Category Archives: Current Affairs

অঙ্ক কষে ভিনগ্রহীদের গান

অঙ্ক কষতে ভাল লাগে না, এই কথাটা অগ্নিজর মুখে কেউ শুনবে কি কখনও? ১৭ বছরের এই কিশোর অঙ্ক কষতে ভালবাসে বললে কম বলা হয়, বরং যদি বলা হয় সে অঙ্ক কষে ভিনগ্রহীদের গানের অর্থ বের করতে সক্ষম… তা হলে খানিকটা ধারণা করা যেতে পারে। গড়পড়তা কৈশোরের পছন্দ সোশ্যাল মিডিয়া তাই অবলীলায় সরিয়ে রেখে সে বেছে নেয় জটিল অঙ্কের বই। শুধু বেছে নেয় না, বরং নিজে লিখেও ফেলে একটি। ছোটবেলা থেকেই ছেলের যে অঙ্কের প্রতি অদম্য আকর্ষণ তা বুঝতে পেরেই শুভায়ু আর প্রণীতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছেলেকে নিয়ে গিয়েছিলেন ডেভিড ডার্লিং-এর কাছে… বাকিটা ইতিহাস! শিক্ষক আর ছাত্র মিলে ২০১৮তে লিখে ফেললেন আস্ত একখানা অঙ্ক বই, ‘উইয়ার্ড ম্যাথস: অ্যাট দ্য এজ অফ ইনফিনিটি অ্যান্ড বিয়ন্ড’।
এবার আর-একটু পিছিয়ে যাওয়া যাক, পাঁচ বছর আগের কথা, অগ্নিজর বয়স তখন মাত্র ১২। নিতান্তই কৌতূহল থেকে ‘মেনসা আই কিউ টেস্ট’-এঅংশগ্রহণ করেছিল সে, তারপরেই চমক। আইনস্টাইন এবং স্টিফেন হকিং-এর সমান আই কিউর সর্বোচ্চ স্কোর করে সে। নিজের শহর স্কটল্যান্ডের ডান্ডিতে তখন সে রীতিমতো সেলেব্রিটি। সেই শুরু… অঙ্ক নিয়ে পথ চলা তার আর থামেনি। তারপরের সাফল্য থার্ড ইয়ারে সিক্সথ ইয়ার বোর্ডের অঙ্ক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ স্কোর করা। আমাদের দেশে ক্লাস সেভেনের কোনও ছাত্র মাধ্যমিকের অঙ্ক পরীক্ষায় একশোয় একশো পেলে যা হবে… ঠিক তাই!
অথচ নিজের স্পেশাল ট্যালেন্ট নিয়ে অহংকার নেই একটুও, বর‌ং আরও বেশি করে সকলের অঙ্কভীতি কাটানো অগ্নিজর লক্ষ্য।
ডার্লিং নিজে ৩৫ বছর ধরে নানারকম পপুলার সায়েন্সের বই লিখে প্রসিদ্ধ। বাকি সময়টা অঙ্ক আর ফিজ়িক্স পড়ান আর অঙ্কের নতুন-নতুন থিওরি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পছন্দ করেন। অগ্নিজর সঙ্গে প্রথম আলাপের সময় তিনি তাকে নিজের লেখা ‘এনসাইক্লোপি়ডিয়া অফ ম্যাথেমেটিকস’ পড়তে দিয়েছিলেন, সপ্তাহ দু’য়েকের মধ্যে বইটা পড়ে ফেরত দেয় সে। শুধু তাই নয়, বইয়ের মধ্যে ছোট-ছোট ভুলগুলোও দেখিয়ে দেয় সে। তারপরেই নড়েচড়ে বসেন ডার্লিং। পরিকল্পনা শুরু হয় ‘উইয়ার্ড ম্যাথস’-এর… তারপর ২০১৮ সালে প্রকাশ পায় এই বই।
এবার ফিরে আসা যাক ওই ‘ইতিহাসে’, থুড়ি বর্তমানে। স্কুলের পড়া শেষ করে অগ্নিজ এখন কেমব্রিজে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে, নিয়মিত ডান্ডি আর কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্কবিদদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে সে। সঙ্গে সঙ্গে চলছে ‘উইয়ার্ড ম্যাথস’- এর সিকোয়েল, ‘উইয়ার্ডার ম্যাথস: অ্যাট দ্য এজ অফ দ্য পসিবল’-এর খসড়া, যা কিনা প্রকাশ পাবে ২০১৯-এ।
বছর দুই বয়সে দেশ ছাড়লেও কলকাতা বেশ প্রিয় অগ্নিজর, নিজেকে সে ‘ভদ্র সভ্য খাদ্যরসিক সংস্কৃতিমনস্ক বাঙালি’ বলতে ভালবাসে। মায়ের হাতের মাছের ঝোল-ভাত তার প্রিয়, আর প্রিয় দুর্গাপুজো। ২০১৪ তে প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে এসে মনের মতো করে দেশ ঘুরে নিলেও কলকাতায় আসার ইচ্ছে তার রয়েছেই। তবে আপাতত তার ফোকাস কেমব্রিজ, অঙ্কের আরও গহিন সাগরে ডুব দেওয়ার জন্য।

