Category Archives: Current Affairs

blank331

ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্প

california_earthquake_img01 গত ২০ বছরে এমন ভয়ানক ভূমিকম্প হয়নি সেখানে। গতকাল স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ আমেরিকার মোহাভি মরুভূমিতে ৬.৪ মাত্রার ভূকম্প অনুভূত হয়। তারই রেশ এসে পড়ে ক্যালিফোর্নিয়ায়। ১৯৯৯ সালের অক্টোবর মাসে শেষবার ৭.১ মাত্রার ভূকম্প হয়েছিল এই এলাকায়। তবে আনন্দের খবর এই যে, এত ভয়ানক ভূমিকম্পের পরও এবার সেখানে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে অনেকটাই কম। বাড়িঘর হেলে পড়েছে, একটি মাত্র বাড়িতে আগুনও লেগে গিয়েছিল ঠিকই, তবে দমকলকর্মীদের তৎপরতায় সেটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়নি। প্রাণহানির কোনও খবরও এখনও পর্যন্ত নেই। এত তীব্র মাত্রার ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সাধারণত কম শক্তির একাধিক ছোট কম্পন অনুভূত হয়। স্থানীয় মানুষজন আপাতত সেই আতঙ্কেই ভুগছেন। প্রশাসনিক নির্দেশে আশপাশে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, এই দুর্যোগ সেখানকার মানুষ শিগগিরি সামলে উঠবেন।

ক্যানসার নিরাময়ে কলকাতার ছেলে

current-affair02

কলকাতার ছেলে শ্রেয়ান চৌধুরী সেন্ট জেমস স্কুল থেকে লেখাপড়া করে আমেরিকা গিয়েছিলেন উচ্চশিক্ষার জন্য। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়োলজিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ট্যাল ডানিনো এবং মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর নিকোলাস আরাপাইয়ার তত্ত্বাবধানে শ্রেয়ন গবেষণায় নিযুক্ত ছিলেন। ক্যানসার নিরাময়ের সেই গবেষণাতেই তাঁরা পেয়েছেন অভাবনীয় সাফল্য। আমাদের পরিবেশে যত ব্যাক্টেরিয়া আছে, তাদের মধ্যে কিছু আমাদের উপকারেও লাগে, জান নিশ্চয়ই? শ্রেয়নরা এমন বুদ্ধি করেছেন যাতে অমন কিছু নিরীহ ব্যাক্টেরিয়ার সঙ্গে একটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অণুকে জুড়ে দিয়ে ব্যাক্টেরিয়াদের ক্যানসারে আক্রান্ত কোষে পাঠানো যায়। একবার সেখানে পৌঁছে গিয়ে ব্যাক্টেরিয়াদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়তে থাকলে একসময় ওই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অণু ভেঙে যায়। ক্যানসার যেখানে বাসা বেঁধেছে, সেখানে এতক্ষণ রুগির দেহের নিজস্ব রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কাজ করতে পারছিল না। কিন্তু বাইরে থেকে ব্যাক্টেরিয়ার সঙ্গে পাঠানো ওই অণু ভেঙে গেলে তখন তার প্ররোচনায়, আমাদের দেহের নিজস্ব প্রতিরোধ ব্যবস্থাই আক্রমণ করে ক্যানসারে আক্রান্ত কোষকে। শ্রেয়নরা আপাতত ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করে সাফল্য পেয়েছেন। মানুষের উপর পরীক্ষা এখনও বাকি। ক্যানসারের চিকিৎসা আজ সম্ভব হলেও তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় রুগির নানা রকম অসুবিধে হয়ে থাকে। শ্রেয়নদের পরীক্ষা সফল হলে অমন কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার দুশ্চিন্তাও আর থাকবে না। ফলে সব মিলিয়ে তাঁদের এই পরীক্ষা যে ক্যানসার নিরাময়ে নতুন এক দিগন্তের সন্ধান দিল, সেকথা বলাই যায়।

