Category Archives: Current Affairs

মাছেদের সঙ্গে খাবার খাওয়ার সুযোগ

current-affairs-big বাবা-মা কিংবা আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে গিয়েছ রেস্তরাঁয় খেতে, আর তোমার চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে অজস্র মাছ… ব্যাপারটা কিন্তু মন্দ হবে না! সম্প্রতি আগ্রহী মানুষদের জন্য সেইরকম একটি সুযোগ এনে দিল নরওয়ে। সেখানে তৈরি হয়েছে ইউরোপের প্রথম সমুদ্রগর্ভস্থ রেস্তরাঁ। তার নাম ‘আন্ডার’, নরওয়েজিয়ান ভাষায় যার অর্থ ‘বিস্ময়’। উদ্বোধনের পরেই প্রায় সাত হাজার মানুষ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সেই রেস্তরাঁয় আসার জন্য। নরওয়ের দক্ষিণে অবস্থিত এই রেস্তরাঁর দেওয়ালটি একটি প্রকাণ্ড কাচের জানলার মতো, তার পাশে রয়েছে ৪০ জনের বসার জায়গা। সেই জানলা দিয়ে দেখতে পাওয়া যায় সামুদ্রিক মাছসহ অন্যান্য জলজ প্রাণীদের। খাবারের তালিকাতেও থাকছে রকমারি সি-ফুড। সারারাত থেকে সামুদ্রিক শোভা দেখার বন্দোবস্তও রয়েছে এই হোটেলে।

গোর্খাদের জন্য বিশেষ শাখা ব্রিটেনের সেনাবাহিনীতে

নেপালি গোর্খা সম্প্রদায়ের মানুষদের সাহস এবং কর্মদক্ষতা চোখে পড়ার মতো। এই কারণে ভারতীয় এবং ব্রিটেনের সেনাবাহিনীতে তাঁদের আলাদা কদর রয়েছে। স্বাধীনতার আগে তারা লড়াই করতেন ব্রিটেনের সেনাবাহিনীর হয়ে। স্বাধীনতার পর এক চুক্তি অনুযায়ী গোর্খা বাহিনীর কিছু অংশ যায় ব্রিটেনের অধীনে আর বাকিরা আসেন ভারতের হাতে। বর্তমানে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর ৩০ শতাংশ সেনা এই গোর্খারা। তাঁরা তাঁদের চাকরি জীবনের শেষে চাইলে ব্রিটেনের নাগরিকত্বও পেতে পারেন। সম্প্রতি ব্রিটেনের হয়ে তাঁদের চাকরির ২০০ বছর পূর্ণ হল। সেই উপলক্ষে প্রায় ৮০০ জন নতুন গোর্খা সেনাকে নিয়ে একটি বিশেষ পদাতিক বাহিনী বানানোর পরিকল্পনা করেছে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী।

মৃত তিমির পেটে প্রায় ৮৮ পাউন্ড প্লাস্টিক!

বিগত দশ বছরে ড্যারেল ব্লাচলে নামের এক ব্যক্তি মোট ৬১টি মৃত তিমি এবং ডলফিন উদ্ধার করেছেন, যার মধ্যে ৫৭টির মৃত্যু হয়েছিল প্লাস্টিক দূষণের ফলে। তবে সম্প্রতি ফিলিপিনসের উপকূলে যে ঘটনাটি তিনি লক্ষ করেছেন, তা আগে কখনও দেখা যায়নি! সেই উপকূল থেকে সদ্য উদ্ধার করা হয়েছে ১৫ ফুট লম্বা এবং ১১০০ পাউন্ড ওজনের একটি মৃত তিমি এবং তার পেট থেকে পাওয়া গিয়েছে ৮৮ পাউন্ড ওজনের প্লাস্টিক! এর আগে কোনও তিমি বা ডলফিনের পেট থেকে এই পরিমাণ প্লাস্টিক পাওয়া যায়নি! প্লাস্টিকের যথেচ্ছ ব্যবহার এবং তার ফলে উদ্ভুত পরিবেশ দূষণের শিকার হয়ে জলজ প্রাণীদের মৃত্যুর ঘটনা এর আগেও ঘটেছে, কিন্তু ইদানীং তার উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পরিবেশবিদদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।