শ্রেয়া ঠাকুর

dvbottom_bg-624x1951112

মালালা ইউসুফজাই

malala
মালালা ইউসুফজাইকে তো তোমরা সকলেই চেনো। ২০১৪ সালে সবচেয়ে কমবয়সে শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কারটি জিতেছিলই তো সে। কিন্তু তার পরিচিতি পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল কিছুদিন আগে, যখন স্কুলে যাওয়ার সময় চলন্ত ভ্যানে তাকে লক্ষ করে কয়েকটি বুলেট ছুটে এসেছিল। পাকিস্থানে জন্ম মালালা ইউসুফজাইয়ের একটাই ‘দোষ’ ছিল। সে তালিবানি ফতোয়া না মেনে লেখাপড়া করতে চেয়েছিল। সেজন্যই তাকে ‘শাস্তি’ দিতে চিয়েছিল মৌলবাদীরা। তবে অত সহজে তো সব কিছু রুখে দেওয়া যায় না। স্বাধীনতার স্বপ্নকে তো নয়ই। তাই মালালা গুলিবিদ্ধ হলেও তাকে থামানো যায়নি। বর্তমানে ইংল্যান্ডের বাসিন্দা মালালা। লেখাপড়া করছে দিব্যি। দেশ হয়তো ছাড়তে হয়েছে তাকে। কিন্তু তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিশ্ববাসী। তার স্বপ্নকে আকার দিতে। তাকে নিয়ে হইহই কম হয়নি। এইটুকু বয়সে এতটা সাহস আর মনের জোর নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে অনেককিছু। এই মুহূর্তে ২০ বছর বয়স মালালা। নিজের দেশে তো বটেই, বিশ্বের সব পিছিয়ে থাকা ছোটদের সে নিজের জীবন বাজি রেখে উৎসাহ দিয়েছে।
এখন নতুন খবরটা হল, সম্প্রতি মালালা ‘মালালা’স ম্যাজিক পেনসিল’ একটি বই লিখে ফেলেছে। একদম খুদেদের কথা মাথায় রেখেই ছবিওলা বইটি প্রকাশিত হতে চলেছে অক্টোবর মাসে। ছেলেবেলায় একটা ‘জাদু পেনসিল’ নামে একটা কার্টুন খুব পছন্দ ছিল মালালার। সেটাই নাকি এই বইয়ের অনুপ্রেরণা। মালালার মা এখন ইংরেজি শিখছেন। টুইটারে জানিয়েছে মালালা, তার মা এই বইটির প্রথম পাঠক। তোমরাও পড়ো নিশ্চয়ই।
মালালার জাদু দীর্ঘজীবী হোক। সব অভাগাদের হাতে যেন উঠে আসে পেনসিল। বেঁচে যাক আলোর দিকে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন।

দু’শো টাকার নোট


এই প্রথম ভারতে দু’শো টাকার নোট চালু হল। এর আগে একশো টাকার নোট বেরিয়েছে। সে তো বহু-বহু বছর হল। তারপর বেরিয়েছে পাঁচশো টাকার নোট। কিন্তু দুশো টাকার নোট আগে বের হয়নি। উজ্জ্বল হলুদ রঙের এই নোট আর কিছুদিনের মধ্যেই সকলের হাতে-হাতে ঘুরবে। গত বছরের নভেম্বর মাসের পর থেকে এটাই ভারত সরকারের বের করা চতুর্থ নতুন নোট। গত বছর নভেম্বর মাসে পুরনো পাঁচশো এবং হাজার টাকার নোট বাতিল করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এর পর বাজারে ছাড়া হয়েছিল নতুন পাঁচশো আর দু’ হাজার টাকার নোট। এক নতুন পঞ্চাশ টাকার নোটও বাজারে এসেছে। এবার এল দু’শো টাকার নোট।