ব্যস্ত শহরে চলে এল মেরুভল্লুক

লালমোহনবাবু থাকলে হয়তো বলতেন, ‘‘আরে মশাই, এ যে দেখি ‘মেরুশহরে মেরুভল্লুক’!’’ আর সত্যিই এর চেয়ে ভালভাবে এই পরিস্থিতির বর্ণনা করা সম্ভব নয়। ধবধবে সাদা নাদুসনুদুস মেরু ভল্লুকদের দেখতে পাওয়া যায় উত্তর মেরুর কাছাকাছি সাইবেরিয়ায় চিরতুষারাবৃত অঞ্চলে। সেখানে এতদিন পর্যন্ত বেশ ভালই ছিল তারা। কিম্তু সম্প্রতি মানুষের নানা কাজকর্মই বাধ সেধেছে তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায়। নির্বিচারে গাছকাটাসহ নানা কারণে বেড়েছে পৃথিবীর উষ্ণতা। গলেছে মেরু অঞ্চলের বরফ। তার ফলে দেখা দিয়েছে খাদ্যসংকট। খাবারের খোঁজে তাই মেরুভল্লুকরা চলে আসছে জনবসতি অঞ্চলে। সম্প্রতি একটি স্ত্রী মেরুভল্লুককে দেখতে পাওয়া গিয়েছে পৃথিবীর উত্তরপ্রান্তের শেষ শহর রাশিয়ার নরিলস্কে। তার চেহারায় ছিল অপুষ্টির ছোঁয়া, চারটে পা কাদামাখা। বোঝাই যাচ্ছে, অনেক ঘোরাঘুরির পর শহরে এসে হাজির হয়েছে সে। কারখানা অ়ঞ্চলে গাড়িঘো়ড়া ভর্তি ব্যস্ত রাস্তা অতিকষ্টে পার হচ্ছিল সে। পরিবেশবিদরা মনে করছেন, খাবারের খোঁজেই শহরে হানা দিয়েছে ভল্লুকটি। পরে খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে বনকর্মীরা। মাসখানেক আগে রাশিয়ার এক গ্রামে হানা দিয়েছিল মেরুভল্লুক। মানুষ যদি এখনও সতর্ক না হয়, তাহলে এই ঘটনা বাড়তেই থাকবে। হয়তো একসময় খাবারের অভাবে বিলুপ্ত হয়ে যাবে মেরুভল্লুক।

সঙ্গীত-যোগের দিন আজ

ফাদার্স ডে, মাদার্স ডে কিংবা ফ্রেন্ডশিপ ডে-র মতো আজ, অর্থাৎ ২১ জুন দিনটিও একটা বিশেষ দিন। শুধু একটা নয়, আজ একসঙ্গে দুটো বিশেষ দিন। একটা হল, বিশ্ব সঙ্গীত দিবস, আর অন্যটা আন্তর্জাতিক যোগ দিবস।
‘বিশ্ব সঙ্গীত দিবস’ বিষয়টির সূচনা হয় ফ্রান্সে। ১৯৮২ সালে ফ্রান্সে একটি সমীক্ষা করা হয়। সে দেশের জলসংখ্যা তখন প্রায় ৫০ লক্ষ। তার মধ্যে প্রতি দু’জন অল্পবয়সি ছেলেমেয়ের মধ্যে একজন গানবাজনার সঙ্গে যুক্ত। এই গানবাজনার রেওয়াজ সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য সেই বছর ২১ জুন প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয় ‘বিশ্ব সঙ্গীত দিবস’। এই দিনটিতে গানপাগল মানুষেরা বিনা পারিশ্রমিকে বাড়ির কাছাকাছি পার্ক বা কনসার্ট হলে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। এখন পৃথিবীর প্রায় ১২০টি দেশের সাতশোর বেশি শহরে দিনটি পালন করা হয়।
‘আন্তর্জাতিক যোগ দিবস’ বিষয়টি তুলনায় নতুন। ২০১৫ সাল থেকে এই দিনটির উদযাপন শুরু হয়। এই দিনটি শুরু হওয়ার পিছনে কিন্তু মূল অবদান ভারতের। ‘যোগ’ হল শরীরচর্চার এক বিশেষ প্রকার। ‘যোগ’ শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানুষের মানসিক অবস্থার উন্নতিতেও নজর দেয়। এর উৎপত্তি প্রাচীন ভারতে বলে অনেকেই মনে করেন। ২০১৪ সালে ভারতের সরকারি উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের পক্ষ থেকে তাই রাষ্ট্রপুঞ্জের কাছে আবেদন জানানো হয়, ‘যোগ’-কে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য যেন একটি দিনকে ‘আন্তর্জাতিক যোগ দিবস’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তাঁদের প্রচেষ্টাতেই রাষ্ট্রপুঞ্জের ঘোষণা অনুযায়ী ২০১৫ সাল থেকে আজকের দিনটি ‘আন্তর্জাতিক যোগ দিবস’ হিসেবে পালিত হতে শুরু করে।