গোর্খাদের জন্য বিশেষ শাখা ব্রিটেনের সেনাবাহিনীতে

নেপালি গোর্খা সম্প্রদায়ের মানুষদের সাহস এবং কর্মদক্ষতা চোখে পড়ার মতো। এই কারণে ভারতীয় এবং ব্রিটেনের সেনাবাহিনীতে তাঁদের আলাদা কদর রয়েছে। স্বাধীনতার আগে তারা লড়াই করতেন ব্রিটেনের সেনাবাহিনীর হয়ে। স্বাধীনতার পর এক চুক্তি অনুযায়ী গোর্খা বাহিনীর কিছু অংশ যায় ব্রিটেনের অধীনে আর বাকিরা আসেন ভারতের হাতে। বর্তমানে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর ৩০ শতাংশ সেনা এই গোর্খারা। তাঁরা তাঁদের চাকরি জীবনের শেষে চাইলে ব্রিটেনের নাগরিকত্বও পেতে পারেন। সম্প্রতি ব্রিটেনের হয়ে তাঁদের চাকরির ২০০ বছর পূর্ণ হল। সেই উপলক্ষে প্রায় ৮০০ জন নতুন গোর্খা সেনাকে নিয়ে একটি বিশেষ পদাতিক বাহিনী বানানোর পরিকল্পনা করেছে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী।

রাখে মোবাইল, মারে কে!

মোবাইলে মগ্ন হয়ে কেউ নাওয়া-খাওয়া ভুলে যায়, কেউ বা লেখাপড়াই তুলে দেয় শিকেয়! এইরকম হাজারও অভিযোগ রয়েছে মোবাইলের বিরুদ্ধে। কিন্তু এবার এক ব্যক্তির প্রাণ বাঁচাল মোবাইল। ঘটনাটি ঘটেছে অস্ট্রেলিয়ায়, ব্রিসবেন শহর থেকে কিছুটা দূরে এক শহরতলিতে। এক জনৈক ব্যক্তিতে মারার জন্য তার বাড়ির বাইরে তির-ধনুক নিয়ে অপেক্ষা করছিল আততায়ী। বাড়ি থেকে বেরিয়ে আততায়ীকে তির মারতে উদ্যত দেখে সেই ব্যক্তি মোবাইল ক্যামেরায় তাঁর ছবি তুলতে যান এবং আততায়ী সেই মুহূর্তেই তিরটি ছোঁড়ে। বরাতজোরে সেই ব্যক্তির গায়ে তিরটি না লেগে লাগে মোবাইলে। ফলে মোবাইলটি এফোঁড়-ওফোঁড় হয়ে যায় এবং তিরের তীব্র বেগের ফলে তিরসহ মোবাইলটি লোকটির থুতনিতে এসে হালকা একটি ক্ষত সৃষ্টি করে। মোবাইলটি নষ্ট হলেও প্রাণে বেঁচে যায় সেই ভদ্রলোক। পরে খবর পেয়ে আততায়ীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।


সিংহের হাজতবাস

মাসখানেক সবাইকে নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরানোর পর অবশেষে ঘরের ছেলে ঘরে ফিরল, তবে তার আগে তাকে একরাত হাজতবাসও করতে হয়েছে। কিছুদিন আগে দক্ষিণ আফ্রিকার কারো ন্যাশনাল পার্কের বেড়ির একটি ছোট গর্ত দিয়ে পালিয়ে যায় একটি বাচ্চা সিংহ। তার খোঁজ পড়ে যায় চারিদিকে। অবশেষে অনেক খোঁজা়খুঁজির পর তার খোঁজ মেলে এবং তাকে তার ডেরায় ফিরিয়ে দিয়ে আসা হয়। তবে ডেরায় ফেরানোর আগে একরাত তাকে রাখা হয়েছিল সাদারল্যান্ড পুলিশ স্টেশনের লক-আপে। সম্ভবত এই প্রথম কোনও সিংহকে পুলিশ লক-আপে রাখা হল। তবে সেদিন জেলে আর কোনও বন্দি ছিল না। গ্রামের লোকেরা সিংহটিকে দেখবার জন্য থানার সামনে ভিড় জমায়। পরদিন সকালেই তাকে ঘুম পাড়িয়ে কারো ন্যাশনাল পার্কে দিয়ে আসা হয়।

বৃষ্টির পরিমাণ বাড়াতে সরকারের উদ্যোগ

খরার প্রকোপে যাতে কৃষিকাজ বা স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে আগামী দু’বছরের জন্য এক নতুন উদ্যোগ নিল কর্ণাটক সরকার। তারা বৈজ্ঞানিক উপায়ে কৃত্রিমভাবে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহই করেছে। এক বিশেষ প্রক্রিয়ায় প্রকৃতির উপর বৈজ্ঞানিক প্রভাব খাটিয়ে বৃষ্টিপাত তৈরি করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে হয় কৃত্রিম মেঘ তৈরি করে তা থেকে বৃষ্টিপাত তৈরি করা হয়, নয়তো বিমানের সাহায্যে আকাশে ভাসমান মেঘের উপর রাসায়নিক প্রভাব ফেলে তাকে বৃষ্টিপাত ঘটানোর সহযোগী করে তোলা হয়। কর্ণাটকে সম্ভবত এই দ্বিতীয় পদ্ধতি অবলম্বনেই বৃষ্টিপাত ঘটানো হবে। এর আগে ২০১৭ সালেও কর্ণাটক একবার সফলভাবে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছিল।