dvbottom_bg-624x1951112

মালালা ইউসুফজাই

malala
মালালা ইউসুফজাইকে তো তোমরা সকলেই চেনো। ২০১৪ সালে সবচেয়ে কমবয়সে শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কারটি জিতেছিলই তো সে। কিন্তু তার পরিচিতি পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল কিছুদিন আগে, যখন স্কুলে যাওয়ার সময় চলন্ত ভ্যানে তাকে লক্ষ করে কয়েকটি বুলেট ছুটে এসেছিল। পাকিস্থানে জন্ম মালালা ইউসুফজাইয়ের একটাই ‘দোষ’ ছিল। সে তালিবানি ফতোয়া না মেনে লেখাপড়া করতে চেয়েছিল। সেজন্যই তাকে ‘শাস্তি’ দিতে চিয়েছিল মৌলবাদীরা। তবে অত সহজে তো সব কিছু রুখে দেওয়া যায় না। স্বাধীনতার স্বপ্নকে তো নয়ই। তাই মালালা গুলিবিদ্ধ হলেও তাকে থামানো যায়নি। বর্তমানে ইংল্যান্ডের বাসিন্দা মালালা। লেখাপড়া করছে দিব্যি। দেশ হয়তো ছাড়তে হয়েছে তাকে। কিন্তু তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিশ্ববাসী। তার স্বপ্নকে আকার দিতে। তাকে নিয়ে হইহই কম হয়নি। এইটুকু বয়সে এতটা সাহস আর মনের জোর নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে অনেককিছু। এই মুহূর্তে ২০ বছর বয়স মালালা। নিজের দেশে তো বটেই, বিশ্বের সব পিছিয়ে থাকা ছোটদের সে নিজের জীবন বাজি রেখে উৎসাহ দিয়েছে।
এখন নতুন খবরটা হল, সম্প্রতি মালালা ‘মালালা’স ম্যাজিক পেনসিল’ একটি বই লিখে ফেলেছে। একদম খুদেদের কথা মাথায় রেখেই ছবিওলা বইটি প্রকাশিত হতে চলেছে অক্টোবর মাসে। ছেলেবেলায় একটা ‘জাদু পেনসিল’ নামে একটা কার্টুন খুব পছন্দ ছিল মালালার। সেটাই নাকি এই বইয়ের অনুপ্রেরণা। মালালার মা এখন ইংরেজি শিখছেন। টুইটারে জানিয়েছে মালালা, তার মা এই বইটির প্রথম পাঠক। তোমরাও পড়ো নিশ্চয়ই।
মালালার জাদু দীর্ঘজীবী হোক। সব অভাগাদের হাতে যেন উঠে আসে পেনসিল। বেঁচে যাক আলোর দিকে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন।

মালালা ইউসুফজাই

malala
মালালা ইউসুফজাইকে তো তোমরা সকলেই চেনো। ২০১৪ সালে সবচেয়ে কমবয়সে শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কারটি জিতেছিলই তো সে। কিন্তু তার পরিচিতি পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল কিছুদিন আগে, যখন স্কুলে যাওয়ার সময় চলন্ত ভ্যানে তাকে লক্ষ করে কয়েকটি বুলেট ছুটে এসেছিল। পাকিস্থানে জন্ম মালালা ইউসুফজাইয়ের একটাই ‘দোষ’ ছিল। সে তালিবানি ফতোয়া না মেনে লেখাপড়া করতে চেয়েছিল। সেজন্যই তাকে ‘শাস্তি’ দিতে চিয়েছিল মৌলবাদীরা। তবে অত সহজে তো সব কিছু রুখে দেওয়া যায় না। স্বাধীনতার স্বপ্নকে তো নয়ই। তাই মালালা গুলিবিদ্ধ হলেও তাকে থামানো যায়নি। বর্তমানে ইংল্যান্ডের বাসিন্দা মালালা। লেখাপড়া করছে দিব্যি। দেশ হয়তো ছাড়তে হয়েছে তাকে। কিন্তু তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিশ্ববাসী। তার স্বপ্নকে আকার দিতে। তাকে নিয়ে হইহই কম হয়নি। এইটুকু বয়সে এতটা সাহস আর মনের জোর নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে অনেককিছু। এই মুহূর্তে ২০ বছর বয়স মালালা। নিজের দেশে তো বটেই, বিশ্বের সব পিছিয়ে থাকা ছোটদের সে নিজের জীবন বাজি রেখে উৎসাহ দিয়েছে।
এখন নতুন খবরটা হল, সম্প্রতি মালালা ‘মালালা’স ম্যাজিক পেনসিল’ একটি বই লিখে ফেলেছে। একদম খুদেদের কথা মাথায় রেখেই ছবিওলা বইটি প্রকাশিত হতে চলেছে অক্টোবর মাসে। ছেলেবেলায় একটা ‘জাদু পেনসিল’ নামে একটা কার্টুন খুব পছন্দ ছিল মালালার। সেটাই নাকি এই বইয়ের অনুপ্রেরণা। মালালার মা এখন ইংরেজি শিখছেন। টুইটারে জানিয়েছে মালালা, তার মা এই বইটির প্রথম পাঠক। তোমরাও পড়ো নিশ্চয়ই।
মালালার জাদু দীর্ঘজীবী হোক। সব অভাগাদের হাতে যেন উঠে আসে পেনসিল। বেঁচে যাক আলোর দিকে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন।