অন্ধকারে ডুবে গেল পাঁচটি দেশ

শুধুমাত্র কয়েকটি এলাকা নয়, রবিবার সকালে এক বিরাট বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কবলে পড়ল দক্ষিণ আমেরিকার পাঁচটি দেশ। প্রথমে এই সমস্যার মুখে পড়েন আর্জেন্তিনার বাসিন্দারা। শুধুমাত্র একটি প্রদেশ ছাড়া সমগ্র আর্জেন্তিনায় হঠাৎই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। প্রতিবেশী দেশ উরুগুয়ে এবং প্যারাগুয়ের বিরাট অংশও এই সমস্যার সম্মুখীন হয়। আঁচ পড়ে ব্রাজ়িল এবং চিলির কিছু অংশেও। জেনারেটরের সাহায্যে হাসপাতালসহ বেশ কিছু জায়গায় বিদ্যুৎ পরিষেবা চালু রাখা হলেও থমকে যায় বিদ্যুৎচালিত নানা যানবাহনসহ আরও অনেক কিছুই। রাতের দিকে আর্জেন্তিনা এবং প্যারাগুয়েতে বিদ্যুৎ চালু হলেও বাকি দেশগুলোয় অবস্থা স্বাভাবিক হতে লেগে যায় একদিনেরও বেশি। কী কারণে এই বিপর্যয়, তা অবশ্য এখনও জানা যায়নি।

লৌহযুগে বাকল দিয়ে তৈরি হত ঢাল

সময়টা লৌহযুগ। সেই সময় মানুষ গাছের বাকল দিয়ে রোজকার ব্যবহার্য বাসনপত্র এবং আরও নানা জিনিস বানাত। সম্প্রতি নৃতত্ত্ববিদরা এমন একটি জিনিস খুঁজে পেয়েছেন, যা তাঁদের অবাক করেছে। সেটি হল বাকলের তৈরি একটি ঢালের ধ্বংসাবশেষ। কার্বন ডেটিং প্রক্রিয়ায় ইংল্যান্ডে প্রাপ্ত এই জিনিসটির বয়স বের করতে গিয়ে দেখা গিয়েছে, আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৯৫ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ২৫৫-র মধ্যে এটি তৈরি হয়েছিল, যে সময়টাকে লৌহযুগের মাঝামাঝি বলে ধরা হয়। ঢালটি সম্ভবত উইলো, পপলার কিংবা হেজ়েল জাতীয় গাছের বাকল দিয়ে তৈরি। তবে ঢালের মতো আত্মরক্ষার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় জিনিসও যে গাছের বাকল দিয়ে বানানো হত, এটা জানতে পেরে অবাক হয়েছেন নৃতত্ত্ববিদরা।

কলকাতায় অ্যানাকোন্ডা!

গত বছর থেকেই শোনা যাচ্ছিল, আলিপুর চিড়িয়াখানায় নাকি আসতে চলেছেন ভয়াল, বিশাল সরীসৃপ অ্যানাকোন্ডা। সেই শুরু দিন গোনার। অবশেষে অপেক্ষার অবসান। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, চেন্নাইয়ের মাদ্রাজ় ক্রোকোডাইল ব্যাঙ্ক অ্যান্ড সেন্টার ফর হারপেটোলজি থেকে কলকাতায় এসে পৌঁছেছে চার-চারটি হলুদ অ্যানাকোন্ডা। পরিবর্তে আলিপুর থেকে চারটি কেউটে এবং চারটি শাঁখামুটিকে পাঠানো হয়েছে চেন্নাইতে। নতুন অতিথিরা নাকি এই মুহূর্তে লম্বায় চার-সাড়ে চার ফুট। তবে তারা বাড়তে পারেন ১৫ ফুট পর্যন্তও। আপাতত অবশ্য একমাস এদের রাখা হবে পর্যবেক্ষণে। কলকাতার জল-হাওয়ায় এই চারজন একটু মানিয়ে নিতে শিখলেই তাদের নিয়ে আসা হবে দর্শকদের সামনে। টিভি কিংবা সিনেমার পরদার বাইরে! এক্কেবারে চোখের সামনে! উফফ!

লৌহযুগে বাকল দিয়ে তৈরি হত ঢাল

সময়টা লৌহযুগ। সেই সময় মানুষ গাছের বাকল দিয়ে রোজকার ব্যবহার্য বাসনপত্র এবং আরও নানা জিনিস বানাত। সম্প্রতি নৃতত্ত্ববিদরা এমন একটি জিনিস খুঁজে পেয়েছেন, যা তাঁদের অবাক করেছে। সেটি হল বাকলের তৈরি একটি ঢালের ধ্বংসাবশেষ। কার্বন ডেটিং প্রক্রিয়ায় ইংল্যান্ডে প্রাপ্ত এই জিনিসটির বয়স বের করতে গিয়ে দেখা গিয়েছে, আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৯৫ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ২৫৫-র মধ্যে এটি তৈরি হয়েছিল, যে সময়টাকে লৌহযুগের মাঝামাঝি বলে ধরা হয়। ঢালটি সম্ভবত উইলো, পপলার কিংবা হেজ়েল জাতীয় গাছের বাকল দিয়ে তৈরি। তবে ঢালের মতো আত্মরক্ষার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় জিনিসও যে গাছের বাকল দিয়ে বানানো হত, এটা জানতে পেরে অবাক হয়েছেন নৃতত্ত্ববিদরা।