মাত্র ১৬ বছর বয়সেই নোবেল শান্তি পুরস্কারের মনোনয়ন

সুইডেনের গ্রেটা থানবার্গের বয়স মাত্র ১৬ বছর। এই স্কুলছাত্রী তার বন্ধুদের উদ্বুদ্ধ করেছে একটি পরিবেশ সচেতনতার কাজে। আবহাওয়ার পরিবর্তনের বিরুদ্ধে এক আম্তর্জাতিক কর্মসূচীর সামিল করতে চেয়েছে সে তার বন্ধুদের। তার এই প্রয়াসের কথা সুইডেন ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়েছে ইউরোপের অন্যান্য অনেক দেশেও। আর তার পুরস্কারস্বরূপ সে পেয়ে গিয়েছে এই বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কারের মনোনয়ন। যদি সত্যিই সে নোবেল পুরস্কার পায়, তবে সে-ই হবে কনিষ্ঠতম নোবেল পুরস্কার প্রাপক। এখন এই রেকর্ডটি রয়েছে পাকিস্তানের মালালা ইউসুফজ়াইয়ের দখলে, সে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিল ১৭ বছর বয়সে।

গুজরাতে আবিষ্কৃত হল হরপ্পা সভ্যতার সমাধিস্থান

সম্প্রতি গুজরাতের কচ্ছ জেলার ঢোলাবিরার ৩৬০ কিলোমিটার দূরে খননকাজ চালিয়ে একটি বিশাল সমাধিস্থান আবিষ্কার করেছেন পুরাতত্ত্ববিদরা। কেরালা ও কচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অভিযানটি থেকে উঠে এসেছে আশ্চর্য তথ্য। নানা পরীক্ষার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে এই সমাধিস্থলটি আনুমানিক ৪৬০০-৫২০০ সালের পুরনো। তবে আয়তনে আয়তক্ষেত্রের মতো সমাধিস্থলটি বিতর্কের সূত্রপাত করেছে, কেননা এখনও পর্যন্ত গুজরাত ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে পাওয়া সব সমাধিস্থলগুলোই বৃত্তাকার।
হরপ্পা সভ্যতার আমলের এই কবরস্থানে রয়েছে প্রায় ২৫০টি সমাধি। তার মধ্যে ইতিমধ্যে ২৬টি খোঁড়া হয়েছে। সেখান থেকে একটি ছ’ফুট লম্বা কঙ্কালকে অনুমান করা হচ্ছে ৫০০০ বছর বয়সি।

হকিংকে মনে রেখে কয়েন

ইউনাইটেড কিংডমের রয়্যাল মিন্ট ১২ মার্চ একটি নতুন ৫০ পেন্স কয়েন প্রকাশ্যে এনেছে, যেটি তৈরি করা হয়েছে পৃথিবীবিখ্যাত ব্রিটিশ পদার্থবিদ স্টিফেন হকিং এবং কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে তাঁর গবেষণাকে মনে রেখে। ২০১৮ সালে প্রয়াত এই বিজ্ঞানী তাঁর জীবদ্দশাতেই বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় বিজ্ঞানী হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর স্মৃতিতে তৈরি রুপো ও সোনার এই কয়েন রয়্যাল মিন্টের ওয়েবসাইটে বিক্রি করা হচ্ছে ৫৫ থেকে ৭৯৫ পাউন্ড মূল্যের বিনিময়ে। বিজ্ঞানকে সাধারণ মানুষের নাগালে আনতে হকিং যে অবদান রেখেছেন, তাকে মনে রেখেই এই কয়েন তৈরি হয়েছে বলে নির্মাতারা জানিয়েছেন। হকিংয়ের নামাঙ্কিত এই কয়েন দেখতে কেমন হবে, তা ঠিক করেছেন এডুইনা এলিস। কয়েনের গায়ে হকিংয়ের নাম তো আছেই, তাঁর আবিষ্কৃত ফরমুলাও খোদাই করা আছে। সঙ্গে আছে ব্ল্যাক হোলকে বোঝাতে চেয়ে একগুচ্ছ গোল-গোল বৃত্ত!