dvbottom_bg-624x1951112

নতুন গ্রহ


আবার এক নতুন গ্রহের খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই গ্রহটির বিশেষত্ব পিলে চমকে দেওয়ার মতো। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই গ্রহটি নাকি অনেক তারার চেয়েও গরম। ৬৫০ আলোকবর্ষ দূরের এই গ্রহটি একটি নীল তারাকে ঘিরে প্রদক্ষিণ করে। আয়তনে এই গ্রহটি বৃহস্পতির চেয়েও তিনগুণ বড়। কিন্তু কেন ওই গ্রহটি এত গরম? বিজ্ঞানীদের মতে, ওই গ্রহটি যে তারাদের কাছে সেই তারাগুলো সূর্যের চেয়ে আড়াই গুণ বেশি গরম। তার ফলে সেই উত্তাপ এসে পড়ছে গ্রহটির উপর। ৭৮২০ ফ্যারেনহাইট পর্যন্তও ওই গ্রহের তাপমাত্রা উঠে যাচ্ছে বলে বিজ্ঞানীদের দাবি। মজার কথা হল, গ্রহটির একদিকে যেমন তারার উত্তাপ এসে লাগছে, অন্যদিকে কিন্তু সেই উত্তাপ নেই। সেখানে শুধুই অন্ধকার। তাই গ্রহের একদিক যেমন গরম, অন্যদিক তেমনই ঠান্ডা। এমন আবহাওয়ার ফলে আমেরিকার ওহিরো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী স্কট গাউডি নিশ্চিত যে, ওখানে কোনও প্রাণের সন্ধান পাওয়া যাবে না। তবে গ্রহটি তথ্যের খনি। গাউডি জানিয়েছেন, ‘‘বহুদিন পর্যন্ত আমাদের এটাই বিশ্বাস হচ্ছিল না যে, এমন কোনও গ্রহ সত্যিই থাকতে পারে।’’

নতুন গ্রহ


আবার এক নতুন গ্রহের খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই গ্রহটির বিশেষত্ব পিলে চমকে দেওয়ার মতো। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই গ্রহটি নাকি অনেক তারার চেয়েও গরম। ৬৫০ আলোকবর্ষ দূরের এই গ্রহটি একটি নীল তারাকে ঘিরে প্রদক্ষিণ করে। আয়তনে এই গ্রহটি বৃহস্পতির চেয়েও তিনগুণ বড়। কিন্তু কেন ওই গ্রহটি এত গরম? বিজ্ঞানীদের মতে, ওই গ্রহটি যে তারাদের কাছে সেই তারাগুলো সূর্যের চেয়ে আড়াই গুণ বেশি গরম। তার ফলে সেই উত্তাপ এসে পড়ছে গ্রহটির উপর। ৭৮২০ ফ্যারেনহাইট পর্যন্তও ওই গ্রহের তাপমাত্রা উঠে যাচ্ছে বলে বিজ্ঞানীদের দাবি। মজার কথা হল, গ্রহটির একদিকে যেমন তারার উত্তাপ এসে লাগছে, অন্যদিকে কিন্তু সেই উত্তাপ নেই। সেখানে শুধুই অন্ধকার। তাই গ্রহের একদিক যেমন গরম, অন্যদিক তেমনই ঠান্ডা। এমন আবহাওয়ার ফলে আমেরিকার ওহিরো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী স্কট গাউডি নিশ্চিত যে, ওখানে কোনও প্রাণের সন্ধান পাওয়া যাবে না। তবে গ্রহটি তথ্যের খনি। গাউডি জানিয়েছেন, ‘‘বহুদিন পর্যন্ত আমাদের এটাই বিশ্বাস হচ্ছিল না যে, এমন কোনও গ্রহ সত্যিই থাকতে পারে।’’

dvbottom_bg-624x1951112

ভারতের দীর্ঘতম সেতু

অসমে ব্রহ্মপুত্র নদের উপনদী লোহিতের উপর ঢোলা-সাদিয়া সেতুটি ২৬ মে উদ্বোধন হল। দৃশ্যত অসম্ভব সুন্দর ব্রিজটি। ঠিক যেন তুলিতে আঁকা। আশা করা হচ্ছে, অসম আর অরুণাচল প্রদেশের যোগাযোগে অনেক সুবিধে বাড়াবে এটি। আগে অরুণাচল থেকে অসমের ডিব্রুগড় বা তিনসুকিয়া যেতে ১০ ঘণ্টা সময় লাগত। এখন অনেকটাই বাঁচবে। ২,০৯৬ কোটি টাকা খরচে তৈরি প্রকাণ্ড সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল সেই সাতবছর আগে, ২০১০ সালে। অসমের সাদিয়া অঞ্চলের লোকদের কাছে সেতুটি এক বিশাল দরজা খুলে দিল, কারণ এতদিন তারা একপ্রকার বাইরের পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্নই ছিল, নদীর দক্ষিণদিকে ঢোলায় পৌঁছতে হলে ফেরি পারাপারই ছিল একমাত্র ভরসা। সেসব ঘুচিয়ে দিল ৯.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্রিজটি, এখনও পর্যন্ত ভারতের দীর্ঘতম সেতুর দাবিদার।

