Category Archives: Featurelist

আজব দেশে

সামনে ওই মস্ত হাঙরটার মুখোমুখি এসে পড়ে গাড়ির আর-সব ছেলেমেয়ের সঙ্গে ঋকও চেঁচিয়ে উঠল।
আমরা গিয়েছিলাম পৃথিবীর সব চাইতে বড় ফিল্ম স্টুডিও ‘‘ইউনিভার্সাল’’ দেখতে। হলিউডের নাম ঋক তার ভূগোল বইতে পড়েছে, তাই এখানে আসার কথা পাকা হলে ও আনন্দে লাফিয়ে উঠেছিল।

feature=24.12.218-small

মাসিক আনন্দমেলার ছোট্ট বন্ধুদের প্রতি

আনন্দমেলা’-র ছোট্ট বন্ধুরা,
আর অল্প কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আমরা তোমাদের সুন্দর দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছি। কিন্তু আমার স্মৃতিতে চির-উজ্জ্বল থাকবে এখানকার জনগণের কথা, যারা তাদের স্নেহভালবাসার অনেকখানিই উজাড় করে দিয়েছে আমার আর আমার সহখেলোয়াড়দের উপর।

সমুদ্রের দৈত্য

তিমিকে সমুদ্রের দৈত্য ছাড়া কী-ই বা বলা চলে? খৃষ্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে গ্রীস দেশের প্রখ্যাত দার্শনিক-বৈজ্ঞানিক অ্যারিস্টটল বুঝতে পেরেছিলেন, তিমি মাছ নয়, জলচর জন্তু। স্তন্যপায়ী। পৃথিবীতে এত বড় জন্তু আর দেখা দেয়নি। নীল তিমি হল সবচেয়ে বড় জাতের তিমি। প্রাগৈতিহাসিক জন্তু ডা‌ইনোসর পর্যন্ত নীল তিমির চাইতে আকারে ছোট।

ল্যাংড়া আমের গল্প

ফুলের রানী গোলাপ আর ফলের রাজা আম। আমের জন্মস্থান এই ভারত। কোন কোন পণ্ডিতের মতে সিংহল। সিংহলকে এখন বলে ‘শ্রীলংকা’। আগে বলত শুধু ‘লংকা’। সেখানে তখন প্রচুর লংকা হত কিনা জানি না, কিন্তু আম যে হত, সে-কথার উল্লেখ আছে রামায়ণে।

কলকাতায় ডাইনোসর

এই সেই ডাইনোসর, যাকে নিয়ে বহু রূপকথা আর লোকগাথা তৈরি হয়েছে। প্রায় ৪৭ ফুট লম্বা ও দোতলা বাসের সমান উঁচু এই কঙ্কালটি পাওয়া গেছে ভারতের দক্ষিণ-পূর্বে গোদাবরীর উত্তর তীরে। নদীর তীরে এদিক-সেদিক ছড়িয়ে ছিল বিস্তর হাড়গোড়।

টিন! টিনের গল্প

না, টিনটিনের গল্প নয়, টিনের গল্প। টিন ধাতুর গল্প। তবে তাতে ক্ষতি নেই, টিনটিনের গল্পের মতোই রোমাঞ্চকর এই টিনের গল্প। একটা উলটোপালটা প্রশ্ন করি। ১৮১১ সালে রাশিয়া জয় করতে গিয়ে ফরাসী সম্রাট নেপোলিয়ান বোনাপার্টি কেন হেরে গিয়েছিলেন, জান কি? উত্তরে বলতে হয়, বিশ্ববিজয়ী সম্রাটের এই বিপর্যয়ের মূলেও টিনটিনের মতোই খামখেয়ালি স্বভাবের এই টিনের কিছু ভূমিকা ছিল।

গুরুদেবের ক্লাসে

আমাকে যখন কলকাতা থেকে শান্তিনিকেতনে নিয়ে গিয়ে গুরুদেব রবীন্দ্রনাথের ইশকুলে ভর্তি করে দেওয়া হয়, তখন আমার বয়স খুব অল্প। মা-বাবাকে ছেড়ে দূরে থাকতে প্রথম-প্রথম খুব কষ্ট হত।

kukur-list

কুকুর মানুষ করতে হলে

বাঁ-দিকের ওই কুকুরটাকে দেখ, দেখেছ জ্বলন্ত রিংয়ের ভেতর দিয়ে কী চমত্‌কার লাফ দিচ্ছে! এমনভাবে লাফ দিচ্ছে যে, আগুন ওর গায়ে একটুও লাগছে না। শুধু জ্বলন্ত রিংয়ের ভেতর দিয়ে লাফ দেওয়া নয়, আরও অনেক কিছুই পারে ও।

বাড়ির মধ্যে চিড়িয়াখানা

টাঙ্গাওয়ালা জবাব দিলে, “আপলোক যিস বাংলোমে যাতেহেঁ, ওহি বাংলোকা বাবু নে এক চিড়িয়াখানা বানায়া,” বলতে বলতে চাবুকসমেত হাতটা তুলে দেখিয়ে দিলে, উধার দেখিয়ে, ওহি হ্যায় চিড়িয়াখানা।”

চিড়িয়াখানায় মাছের মজা

এবার শীতে আলিপুর চিড়িয়াখানার মস্ত আকর্ষণ অ্যাকোয়ারিয়ম। জলের নীচের অদ্ভুত রহস্যে ভরা গাছপালা জীবজন্তুর জগত্‌কে ছোট আকারে চোখের সামনে তুলে ধরার এমন বিরাট আয়োজন উত্তর-পূর্ব ভারতে এই প্রথম। কাচের বিশাল বিশাল জলাধারের ভেতর নানা দেশের নানা জাতের রংবেরঙের মাছ, অ্যাকসোলটল, ছোট কচ্ছপ, ছোট ছোট শামুক জলজ উদ্ভিদ এখানে দেখা যাবে।