অঙ্ক কষে ভিনগ্রহীদের গান

অঙ্ক কষতে ভাল লাগে না, এই কথাটা অগ্নিজর মুখে কেউ শুনবে কি কখনও? ১৭ বছরের এই কিশোর অঙ্ক কষতে ভালবাসে বললে কম বলা হয়, বরং যদি বলা হয় সে অঙ্ক কষে ভিনগ্রহীদের গানের অর্থ বের করতে সক্ষম… তা হলে খানিকটা ধারণা করা যেতে পারে। গড়পড়তা কৈশোরের পছন্দ সোশ্যাল মিডিয়া তাই অবলীলায় সরিয়ে রেখে সে বেছে নেয় জটিল অঙ্কের বই। শুধু বেছে নেয় না, বরং নিজে লিখেও ফেলে একটি। ছোটবেলা থেকেই ছেলের যে অঙ্কের প্রতি অদম্য আকর্ষণ তা বুঝতে পেরেই শুভায়ু আর প্রণীতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছেলেকে নিয়ে গিয়েছিলেন ডেভিড ডার্লিং-এর কাছে… বাকিটা ইতিহাস! শিক্ষক আর ছাত্র মিলে ২০১৮তে লিখে ফেললেন আস্ত একখানা অঙ্ক বই, ‘উইয়ার্ড ম্যাথস: অ্যাট দ্য এজ অফ ইনফিনিটি অ্যান্ড বিয়ন্ড’।
এবার আর-একটু পিছিয়ে যাওয়া যাক, পাঁচ বছর আগের কথা, অগ্নিজর বয়স তখন মাত্র ১২। নিতান্তই কৌতূহল থেকে ‘মেনসা আই কিউ টেস্ট’-এঅংশগ্রহণ করেছিল সে, তারপরেই চমক। আইনস্টাইন এবং স্টিফেন হকিং-এর সমান আই কিউর সর্বোচ্চ স্কোর করে সে। নিজের শহর স্কটল্যান্ডের ডান্ডিতে তখন সে রীতিমতো সেলেব্রিটি। সেই শুরু… অঙ্ক নিয়ে পথ চলা তার আর থামেনি। তারপরের সাফল্য থার্ড ইয়ারে সিক্সথ ইয়ার বোর্ডের অঙ্ক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ স্কোর করা। আমাদের দেশে ক্লাস সেভেনের কোনও ছাত্র মাধ্যমিকের অঙ্ক পরীক্ষায় একশোয় একশো পেলে যা হবে… ঠিক তাই!
অথচ নিজের স্পেশাল ট্যালেন্ট নিয়ে অহংকার নেই একটুও, বর‌ং আরও বেশি করে সকলের অঙ্কভীতি কাটানো অগ্নিজর লক্ষ্য।
ডার্লিং নিজে ৩৫ বছর ধরে নানারকম পপুলার সায়েন্সের বই লিখে প্রসিদ্ধ। বাকি সময়টা অঙ্ক আর ফিজ়িক্স পড়ান আর অঙ্কের নতুন-নতুন থিওরি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পছন্দ করেন। অগ্নিজর সঙ্গে প্রথম আলাপের সময় তিনি তাকে নিজের লেখা ‘এনসাইক্লোপি়ডিয়া অফ ম্যাথেমেটিকস’ পড়তে দিয়েছিলেন, সপ্তাহ দু’য়েকের মধ্যে বইটা পড়ে ফেরত দেয় সে। শুধু তাই নয়, বইয়ের মধ্যে ছোট-ছোট ভুলগুলোও দেখিয়ে দেয় সে। তারপরেই নড়েচড়ে বসেন ডার্লিং। পরিকল্পনা শুরু হয় ‘উইয়ার্ড ম্যাথস’-এর… তারপর ২০১৮ সালে প্রকাশ পায় এই বই।
এবার ফিরে আসা যাক ওই ‘ইতিহাসে’, থুড়ি বর্তমানে। স্কুলের পড়া শেষ করে অগ্নিজ এখন কেমব্রিজে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে, নিয়মিত ডান্ডি আর কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্কবিদদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে সে। সঙ্গে সঙ্গে চলছে ‘উইয়ার্ড ম্যাথস’- এর সিকোয়েল, ‘উইয়ার্ডার ম্যাথস: অ্যাট দ্য এজ অফ দ্য পসিবল’-এর খসড়া, যা কিনা প্রকাশ পাবে ২০১৯-এ।
বছর দুই বয়সে দেশ ছাড়লেও কলকাতা বেশ প্রিয় অগ্নিজর, নিজেকে সে ‘ভদ্র সভ্য খাদ্যরসিক সংস্কৃতিমনস্ক বাঙালি’ বলতে ভালবাসে। মায়ের হাতের মাছের ঝোল-ভাত তার প্রিয়, আর প্রিয় দুর্গাপুজো। ২০১৪ তে প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে এসে মনের মতো করে দেশ ঘুরে নিলেও কলকাতায় আসার ইচ্ছে তার রয়েছেই। তবে আপাতত তার ফোকাস কেমব্রিজ, অঙ্কের আরও গহিন সাগরে ডুব দেওয়ার জন্য।