ভারতের দীর্ঘতম সেতু

bridge

অসমে ব্রহ্মপুত্র নদের উপনদী লোহিতের উপর ঢোলা-সাদিয়া সেতুটি ২৬ মে উদ্বোধন হল। দৃশ্যত অসম্ভব সুন্দর ব্রিজটি। ঠিক যেন তুলিতে আঁকা। আশা করা হচ্ছে, অসম আর অরুণাচল প্রদেশের যোগাযোগে অনেক সুবিধে বাড়াবে এটি। আগে অরুণাচল থেকে অসমের ডিব্রুগড় বা তিনসুকিয়া যেতে ১০ ঘণ্টা সময় লাগত। এখন অনেকটাই বাঁচবে। ২,০৯৬ কোটি টাকা খরচে তৈরি প্রকাণ্ড সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল সেই সাতবছর আগে, ২০১০ সালে। অসমের সাদিয়া অঞ্চলের লোকদের কাছে সেতুটি এক বিশাল দরজা খুলে দিল, কারণ এতদিন তারা একপ্রকার বাইরের পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্নই ছিল, নদীর দক্ষিণদিকে ঢোলায় পৌঁছতে হলে ফেরি পারাপারই ছিল একমাত্র ভরসা। সেসব ঘুচিয়ে দিল ৯.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্রিজটি, এখনও পর্যন্ত ভারতের দীর্ঘতম সেতুর দাবিদার।

blue-divider

ব্যাক্টেরিয়ার নামকরণ প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির নামে

নামটি হল ‘সোলিব্যাসিলাস কালামি’। সম্প্রতি বিজ্ঞানী আবদুল কালাম আজাদের নামে যে নতুন ব্যাক্টেরিয়ার নাম রাখা হল। কোথায় রয়েছে সেই ব্যাক্টেরিয়া? নাসার জেট প্রোপালশন ল্যাবরেটরিতে কাজ করতে-করতে বিজ্ঞানীরা আচমকাই এর সন্ধান পান। প্রথমে তো একে মহাজাগতিকই ভাবা হচ্ছিল। পরে ভেবেচিন্তে দেখা গেল, না, পৃথিবী থেকেই হয়তো এর আগমন ঘটেছিল মহাশূন্যে। আবহাওয়া ঠিক রাখার জন্য আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে ফিল্টার বসানো হয়েছিল। ল্যাবে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর সেই ফিল্টারের মধ্যে এই ব্যাক্টেরিয়া পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু নতুন কিছু আগে থেকে থাকলেই প্রথম যখন সে সকলের কাছে আত্মপ্রকাশ করেছে, তার একটা নাম চাই তো? সেই জন্যই উঠে এল আবদুল কালামের নাম। জীবনের প্রথম দিকে নাসায় ট্রেনিং নিয়েছিলেন আবদুল কালাম আজাদ, ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এবং স্বনামধন্য বিজ্ঞানী। তারপর দেশে ফিরে তিনি কেরলে প্রস্তুত করেন রকেট উৎক্ষেপণের ব্যবস্থা। এই কাজের কথা মাথায় রেখেই তাঁর নামটি জুড়ে দেওয়া হল নতুন চেনা প্রাণটির সঙ্গে। এটি এক হিসেবে তাঁকে স্মরণ তো বটেই। স্বীকৃতিও।

চাঁদে মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র


আজ থেকে ৪৫ বছর আগে মানুষ প্রথম এবং একবারই মাত্র চাঁদে পা রেখেছিল। তারপর আর মানুষ কখনও চাঁদে পাড়ি দেয়নি। এবার আবার চাঁদ চলে এসেছে মানুষের মহাকাশ বিজ্ঞান গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ অংশে। মঙ্গলগ্রহে পাড়ি দেওয়ার জন্য নাসা এখন ভাবছে চাঁদে এক বিশেষ স্পেস স্টেশন তৈরি করবে। সেই স্পেস স্টেশনে এক হাজার মানুষ যাতে থাকতে পারে, তার ব্যবস্থাও করা হবে। এবং পৃথিবী থেকে কোনও মহাকাশযান চাঁদে গিয়ে সেখান থেকে আবার জ্বালানি নিয়ে ফের পাড়ি দেবে মঙ্গলের দিকে, এমনটাই ভাবা হচ্ছে। কিন্তু হঠাৎ চাঁদে কেন মহাকাশ কেন্দ্র করার কথা ভাবছে নাসা। তার অনেক কারণ রয়েছে। একটি বড় কারণ হল, চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পৃথিবীর তুলনায় ঢের কম। যার ফলে পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তিকে ছাড়িয়ে মহাকাশে যেতে যে পরিমাণ জ্বালানি খরচ হয়, চাঁদ থেকে পাড়ি দিতে তার চেয়ে কম জ্বালানি লাগবে। তবে রাতারাতি এই কাজ তো করা সম্ভব নয়। ২০৩০ সাল লেগে যাবে এই মহাকাশ কেন্দ্র তৈরি করে নতুনভাবে অভিযান করার জন্য।
 