বায়ুদূষণে হাঁসফাঁস করছে ভারত

recগত বছর আন্তর্জাতিক সমীক্ষায় বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে দূষণ তালিকায় ১৭৭-এ ছিল আমাদের দেশ। এবছর পরিস্থিতি আরও বিগড়েছে বই শুধরোয়নি। সম্প্রতি প্রকাশিত ‘স্টেট অফ গ্লোবাল এয়ার ২০১৯’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, বায়ুদূষণের কারণে প্রতি বছর ভারতে প্রাণ হারাচ্ছেন ১২ লক্ষ মানুষ। বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বাড়ছে দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু, কলকাতা, চেন্নাইয়ের মতো দেশের সব বড় শহরেই। এবছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবসের থিম হিসেবে রাষ্ট্রপুঞ্জ বেছে নিয়েছে ‘বায়ুদূষণ’কেই। সমীক্ষা থেকে জানা যাচ্ছে, এই দেশের প্রায় ৭৬•৮% মানুষ দূষিত বাতাসে শ্বাস নেন বা নিতে বাধ্য হন। কারণ বাতাসে ভাসমান ধূলিকণার নিরিখে আমাদের দেশের ১০২টি শহরেই বায়ুদূষণের মাত্রা ধারাবাহিকভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে। পাশাপাশি, সময়ের সঙ্গে-সঙ্গে দেশে বাড়ছে যানবাহনের সংখ্যা। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাতাসে নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইডের মাত্রাও বিপজ্জনক হারে বাড়ছে। ফলে সব মিলিয়ে ঘরে-বাইরে ঘোর সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে আছি আমরা সবাই। পরিবেশ দিবস তো বছরে একদিন, কিন্তু তারপরেও বছরের প্রত্যেক দিনেই বাতাসের দূষণ কমাতে না পারলে এই গ্রহের কতটা ক্ষতি হবে জানা নেই, তবে ডায়নোসরদের মতোই মানুষেরও নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে ষোলো আনা!

লৌহযুগে বাকল দিয়ে তৈরি হত ঢাল

সময়টা লৌহযুগ। সেই সময় মানুষ গাছের বাকল দিয়ে রোজকার ব্যবহার্য বাসনপত্র এবং আরও নানা জিনিস বানাত। সম্প্রতি নৃতত্ত্ববিদরা এমন একটি জিনিস খুঁজে পেয়েছেন, যা তাঁদের অবাক করেছে। সেটি হল বাকলের তৈরি একটি ঢালের ধ্বংসাবশেষ। কার্বন ডেটিং প্রক্রিয়ায় ইংল্যান্ডে প্রাপ্ত এই জিনিসটির বয়স বের করতে গিয়ে দেখা গিয়েছে, আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৯৫ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ২৫৫-র মধ্যে এটি তৈরি হয়েছিল, যে সময়টাকে লৌহযুগের মাঝামাঝি বলে ধরা হয়। ঢালটি সম্ভবত উইলো, পপলার কিংবা হেজ়েল জাতীয় গাছের বাকল দিয়ে তৈরি। তবে ঢালের মতো আত্মরক্ষার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় জিনিসও যে গাছের বাকল দিয়ে বানানো হত, এটা জানতে পেরে অবাক হয়েছেন নৃতত্ত্ববিদরা।

দেখা গেল ‘মোনালিসা’র বিভিন্ন রূপ

লিওনার্দো দা ভিঞ্চির বিখ্যাত ছবি ‘মোনালিসা’ তো আমরা প্রায় সকলেই দেখেছি। সেই ছবির রহস্যময়ী হাসি সকলেরই নজর কেড়েছে। সম্প্রতি দেখা গেল সেই ছবির আরও বর্ধিত কয়েকটি রূপ। কয়েকদিন আগে ইন্টারনেটে একটি ভিডিয়োতে দেখা গেল, ছবির মোনালিসা মাথা ঘোরাচ্ছেন, ঠোঁট নাড়াচ্ছেন। কী করে হল এটা? এটা সম্ভব করেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে। এই পদ্ধতিতে যন্ত্র অর্থাৎ কম্পিউটার প্রায় মানুষের মাথার মতোই কোনও জিনিসের বিশ্লেষণ করতে পারে। এই পদ্ধতিতেই আসল মোনালিসার ছবির পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করে অন্যান্য রূপগুলো তৈরি করেছে কম্পিউটার। শুধু মোনালিসাই নয়, আরও বহু বিখ্যাত ব্যক্তিদের এইরকম বিভিন্ন ভঙ্গিমার ছবি তৈরি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন, চিত্রশিল্পী সালভাদর দালির মতো ব্যক্তিরা।