শ্রেয়া ঠাকুর

dvbottom_bg-624x1951112

মালালা ইউসুফজাই

malala
মালালা ইউসুফজাইকে তো তোমরা সকলেই চেনো। ২০১৪ সালে সবচেয়ে কমবয়সে শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কারটি জিতেছিলই তো সে। কিন্তু তার পরিচিতি পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল কিছুদিন আগে, যখন স্কুলে যাওয়ার সময় চলন্ত ভ্যানে তাকে লক্ষ করে কয়েকটি বুলেট ছুটে এসেছিল। পাকিস্থানে জন্ম মালালা ইউসুফজাইয়ের একটাই ‘দোষ’ ছিল। সে তালিবানি ফতোয়া না মেনে লেখাপড়া করতে চেয়েছিল। সেজন্যই তাকে ‘শাস্তি’ দিতে চিয়েছিল মৌলবাদীরা। তবে অত সহজে তো সব কিছু রুখে দেওয়া যায় না। স্বাধীনতার স্বপ্নকে তো নয়ই। তাই মালালা গুলিবিদ্ধ হলেও তাকে থামানো যায়নি। বর্তমানে ইংল্যান্ডের বাসিন্দা মালালা। লেখাপড়া করছে দিব্যি। দেশ হয়তো ছাড়তে হয়েছে তাকে। কিন্তু তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিশ্ববাসী। তার স্বপ্নকে আকার দিতে। তাকে নিয়ে হইহই কম হয়নি। এইটুকু বয়সে এতটা সাহস আর মনের জোর নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে অনেককিছু। এই মুহূর্তে ২০ বছর বয়স মালালা। নিজের দেশে তো বটেই, বিশ্বের সব পিছিয়ে থাকা ছোটদের সে নিজের জীবন বাজি রেখে উৎসাহ দিয়েছে।
এখন নতুন খবরটা হল, সম্প্রতি মালালা ‘মালালা’স ম্যাজিক পেনসিল’ একটি বই লিখে ফেলেছে। একদম খুদেদের কথা মাথায় রেখেই ছবিওলা বইটি প্রকাশিত হতে চলেছে অক্টোবর মাসে। ছেলেবেলায় একটা ‘জাদু পেনসিল’ নামে একটা কার্টুন খুব পছন্দ ছিল মালালার। সেটাই নাকি এই বইয়ের অনুপ্রেরণা। মালালার মা এখন ইংরেজি শিখছেন। টুইটারে জানিয়েছে মালালা, তার মা এই বইটির প্রথম পাঠক। তোমরাও পড়ো নিশ্চয়ই।
মালালার জাদু দীর্ঘজীবী হোক। সব অভাগাদের হাতে যেন উঠে আসে পেনসিল। বেঁচে যাক আলোর দিকে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন।

দু’শো টাকার নোট


এই প্রথম ভারতে দু’শো টাকার নোট চালু হল। এর আগে একশো টাকার নোট বেরিয়েছে। সে তো বহু-বহু বছর হল। তারপর বেরিয়েছে পাঁচশো টাকার নোট। কিন্তু দুশো টাকার নোট আগে বের হয়নি। উজ্জ্বল হলুদ রঙের এই নোট আর কিছুদিনের মধ্যেই সকলের হাতে-হাতে ঘুরবে। গত বছরের নভেম্বর মাসের পর থেকে এটাই ভারত সরকারের বের করা চতুর্থ নতুন নোট। গত বছর নভেম্বর মাসে পুরনো পাঁচশো এবং হাজার টাকার নোট বাতিল করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এর পর বাজারে ছাড়া হয়েছিল নতুন পাঁচশো আর দু’ হাজার টাকার নোট। এক নতুন পঞ্চাশ টাকার নোটও বাজারে এসেছে। এবার এল দু’শো টাকার নোট।