আবার ইউফো

ফের কি ভিনগ্রহীরা উঁকিঝুঁকি দিচ্ছিল আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে? এই প্রশ্ন নিয়ে আপাতত হইচই শুরু হয়েছে বিজ্ঞানী মহলে। এই প্রশ্নের পিছু-পিছু ফের পুরনো অভিযোগও তুলছেন কেউ-কেউ। নাসা নাকি ভিনগ্রহী সংক্রান্ত অনেক তথ্য লুকিয়ে রেখে এসেছে এতদিন।
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের একটি ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে একটা বড়সড় গোল কোনও বস্তু স্পেস স্টেশনের উপর চক্কর দিচ্ছে। বস্তুটির রং সাদাটে। খানিকক্ষণ চক্কর দেওয়ার পর সেটা আবার মহাকাশে উড়ে চলে গিয়েছে। তবে নাসার ভিডিয়োতে এই প্রথমবার কোনও ইউফোর ছবি ধরা পড়েনি। এর আগেও কয়েকবার এমন অনেক ছবি দেখা গিয়েছে, যার কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। আর শুধু ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনই বা বলছি কেন, ইউফো দেখেছেন বহু মার্কিনিই।
গত মাসের কথা। ক্যালিফোর্নিয়াতে দেখা গেল একটি ইউফো। জিনিসটিকে দেখতে একটা বাসের মতো। আকাশ দিয়ে উড়তে-উড়তে সেটা মিলিয়ে যায় মাত্র আট সেকেন্ডে। আকাশে একটা বাসের আকৃতির জিনিসকে উড়তে দেখে স্বাভাবিকভাবেই হুলস্থূল শুরু হয়ে গিয়েছিল। কারও-কারও মতে, ওটা কোনও প্লেন কিংবা ড্রোন হতে পারে। কিন্তু ইউফো বিশেষজ্ঞরা সেই সম্ভাবনা বাতিল করে দিয়েছেন। তাঁদের যুক্তি, ড্রোন অত জোরে উড়তে পারবে না। আর প্লেন হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই। কারণ প্লেন অত নিচু দিয়ে ওড়ে না। অতএব নিশ্চিতভাবেই ওটা ইউফো। এই বিতর্ক চলছেই। ঠিক যেমন ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে কী দেখে গেল তা নিয়ে বিতর্ক সহজে থামবে না।

সার্ক উপগ্রহ


জি এস এল ভি এফ ০৯ রকেটে চেপে মহাকাশে উড়ে গেল সার্ক কৃত্রিম উপগ্রহ জিস্যাট ৯। অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে শুক্রবার বিকেলে সাড়ে চারশো টন ওজনের এই মহাকাশ যানের উৎক্ষেপণ হল। দক্ষিণ এশীয় দেশগুলির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে ভারত সরকার এই উপগ্রহের পরিকল্পনা করে। উপমহাদেশের দেশগুলোর অর্থনীতির উন্নতিতে এই উপগ্রহ বড় ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিভিন্ন দেশ এই উপগ্রহকে ব্যবহার করবে নিজের-নিজের প্রয়োজনে। আবহওয়া, কৃষিক্ষেত্র, টেলি যোগাযোগ, প্রাকৃতিক সম্পদের খোঁজ, টেলিমেডিসিন, শিক্ষাক্ষেত্র সহ নানা কাজে এই উপগ্রহ সংযোগকে কাজে লাগান হবে। হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ নেপাল, ভূটান, মালদ্বীপ, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ষুক্ত থাকলেও পাকিস্তান নেই। বারো বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করবে কৃত্রিম উপগ্রহটি, ইসরোর তরফ থেকে এমনটা জানান হয়েছে।
 