লৌহযুগে বাকল দিয়ে তৈরি হত ঢাল

সময়টা লৌহযুগ। সেই সময় মানুষ গাছের বাকল দিয়ে রোজকার ব্যবহার্য বাসনপত্র এবং আরও নানা জিনিস বানাত। সম্প্রতি নৃতত্ত্ববিদরা এমন একটি জিনিস খুঁজে পেয়েছেন, যা তাঁদের অবাক করেছে। সেটি হল বাকলের তৈরি একটি ঢালের ধ্বংসাবশেষ। কার্বন ডেটিং প্রক্রিয়ায় ইংল্যান্ডে প্রাপ্ত এই জিনিসটির বয়স বের করতে গিয়ে দেখা গিয়েছে, আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৯৫ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ২৫৫-র মধ্যে এটি তৈরি হয়েছিল, যে সময়টাকে লৌহযুগের মাঝামাঝি বলে ধরা হয়। ঢালটি সম্ভবত উইলো, পপলার কিংবা হেজ়েল জাতীয় গাছের বাকল দিয়ে তৈরি। তবে ঢালের মতো আত্মরক্ষার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় জিনিসও যে গাছের বাকল দিয়ে বানানো হত, এটা জানতে পেরে অবাক হয়েছেন নৃতত্ত্ববিদরা।

এবার শব্দের ছোঁয়াতেই তৈরি হবে বাষ্প

জল ফুটে তৈরি হয় বাষ্প, অনেক সময়ে তাপের প্রভাবে জলের উপরিভাগ থেকেও বাষ্প তৈরি হয়ে মিশে যায় বাতাসে। তবে এতদিন পর্যন্ত যে-কোনও উপায়েই জল থেকে বাষ্প তৈরিতে তাপের ভূমিকা ছিল অপরিহার্য। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা এক পরীক্ষায় প্রমাণ করেছেন যে, তাপপ্রয়োগ ছাড়াও জল থেকে বাষ্প তৈরি সম্ভব। সেক্ষেত্রে বাইরে থেকে শব্দের প্রয়োগ করতে হবে। জলের তলার নানা কার্যকলাপ পরীক্ষা করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা এক তীব্র আওয়াজের হদিশ পেয়েছেন। এই শব্দ সমুদ্রের তলার কোন ভূমিকম্পের ফল নয়, এটি উচ্চচাপে তৈরি একটি ছোট্ট ওয়া়টার জেট, যার বেধ আমাদের একটি চুলের বেধের অর্ধেক। প্রায় ২৭০ ডেসিবেলের এই শব্দ মানুষের কানে ধরা দেয় না, কিন্তু এর বিধ্বংসী ক্ষমতা জলের সংস্পর্শে এসে জলকে বাষ্পে পরিণত করতে পারে। বিজ্ঞানীদের আশা, আরও নিয়ন্ত্রিতভাবে এই শব্দপ্রবাহকে চালনা করলে জলকে ফোটানোও যেতে পারে। জলের তলায় বিভিন্ন শব্দের প্রভাবে কীভাবে বিভিন্ন অণুর পরিবর্তন ঘটে, এই আবিষ্কার সেই বিষয়ে আরও গবেষণায় সাহায্য করবে।

‘দৈত্য’দের হাতে তৈরি বিশাল পাথরের জার

দক্ষিণ এশিয়ার ছোট্ট দেশ লাওস। সেই লাওসের জিয়াংখুয়াং প্রদেশের এক জঙ্গলে অভিযান চালাচ্ছিলেন একদল ন়ৃতত্ত্ববিদ। সেখানে তারা খুঁজে পেলেন প্রায় ১০ফুট লম্বা পাথরের বিশাল জার। সংখ্যায় যা একশোরও বেশি। কিন্তু কী কাজে ব্যবহার হত এই জারগুলো? ওই একই জায়গা থেকে পাওয়া গিয়েছে প্রায় আড়াইশো বছরের পুরনো কবরও। তাই নৃতত্ত্ববিদরা মনে করছেন, মৃ়তদেহকে এই জারে ভরেই কবর দেওয়া হত। তবে এই বিশাল জারগুলো কারা বানিয়েছিলেন, সে বিষয়ে গবেষকরা এখনও অন্ধকারেই রয়েছেন, তবে যাঁরা এই দৈত্যাকৃতি জার বানিয়েছিলেন, তাঁরা যে খুব একটা দুবলা-পাতলা ছিলেন না, এ কথা বলাই বাহুল্য। তবে এই ধরনের জারের হদিশ আগেও পাওয়া গিয়েছিল লাওসেরই অন্য এক অঞ্চলে।