dvbottom_bg-624x1951112

মালালা ইউসুফজাই

malala
মালালা ইউসুফজাইকে তো তোমরা সকলেই চেনো। ২০১৪ সালে সবচেয়ে কমবয়সে শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কারটি জিতেছিলই তো সে। কিন্তু তার পরিচিতি পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল কিছুদিন আগে, যখন স্কুলে যাওয়ার সময় চলন্ত ভ্যানে তাকে লক্ষ করে কয়েকটি বুলেট ছুটে এসেছিল। পাকিস্থানে জন্ম মালালা ইউসুফজাইয়ের একটাই ‘দোষ’ ছিল। সে তালিবানি ফতোয়া না মেনে লেখাপড়া করতে চেয়েছিল। সেজন্যই তাকে ‘শাস্তি’ দিতে চিয়েছিল মৌলবাদীরা। তবে অত সহজে তো সব কিছু রুখে দেওয়া যায় না। স্বাধীনতার স্বপ্নকে তো নয়ই। তাই মালালা গুলিবিদ্ধ হলেও তাকে থামানো যায়নি। বর্তমানে ইংল্যান্ডের বাসিন্দা মালালা। লেখাপড়া করছে দিব্যি। দেশ হয়তো ছাড়তে হয়েছে তাকে। কিন্তু তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিশ্ববাসী। তার স্বপ্নকে আকার দিতে। তাকে নিয়ে হইহই কম হয়নি। এইটুকু বয়সে এতটা সাহস আর মনের জোর নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে অনেককিছু। এই মুহূর্তে ২০ বছর বয়স মালালা। নিজের দেশে তো বটেই, বিশ্বের সব পিছিয়ে থাকা ছোটদের সে নিজের জীবন বাজি রেখে উৎসাহ দিয়েছে।
এখন নতুন খবরটা হল, সম্প্রতি মালালা ‘মালালা’স ম্যাজিক পেনসিল’ একটি বই লিখে ফেলেছে। একদম খুদেদের কথা মাথায় রেখেই ছবিওলা বইটি প্রকাশিত হতে চলেছে অক্টোবর মাসে। ছেলেবেলায় একটা ‘জাদু পেনসিল’ নামে একটা কার্টুন খুব পছন্দ ছিল মালালার। সেটাই নাকি এই বইয়ের অনুপ্রেরণা। মালালার মা এখন ইংরেজি শিখছেন। টুইটারে জানিয়েছে মালালা, তার মা এই বইটির প্রথম পাঠক। তোমরাও পড়ো নিশ্চয়ই।
মালালার জাদু দীর্ঘজীবী হোক। সব অভাগাদের হাতে যেন উঠে আসে পেনসিল। বেঁচে যাক আলোর দিকে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন।

মালালা ইউসুফজাই

malala
মালালা ইউসুফজাইকে তো তোমরা সকলেই চেনো। ২০১৪ সালে সবচেয়ে কমবয়সে শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কারটি জিতেছিলই তো সে। কিন্তু তার পরিচিতি পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল কিছুদিন আগে, যখন স্কুলে যাওয়ার সময় চলন্ত ভ্যানে তাকে লক্ষ করে কয়েকটি বুলেট ছুটে এসেছিল। পাকিস্থানে জন্ম মালালা ইউসুফজাইয়ের একটাই ‘দোষ’ ছিল। সে তালিবানি ফতোয়া না মেনে লেখাপড়া করতে চেয়েছিল। সেজন্যই তাকে ‘শাস্তি’ দিতে চিয়েছিল মৌলবাদীরা। তবে অত সহজে তো সব কিছু রুখে দেওয়া যায় না। স্বাধীনতার স্বপ্নকে তো নয়ই। তাই মালালা গুলিবিদ্ধ হলেও তাকে থামানো যায়নি। বর্তমানে ইংল্যান্ডের বাসিন্দা মালালা। লেখাপড়া করছে দিব্যি। দেশ হয়তো ছাড়তে হয়েছে তাকে। কিন্তু তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিশ্ববাসী। তার স্বপ্নকে আকার দিতে। তাকে নিয়ে হইহই কম হয়নি। এইটুকু বয়সে এতটা সাহস আর মনের জোর নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে অনেককিছু। এই মুহূর্তে ২০ বছর বয়স মালালা। নিজের দেশে তো বটেই, বিশ্বের সব পিছিয়ে থাকা ছোটদের সে নিজের জীবন বাজি রেখে উৎসাহ দিয়েছে।
এখন নতুন খবরটা হল, সম্প্রতি মালালা ‘মালালা’স ম্যাজিক পেনসিল’ একটি বই লিখে ফেলেছে। একদম খুদেদের কথা মাথায় রেখেই ছবিওলা বইটি প্রকাশিত হতে চলেছে অক্টোবর মাসে। ছেলেবেলায় একটা ‘জাদু পেনসিল’ নামে একটা কার্টুন খুব পছন্দ ছিল মালালার। সেটাই নাকি এই বইয়ের অনুপ্রেরণা। মালালার মা এখন ইংরেজি শিখছেন। টুইটারে জানিয়েছে মালালা, তার মা এই বইটির প্রথম পাঠক। তোমরাও পড়ো নিশ্চয়ই।
মালালার জাদু দীর্ঘজীবী হোক। সব অভাগাদের হাতে যেন উঠে আসে পেনসিল। বেঁচে যাক আলোর দিকে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন।