শনির ফোটো

পৃথিবী, চাঁদ, শুক্র এবং বৃহস্পতি পেরিয়ে শনির বলয় আর তার পৃষ্ঠদেশের ফোটো প্রকাশ করল নাসা। ক্যাসিনি-হাইজ়েনস নামের মানবহীন মহাকাশযান শনির উদ্দেশে উড়ে যায় অক্টোবর, ১৯৯৭ সালে। ২০০৪ সালে তা শনির কক্ষপথে প্রবেশ করে। তারপর নানা ছবি তুলে তা পাঠিয়ে দেয় নাসার কাছে। শনির উপগ্রহ টাইটানের উপরও নজর রাখছে ক্যাসিনি-হাইজ়েনস মহাকাশযান। জানুয়ারি, ২০০৫ সালে মহাকাশযানের ল্যান্ডার ‘হাইজ়েনস’ টাইটানের মাটি স্পর্শ করে। সেখান থেকে নানা ফোটো, তথ্য সংগ্রহ করে হাইজ়েনস। তারপর সেসব তথ্য, ফোটো শনিকে ঘুরতে থাকা মূল মহাকাশযান ক্যাসিনি মারফৎ পৃথিবীতে এসে পৌঁছয়। সম্প্রতি শনির যে ফোটো নাসা প্রকাশ করেছে তাতে শনির উত্তরভাগে এক ঘূর্ণির দেখা মিলেছে। আগামী জুন মাসে এই মহাকাশযান থেকে আরও বেশ কিছু শনিগ্রহের ফোটো পেতে চলেছে নাসা। ১৭টি দেশের মহাকাশ সংস্থা এক হয়ে এই শনি অভিযান চালাচ্ছে। প্রসঙ্গত, ক্যাসিনি-হাইজ়েনস কুড়ি বছরের বেশি সময় ধরে চলা তাদের কর্মকাণ্ড শেষ করে এর পর পৃথিবীর সঙ্গে যোগছিন্ন হয়ে শনির ভিতরেই হারিয়ে যাবে।

দক্ষিণ ভারতে খরা

drought
গরম পড়তেই দক্ষিণ ভারতে খরা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। তামিল নাড়ু, কর্ণাটক, তেলেঙ্গনার মতো রাজ্যে এখন জলের জন্য হাহাকার শুরু হয়েছে। তামিলনাড়ুতে শুকিয়ে গিয়েছে কাবেরী নদী। ত্রিচি, তাঞ্জাভারুরের মতো জায়গায় গেলে দেখা যাবে কাবেরী আর কলকল করে দাপটের সঙ্গে বইছে না। তার বদলে ঘোলা, নোংরা ক্ষীণ স্রোত বয়ে যাচ্ছে নদী দিয়ে। আবার তেলেঙ্গানা রাজ্যে গেলে দেখা যাবে গ্রামগঞ্জের কুয়োগুলো সব শুকিয়ে খটখট করছে। আর এমন খরা পরিস্থিতিতে পড়ে তীব্র জলকষ্টে ভুগছেন স্থানীয় মানুষজন। বলা হচ্ছে, গত ১৪০ বছরে নাকি এমন খরা পরিস্থিতি দেখা যায়নি তামিলনাড়ুতে।

drought-2কিন্তু হঠাৎ এবছর কেন এমন খরা পরিস্থিতি হল ভারতের দক্ষিণ দিকের রাজ্যগুলোয়?

এমনিতেই কর্নাটক কাবেরী নদীর জল আটকে রেখেছে বলে তামিলনাড়ুর মানুষজনেরা অভিযোগ করছেন। কিন্তু তার চেয়েও ভয়ঙ্কর কাণ্ড হল, দক্ষিণ-পূর্ব মরসুমি বায়ুর ফলে শীতকালে তামিলনাড়ুতে যে বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে এবার তার ঘাটতিও ২ শতাংশ। কৃষ্ণ সাগর বাঁধেও বেশি জল নেই। ইতিমধ্যেই তামিলনাড়ুতে ২৭০জনের মৃত্যু হয়েছে খরার জন্য। সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে।

blue-divider
 
১০১ বছরকে হারিয়ে জিতলেন ভারতীয় মহিলা
indian-female
ঠিক এই সময়টায় যখন আমাদের চারদিকে একটু-একটু করে গাছের সবুজ পাতাগুলো ক্রমশ প্রাণহীন হয়ে পড়ছে আর লোকে আকাশের দিকে তাকিয়ে শুধুই দীর্ঘশ্বাস ফেলছে, বহুদূরে অকল্যান্ডের মাটিতে চলছে নতুন করে বেঁচে নেওয়ার লড়াই। জীবনের পাতায় নতুন করে ক্লোরোফিল ভরে নেওয়ার খেলা। অকল্যান্ডের মাটিতে ওয়ার্ল্ড মাস্টার্স গেমে আমাদের উপমহাদেশের পতাকাটিতে আরও এক পোঁচ রং লাগালেন এক ভারতীয় মহিলা। তাঁর বয়সটা একটু বেশির দিকেই। ১০১ বছর। তাতে কিছু আসেনি। এক মিনিট ১৪ সেকেন্ডে ১০০ মিটারের দৌড়টি সকলের আগে শেষ করে  মন কৌর যখন পোডিয়ামে যখন ঘুরে-ঘুরে নাচছিলেন, তাতে তাঁর বয়স কিছুতেই আঠারোর বেশি ভাবা যাচ্ছিল না। চণ্ডীগড়ের গমখেতে বয়ে যাওয়া সতেজ হাওয়া পৌঁছে যাচ্ছিল অকল্যান্ডের মাটিতে। তিনি যে বিভাগে জিতলেন,  সেই বিভাগটি ১০০+। ছোট থেকেই কি দৌড়ে যাচ্ছেন তিনি? না-না, এই তো সবে ৯৩ বছরে এই দৌড়াদৌড়ির পর্বটি শুরু করেন। তারপর ১৭টি স্বর্ণপদক পৌঁছে যায় চণ্ডীগড়ের তরুণীর জেবে। অকল্যান্ডে এই অনুষ্ঠানে এখন তাঁর সামনে রয়েছে ২০০ মিটার দৌড়, ৪০০ গ্রাম জ্যাভেলিন নিক্ষেপ, দু’ কেজি শটপাট প্রতিযোগিতা।  সেগুলোর জন্য এবং ধারণাগুলো পালটানোর জন্য এখন টগবগে উৎসাহে কোমর বাঁধছেন মিরাক্‌ল অফ চণ্ডীগড়।