কাঞ্চনজঙ্ঘা থেকে ফিরলেন না দুই বাঙালি

CURRENT-AFFAIRs-img1 বিশ্বের তৃতীয় উচ্চতম শৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা জয় করতে গিয়ে আর ঘরে ফেরা হল না কলকাতার দুই বাঙালির। অভিযাত্রী দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুই বাঙালির মৃত্যু হয়েছে আর সেই সঙ্গে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন চিলে থেকে আসা এক পর্বতারোহী। জানা যাচ্ছে, ইন্দো-নেপাল সীমান্তে ৮৫৮৬ মিটার উঁচু শৃঙ্গজয়ের লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে যাত্রা শুরু করেছিল পাঁচ সদস্যের একটি দল। এঁদের মধ্যে বিপ্লব বৈদ্য (৪৮) শৃঙ্গজয় করে ফেরার পথে অসুস্থ হয়ে মারা যান। কুন্তল কাঁড়ার (৪৬) নামের অন্য এক অভিযাত্রী শৃঙ্গে ওঠার আগেই অসুস্থ হয়ে মারা যান। পর্বতারোহণের ক্ষেত্রে সমুদ্রতল থেকে আট হাজার মিটারের উপরে উঠলেই বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ এত কমে যায় যে নিশ্বাস নেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। মৃত দুই অভিযাত্রীও অক্সিজেনের অভাবেই মারা গিয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বছরের এই সময়টা আবহাওয়া মোটামুটি পরিষ্কার থাকায় সারা বিশ্বের উঁচু-উঁচু সব পর্বতশৃঙ্গে পাড়ি দেন বহু মানুষ। আপাতত অভিযাত্রী দলের তরফে জানানো হয়েছে, মৃত দুই অভিযাত্রীর দেহ তাঁরা নিরাপদে নীচে নামিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। এর আগে ২০১৪ সালে কাঞ্চনজঙ্ঘা অভিযানে গিয়েই মারা গিয়েছিলেন বাঙালি অভিযাত্রী ছন্দা গায়েন।

সাগরের গভীরতম বিন্দুতেও প্লাস্টিক!

CURRENT-AFFAIRs-img2 পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর সমুদ্রখাতের গভীরতম বিন্দুতে নেমে নতুন এক রেকর্ড গড়েছেন আমেরিকান অভিযাত্রী ভিক্টর ভেসকোভো। গত তিন সপ্তাহে অন্তত চারবার সাবমেরিনে চেপে প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা খাতে নেমেছিলেন ভিক্টর। চারবারের চেষ্টায় তিনি পৌঁছন সমুদ্রের প্রায় ১০,৯২৮ মিটার গভীরতায়। মারিয়ানা খাতের গভীরতা ১১,০০০ মিটারের কাছাকাছি। মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা সেখানে ৯০০০ মিটারের কাছাকাছি। মানে আস্ত মাউন্ট এভারেস্টটাকে যদি উলটো করে মারিয়ানা খাতে ঢোকানোর চেষ্টা করো, তা হলেও খাতের বেশ খানিকটা জায়গা ফাঁকা থেকে যাবে। তা যাই হোক, সেই খাতের ওই গভীরতম বিন্দু, যাকে ‘চ্যালেঞ্জার্স ডিপ’ বলেই সারা বিশ্ব জানে, সেখানে তো ভিক্টর পৌঁছলেন। মানুষের অচেনা নানা প্রাণীও দেখতে পেলেন। কিন্তু সঙ্গে দেখতে পেলেন প্লাস্টিক আর ধাতুর টুকরো! আর তাতেই মন খারাপ হয়েছে ভিক্টর ভেসকোভোর। মন খারাপ হওয়া উচিত আমাদেরও, কারণ সমুদ্রকে এভাবে দূষিত করে তুলেছি এই আমরাই। দিনের পর-দিন ক্ষতিকর বর্জ্য আর প্লাস্টিক যথেচ্ছভাবে সমুদ্রে ফেলার কারণে অসংখ্য সামুদ্রিক প্রাণীর জীবন বিপন্ন হয়েছে। হয়ে চলেছে এখনও। বিশ্ববাসীর প্রতি ভিক্টরের তাই আর্জি, দূষণ কমান। সমুদ্রকে রক্ষা করতে না শিখলে প্রকৃতিও আমাদের চিরকাল রক্ষা করতে পারবে না, এই তাঁর আশঙ্কা। যা একেবারে অমূলক নয়।