dvbottom_bg-624x1951112

নতুন গ্রহ


আবার এক নতুন গ্রহের খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই গ্রহটির বিশেষত্ব পিলে চমকে দেওয়ার মতো। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই গ্রহটি নাকি অনেক তারার চেয়েও গরম। ৬৫০ আলোকবর্ষ দূরের এই গ্রহটি একটি নীল তারাকে ঘিরে প্রদক্ষিণ করে। আয়তনে এই গ্রহটি বৃহস্পতির চেয়েও তিনগুণ বড়। কিন্তু কেন ওই গ্রহটি এত গরম? বিজ্ঞানীদের মতে, ওই গ্রহটি যে তারাদের কাছে সেই তারাগুলো সূর্যের চেয়ে আড়াই গুণ বেশি গরম। তার ফলে সেই উত্তাপ এসে পড়ছে গ্রহটির উপর। ৭৮২০ ফ্যারেনহাইট পর্যন্তও ওই গ্রহের তাপমাত্রা উঠে যাচ্ছে বলে বিজ্ঞানীদের দাবি। মজার কথা হল, গ্রহটির একদিকে যেমন তারার উত্তাপ এসে লাগছে, অন্যদিকে কিন্তু সেই উত্তাপ নেই। সেখানে শুধুই অন্ধকার। তাই গ্রহের একদিক যেমন গরম, অন্যদিক তেমনই ঠান্ডা। এমন আবহাওয়ার ফলে আমেরিকার ওহিরো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী স্কট গাউডি নিশ্চিত যে, ওখানে কোনও প্রাণের সন্ধান পাওয়া যাবে না। তবে গ্রহটি তথ্যের খনি। গাউডি জানিয়েছেন, ‘‘বহুদিন পর্যন্ত আমাদের এটাই বিশ্বাস হচ্ছিল না যে, এমন কোনও গ্রহ সত্যিই থাকতে পারে।’’

নতুন গ্রহ


আবার এক নতুন গ্রহের খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই গ্রহটির বিশেষত্ব পিলে চমকে দেওয়ার মতো। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই গ্রহটি নাকি অনেক তারার চেয়েও গরম। ৬৫০ আলোকবর্ষ দূরের এই গ্রহটি একটি নীল তারাকে ঘিরে প্রদক্ষিণ করে। আয়তনে এই গ্রহটি বৃহস্পতির চেয়েও তিনগুণ বড়। কিন্তু কেন ওই গ্রহটি এত গরম? বিজ্ঞানীদের মতে, ওই গ্রহটি যে তারাদের কাছে সেই তারাগুলো সূর্যের চেয়ে আড়াই গুণ বেশি গরম। তার ফলে সেই উত্তাপ এসে পড়ছে গ্রহটির উপর। ৭৮২০ ফ্যারেনহাইট পর্যন্তও ওই গ্রহের তাপমাত্রা উঠে যাচ্ছে বলে বিজ্ঞানীদের দাবি। মজার কথা হল, গ্রহটির একদিকে যেমন তারার উত্তাপ এসে লাগছে, অন্যদিকে কিন্তু সেই উত্তাপ নেই। সেখানে শুধুই অন্ধকার। তাই গ্রহের একদিক যেমন গরম, অন্যদিক তেমনই ঠান্ডা। এমন আবহাওয়ার ফলে আমেরিকার ওহিরো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী স্কট গাউডি নিশ্চিত যে, ওখানে কোনও প্রাণের সন্ধান পাওয়া যাবে না। তবে গ্রহটি তথ্যের খনি। গাউডি জানিয়েছেন, ‘‘বহুদিন পর্যন্ত আমাদের এটাই বিশ্বাস হচ্ছিল না যে, এমন কোনও গ্রহ সত্যিই থাকতে পারে।’’