বিশ্ব যকৃৎ দিবস


প্রতি বছর ১৯ এপ্রিল বিশ্ব যকৃৎ দিবস পালন করা হয়। লিভার থুড়ি যকৃৎ যে আমাদের শরীরের কত গুরুত্বপূণ অংশ তা বোধ হয় আর নতুন করে বোঝানোর কিছু নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, যে দশটি প্রধান কারণে ভারতে বেশির ভাগ মানুষজন মারা যান, তার মধ্যে একটি হল যকৃতের সমস্যা। যকৃৎ ছাড়া কোনও মানুষ বাঁচতে পারে না। বিশ্ব যকৃৎ দিবসে কীভাবে যকৃতের যত্ন নেওয়া যাবে, কীভাবে যকৃৎকে সুস্থ রাখতে হবে সেটা আর একটা মনে করিয়ে দেওয়া হল সবাইকে।




জিম করবেটের মৃত্যুদিন

জেমস এডোয়ার্ড করবেট নামটা অচেনা ঠেকলেও জিম করবেট নামটি সবার চেনা। ভারতের কিংবদন্তি শিকারী হলেন জিম করবেট। শুধু শিকারীই নন, জিম ছিলেন একজন অসাধারণ লেখকও। নিজের শিকারী জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি একের পর-এক বই লিখেছেন ইংরেজিতে। ‘ম্যানইটার অফ কুমায়ুন’, ‘ম্যানইটার অফ রুদ্রপ্রয়াগ’, ‘জঙ্গল লোর’, ‘মাই ইন্ডিয়া’। নৈনিতালে জন্মানো এই আইরিশ বংশোদ্ভূত শিকারী ভারতের জঙ্গলকে চিনতেন হাতের তালুর মতো। আর তাই তিনি নিছক শিকার করেই থেমে যাননি, শেষ জীবনের ভারতের বনজঙ্গল এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ নিয়েও সোচ্চার হয়েছিলেন। ভারতপ্রেমী সেই মানুষটির মৃত্যু হয় ১৯ এপ্রিল ১৯৫৫ সালে। কোথায়? ভারতে নয়, সুদূর আফ্রিকার কেনিয়ায়।
১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হওয়ার বছরে নিজের নৈনিতালের বাড়ি বিক্রি করে বোন ম্যাগিকে নিয়ে জিম পাড়ি দিয়েছিলেন কেনিয়ায়। তবে সেখানে গিয়েও কিন্তু তাঁর কলম থামেনি। কেনিয়ায় বসে তিনি বারবার লিখতে থাকেন প্রাণীহত্যার বিরুদ্ধে। জোর দেন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের উপর। তবে জিম ভারত ছাড়লেও ভারত কিন্তু জিম করবেটকে ভোলেনি। তাঁর নৈনিতালের বাড়িটি এখন জাদুঘর হিসেবে রয়েছে। জিম করবেটের নামে একটি ন্যাশনাল পার্ক হয়েছে ১৯৫৭ সালে। এমনকী একটি বাঘের উপপ্রজাতির নামও দেওয়া হয়েছে, প্যানথেরা টাইগ্রিস করবেট্টি।

সানিয়া মির্জ়া

৯১ সপ্তাহ ডাবলস র‌্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে থাকার পর, শীর্ষস্থানটি সানিয়া হারিয়েছেন তাঁর মার্কিন সঙ্গী বেথানি মাটেক স্যান্ডসের কাছে। অন্যদিকে, গত মরসুমে অ্যান্ডি মারের কাছে এক নম্বর আসনটি খুইয়েছিলেন সার্বিয়ান টেনিসতারকা জকোভিচ। কাতার ওপেনের ফাইনালে সেই মারেকে হারিয়ে নতুন বছরে চমকপ্রদ শুরু করলেন মারে। ফাইনালে মারেকে ৬-৩, ৫-৭, ৬-৪ ফলে হারিয়ে ট্রোফি জিতলেন জকোভিচ। সেই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া ওপেনের আগে নিজে যে দারুণ ছন্দে আছেন, সেই বার্তাও পৌঁছে দিলেন টেনিস মহলে।