদ ন’মাস। আগামী অন্তত দু’বছরের জন্য অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কত্বও করতে পারবেন না স্মিথ এবং ব্যানক্রফ্ট। ওয়ার্নারকেও ভবিষ্যতে অধিনায়কত্ব দেওয়া হবে না বলে ঠিক হয়েছে। কোচ ড্যারেন লেম্যানকে নির্দোষ ঘোষণা করা হয়েছিল আগেই। ফলে তাঁর কোনও রকম শাস্তির প্রশ্নও উঠছে না।