আবহাওয়া নিয়ে চিন্তিত আয়ারল্যান্ড

আবহাওয়ার বদলে যাওয়া নিয়ে চিন্তা না করে আমাদের আর উপায় নেই। সারা বিশ্ব জুড়ে দ্রুত পালটে যাচ্ছে আমাদের চেনা নীল গ্রহের আকাশ-বাতাস, বিষিয়ে উঠছে পৃথিবীর নদী-নালা-গাছগাছালি। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে, বিশ্বে প্রথমবারের জন্য, ২০১৯ সালের মে মাসের এক তারিখ ব্রিটেনের পার্লামেন্ট আবহাওয়া সম্পর্কিত জরুরি অবস্থার কথা ঘোষণা করেছিল। সেই তালিকায় দ্বিতীয় দেশ হিসেবে নাম লেখাল আয়ারল্যান্ড। সেদেশের সরকার ও বিরোধী পক্ষ, দু’দলই এই ঘোষণা মেনে নিয়েছেন। বিশ্বের আবহাওয়া যে দ্রুত পালটাচ্ছে, সেকথা মেনে নিয়ে আয়ারল্যান্ড ঠিক করেছে, ২০৩০ সালের মধ্যে তারা কার্বন ডাইঅক্সাইড নিঃসরণ বন্ধ করে দেখাবে। ওই একই সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎচালিত গাড়ি এবং পরিবেশবান্ধব বাসস্থানও তৈরি করার পরিকল্পনাও নিয়েছেন তাঁরা। পরবর্তীতে তেল এবং গ্যাসের যথেচ্ছ উত্তোলনেও তাঁরা রাশ টানবেন বলে ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন।

প্লাস্টিক দূষণ হয়তো কমবে এবার

প্লাস্টিক যখন প্রথম আবিষ্কৃত হয়েছিল, যুগান্তকারী আবিষ্কার হিসেবে তাকে নিয়ে ধন্য ধন্য করেছিলেন বিজ্ঞানী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, সকলেই। ইচ্ছেমতো আকার দেওয়া যায়, একটু বেশি গরম বা বেশ অনেকটা ঠান্ডায় এর আকার বা অবস্থার পরিবর্তন হয় না, একে ইচ্ছে মতো রং দেওয়া যায়, উপরন্তু এর ভার প্রায় নেই বললেই চলে! এমন জিনিসকে ভাল না বেসে আর উপায়ই বা কী ছিল! কিন্তু প্লাস্টিকের জনপ্রিয়তা যেমন রাতারাতি আকাশ ছুঁয়েছিল, তেমনই হু হু করে তাতে ভাটা পড়তেও দেরি হল না। দেখা গেল, প্লাস্টিককে মোটেই পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলা যাচ্ছে না। দিনের পর দিন, বছরের পর বছর তাকে মাটির তলায় পুঁতে রাখলে বা সমুদ্রের জলে ফেলে দিলেও সে থেকে যাচ্ছে নির্বিকার! ফলে প্লাস্টিক দূষণ অচিরেই মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠল মানুষের। আজ এই দূষণের কারণেই বছর-বছর বিশ্ব জুড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে বহু জানা-অজানা, ছোট-বড় উদ্ভিদ বা প্রাণী। কিন্তু অবশেষে এই সমস্যার কিছু সমাধান খুঁজে পাওয়া গিয়েছে বলে মনে হচ্ছে! আমেরিকার একদল বিজ্ঞানী সম্প্রতি দাবি করেছেন, তাঁরা তৈরি করে ফেলেছেন সম্পূর্ণ পুনর্নবীকরণযোগ্য এক বিশেষ ধরনের প্লাস্টিক পলিমার, রসায়নের বই অনুযায়ী যার নাম পলিডাইকিটোন্যামিন। তাঁদের দাবি, এই প্লাস্টিক পলিমারকে একেবারে আণবিক স্তরে ভেঙে ফেলে নতুন-নতুন প্লাস্টিকজাত পদার্থ তৈরি করতে ব্যবহার করা যেতে পারে। জিনিসটা তৈরি করেই অবশ্য বিজ্ঞানীরা ক্ষান্ত দেননি। তাঁরা চেষ্টা করছেন এটিকে আরও উন্নত, আরও পরিবেশবান্ধব করে তোলার।