dvbottom_bg-624x1951112

ভারতের দীর্ঘতম সেতু

অসমে ব্রহ্মপুত্র নদের উপনদী লোহিতের উপর ঢোলা-সাদিয়া সেতুটি ২৬ মে উদ্বোধন হল। দৃশ্যত অসম্ভব সুন্দর ব্রিজটি। ঠিক যেন তুলিতে আঁকা। আশা করা হচ্ছে, অসম আর অরুণাচল প্রদেশের যোগাযোগে অনেক সুবিধে বাড়াবে এটি। আগে অরুণাচল থেকে অসমের ডিব্রুগড় বা তিনসুকিয়া যেতে ১০ ঘণ্টা সময় লাগত। এখন অনেকটাই বাঁচবে। ২,০৯৬ কোটি টাকা খরচে তৈরি প্রকাণ্ড সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল সেই সাতবছর আগে, ২০১০ সালে। অসমের সাদিয়া অঞ্চলের লোকদের কাছে সেতুটি এক বিশাল দরজা খুলে দিল, কারণ এতদিন তারা একপ্রকার বাইরের পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্নই ছিল, নদীর দক্ষিণদিকে ঢোলায় পৌঁছতে হলে ফেরি পারাপারই ছিল একমাত্র ভরসা। সেসব ঘুচিয়ে দিল ৯.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্রিজটি, এখনও পর্যন্ত ভারতের দীর্ঘতম সেতুর দাবিদার।

ভারতের দীর্ঘতম সেতু

bridge

অসমে ব্রহ্মপুত্র নদের উপনদী লোহিতের উপর ঢোলা-সাদিয়া সেতুটি ২৬ মে উদ্বোধন হল। দৃশ্যত অসম্ভব সুন্দর ব্রিজটি। ঠিক যেন তুলিতে আঁকা। আশা করা হচ্ছে, অসম আর অরুণাচল প্রদেশের যোগাযোগে অনেক সুবিধে বাড়াবে এটি। আগে অরুণাচল থেকে অসমের ডিব্রুগড় বা তিনসুকিয়া যেতে ১০ ঘণ্টা সময় লাগত। এখন অনেকটাই বাঁচবে। ২,০৯৬ কোটি টাকা খরচে তৈরি প্রকাণ্ড সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল সেই সাতবছর আগে, ২০১০ সালে। অসমের সাদিয়া অঞ্চলের লোকদের কাছে সেতুটি এক বিশাল দরজা খুলে দিল, কারণ এতদিন তারা একপ্রকার বাইরের পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্নই ছিল, নদীর দক্ষিণদিকে ঢোলায় পৌঁছতে হলে ফেরি পারাপারই ছিল একমাত্র ভরসা। সেসব ঘুচিয়ে দিল ৯.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্রিজটি, এখনও পর্যন্ত ভারতের দীর্ঘতম সেতুর দাবিদার।

blue-divider

ব্যাক্টেরিয়ার নামকরণ প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির নামে

নামটি হল ‘সোলিব্যাসিলাস কালামি’। সম্প্রতি বিজ্ঞানী আবদুল কালাম আজাদের নামে যে নতুন ব্যাক্টেরিয়ার নাম রাখা হল। কোথায় রয়েছে সেই ব্যাক্টেরিয়া? নাসার জেট প্রোপালশন ল্যাবরেটরিতে কাজ করতে-করতে বিজ্ঞানীরা আচমকাই এর সন্ধান পান। প্রথমে তো একে মহাজাগতিকই ভাবা হচ্ছিল। পরে ভেবেচিন্তে দেখা গেল, না, পৃথিবী থেকেই হয়তো এর আগমন ঘটেছিল মহাশূন্যে। আবহাওয়া ঠিক রাখার জন্য আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে ফিল্টার বসানো হয়েছিল। ল্যাবে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর সেই ফিল্টারের মধ্যে এই ব্যাক্টেরিয়া পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু নতুন কিছু আগে থেকে থাকলেই প্রথম যখন সে সকলের কাছে আত্মপ্রকাশ করেছে, তার একটা নাম চাই তো? সেই জন্যই উঠে এল আবদুল কালামের নাম। জীবনের প্রথম দিকে নাসায় ট্রেনিং নিয়েছিলেন আবদুল কালাম আজাদ, ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এবং স্বনামধন্য বিজ্ঞানী। তারপর দেশে ফিরে তিনি কেরলে প্রস্তুত করেন রকেট উৎক্ষেপণের ব্যবস্থা। এই কাজের কথা মাথায় রেখেই তাঁর নামটি জুড়ে দেওয়া হল নতুন চেনা প্রাণটির সঙ্গে। এটি এক হিসেবে তাঁকে স্মরণ তো বটেই। স্বীকৃতিও।