ইয়েতির নয়, পায়ের ছাপ ভল্লুকের

দিনকয়েক আগে শোরগোল উঠেছিল ভারতীয় সেনার একটি দাবিকে ঘিরে। সেনাবাহিনীর এক পর্বত অভিযাত্রী দল জানায়, মাকালু বেস ক্যাম্পের কাছে তারা এক আশ্চর্য জিনিস দেখতে পেয়েছে। সেটা হল, বরফের উপর বিশাল-বিশাল পায়ের ছাপ। তাঁদের দাবি, সেটা ইয়েতির পায়ের ছাপও হতে পারে। টিনটিন থেকে শুরু করে কাকাবাবুর গল্পেও বিশালাকৃতির এই প্রাণীর উল্লেখ পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু, এখনও এর বাস্তব অস্তিত্বের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই সেনাবাহিনী তরফ থেকে পায়ের ছাপের ছবি প্রকাশ করার সঙ্গে-সঙ্গেই শোরগোল পড়ে যায়। সবাই ভাবতে শুরু করে, তবে কি অবশেষে ইয়েতির অস্তিত্বের হদিশ পাওয়া গেল? ছবি নিয়ে বিজ্ঞানীরা নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষাও শুরু করার কথা ভাবছিলেন। কিন্তু হঠাৎই সব আশায় জল ঢেলে দিল নেপালের সেনাবাহিনী। ভারতের অভিযাত্রী দলের সঙ্গে বেশ কয়েকজন নেপালি সদস্যও অভিযানে গিয়েছিলেন। তাঁরাও সেই রহস্যময় পায়ের ছাপটি দেখেছেন। তাঁরা নেপালের সেনাবাহিনীকে জানিয়েছেন যে, সেই ছাপটি বুনো ভল্লুকের, ইয়েতির নয়। হিমালয়ের ওই অ়ঞ্চলে বিশেষ প্রজাতির সেই ভল্লুক প্রায়ই দেখতে পাওয়া যায়। তাঁদের কথা শুনে মনে হচ্ছে, এবারেও হয়তো অধরাই থেকে গেল ইয়েতি!

আকাশে উড়ন্ত চাকি দেখলে দিতে হবে প্রমাণ

আকাশে উড়ন্ত চাকি দেখতে পাওয়ার খবর নতুন কিছু নয়। ভিনগ্রহীরা আমাদের অজান্তে চুপিচুপি এসে মাঝে-মাঝেই আমাদের দেখে যায়, এ বিশ্বাস সারা বিশ্বে বহু মানুষেরই আছে। মানুষের ইতিহাসে অসংখ্য এমন দাবির কথা জানা গিয়েছে বারবার, কিন্তু প্রমাণ হয়নি তার কোনওটাই। আমেরিকান নৌবাহিনীর পাইলটরা যেমন। প্রায়ই তাঁরা প্লেন নিয়ে উড়েটুড়ে শেষে যুদ্ধজাহাজে ফিরে এসে দাবি করেন, তাঁরা নাকি উড়ন্ত চাকি দেখতে পেয়েছেন। সেই চাকির সামনে-পিছন-উপর-নীচ কোথাও দিয়েই ধোঁয়া বা বাতাস বেরতে দেখা যায়নি, চাকির ওড়ার কোনও শব্দও তাঁরা পাননি। এমন উন্নত প্রযুক্তি ভিনগ্রহী ছা়ড়া আর কাদের কাছেই বা থাকতে পারে? এদিকে কোনও প্রমাণ সমেত ফিরতে না-পারায় পাইলটদের এমত দাবি তাঁদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষও মেনে নিতে পারেন না। অবশেষে পাইলটদের উড়ন্ত চাকি দেখতে পাওয়ার উপর্যুপরি দাবিতে অতিষ্ঠ হয়ে আমেরিকান নৌবাহিনী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাঁরা তাঁদের কাজের ধরনে বদল আনবেন। কেউ উড়ন্ত চাকি দেখে এসে শুধু মুখে-মুখে বললেই হবে না। নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম এরপর তাঁরা করে দেবেন। সেগুলো ঠিক-ঠিক মেনে লিখিত রিপোর্ট দিলে তবেই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে, আশ্বাস দিয়েছেন নৌবাহিনীর অধিকর্তারা। তা হলে কি অবশেষে ধরা পড়বে বুদ্ধিমান ভিনগ্রহীরা? যারা নাকি খালি-খালি এসে বারবার ‘টুকি’ দিয়ে চলে যায়, ধরা আর পড়ে না!