Category Archives: Bizzare facts

বাদুড় যখন হাতিয়ার

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরমাণু বোমা বানানোর আগে বাদুড়কে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার কথা ভেবেছিল আমেরিকা। এই ধরনের বোমায় একটি চোঙাকৃতি পাত্র বানানো হয়েছিল, যে পাত্রের মধ্যে ছিল সহস্রাধিক খোপ। সেই খোপে রাখা থাকত ঘুমন্ত মেক্সিকান বাদুড় এবং প্রতিটি বাদুড়ের সঙ্গে একটি করে ছোট, টাইম বোমা বাঁধা থাকত। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভোরবেলা একটি বোমারু বিমানের সাহায্যে প্যারাসুটের সাহায্যে লক্ষ্যবস্তুর কাছাকাছি এই বোমা ফেলা হবে এবং বাদুড়গুলিকে ছেড়ে দেওয়া হবে। বাদুড়গুলি উড়তে থাকবে এবং আগে থেকে ঠিক করা নির্দিষ্ট সময়ে বোমাগুলি ফেটে যাবে। লক্ষ্যবস্তু হিসেবে জাপানের যে শহরগুলি ঠিক করা হয়েছিল, সেগুলি ছিল বেশিরভাগই কাগজ এবং কাঠে তৈরি। ফলে সহজেই বিস্ফোরণ ঘটে যেত। তবে কোনও অজানা কারণে এই বোমা কোনওদিনই ব্যবহার করা হয়নি।

মুণ্ডহীন মাইক

ধড় আছে, কিন্তু মুন্ডু নেই। এমতাবস্থায় কোনও প্রাণীর পক্ষে কি বেঁচে থাকা সম্ভব? স্কন্ধকাটা ভূত ছাড়া আর কেউ এভাবে ঘুরেফিরে বেড়াতে পারে বলে জানা যায় না। ভূতটুতে অবশ্য অনেকেই বিশ্বাস করেন না। তাদের জন্য তাই এই অসাধ্য সাধন করে দেখিয়েছিল ‘মুণ্ডহীন মাইক’! ১৯৪৫ সালে কলোরাডোর এক কৃষক মুরগি কাটতে গিয়ে এমন বিচ্ছিরি কোপ মারেন যে মুরগির ঘাড়ের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিরা অক্ষত থেকে যায়। মাথাটা বাদ গেলেও মস্তিষ্কের বেশ কিছুটাও লেগে থেকে যায় শরীরের সঙ্গে। ‘মাইক’ নামের সেই মুরগি অমন স্কন্ধকাটা হয়ে বেঁচে ছিল টানা ১৮ মাস! এই পুরো সময়টা মাইককে জল আর দুধের মিশ্রণ ড্রপারে করে খেতে দেওয়া হত। দিকে-দিকে তার খ্যাতিও এমনই ছড়িয়েছিল যে, তাকে নিয়ে তার মালিক নানা জায়গায় প্রদর্শনী করে বেড়িয়ে বহু অর্থ উপার্জন করেছিলেন। মালিকের দু’হাতে সেই টাকার গোছা অবশ্য মাইক স্বচক্ষে দেখে যেতে পারেনি। দেখবেই বা কী করে। তার যে মুন্ডুই ছিল না!

শূকরদের দ্বীপ

উত্তর আমেরিকার একপাশে বাহামা দ্বীপপুঞ্জে প্রায় ৩৬৫ খানা ছোট-বড় দ্বীপকে একত্রে বলা হয় এক্সুমা। আমাদের আগ্রহ এই লেখায় ঘনীভূত হবে তার মধ্যে একটিমাত্র দ্বীপের উপর, যার নাম ‘বিগ মেজর কে’। যাকে কিনা অনেকেই বলে থাকেন ‘শূকর দ্বীপ’! এরকম অদ্ভুত নামকরণের কারণ?
জনমনিষ্যিহীন এই দ্বীপের কাছাকাছি গেলেই শুনতে পাবে শূকরদের হাঁকডাক, ঘোঁতঘোঁত ভীমবিক্রমে কেঁপে উঠবে কানের পরদা! এর কারণ আর কিছুই নয়, দ্বীপ জুড়ে বিপুল সংখ্যায় শূকরদের উপস্থিতিই এর জন্য দায়ী!
ঠিক কবে, কোথা থেকে শূকররা এই দ্বীপে এসে হাজির হয়েছিল, জানা নেই। কেউ বলে দ্বীপের ধারকাছে ডুবে যাওয়া জাহাজ থেকেই শূকরদের পাল এসে পৌঁছেছিল এই দ্বীপে। কেউ আবার বলে জলদস্যুরা এককালে শূকরদের রেখে গিয়েছিল এই দ্বীপে, পরে সময়মতো ফিরে এসে কেটেকুটে খাবে বলে। কিন্তু ফিরে আসা আর তাদের হয়নি।
সে যেভাবেই তারা এসে থাকুক না কেন, আজকাল এই দ্বীপের শূকররা আছে মহা ফুর্তিতে। প্রথম-প্রথম দ্বীপের জঙ্গলে খাবার খুঁজে বেড়াতে হলেও এখন দ্বীপে তাদের দেখতে ভিড় জমানো মানুষের কাছ থেকেই দিব্যি পেট ভরে খাবার খাওয়া হয়ে যায়। ভিড় জমানো মানুষদের সঙ্গে চুটিয়ে তারা খেলে বেড়ায় দিনভর, সাঁতারও কাটে একসঙ্গে। শূকরদের স্বর্গরাজ্য আর কাকে বলে!

বেবি-জাম্পিংয়ের উৎসব

স্পেনের বার্গোস প্রদেশের গ্রাম ক্যাসত্রিলো দে মুরসিয়াতে প্রতিবছর জুনমাসে অনুষ্ঠিত হয় এক অদ্ভুত উৎসব, যার নাম ‘এল কোলাসো’ বা বেবি জাম্পিং। এই অনুষ্ঠানে রাস্তায় ১২ মাস বা তার চেয়ে কম বয়সি শিশুদের তোষক পেতে শুইয়ে রাখা হয়। তারপর এক বা একাধিক মানুষ লাল-হলুদ পোশাক পরে ‘শয়তান’ সেজে লাফিয়ে সেই শিশুদেরকে টপকায়। ১৬২০ সাল থেকে ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের একটি প্রথা হিসেবে এটি চলে আসছে। বিশ্বাসীরা মনে করেন এতে শিশুদের জীবনের পথ মসৃণ হয় এবং অশুভ প্রভাব কেটে যায়। আশ্চর্য প্রথা, তাই না?

dvbottom_bg-624x1951112

ওজন কমায় চাঁদ!

ওজন এক বিচ্ছিরি জিনিস, তাই না? একটু বাড়ল কি অমনি বাড়ির বড়রা সব্বাই মিলে শুরু করবে ‘না’-এর ফিরিস্তি! তাও আবার জীবনের প্রিয় জিনিসগুলোতেই ‘না’! চিপ্‌স না, চকোলেট না, আইসক্রিম না, সন্দেশ-রসগোল্লা না… সে এক মহাবিপদ! তবে একবার চাঁদে যেতে পারলেই নিশ্চিন্তি! কেন? ছোটবেলা থেকেই তো পড়ছি চাঁদে যে-কোনও কিছুর ওজন পৃথিবীতে সেই বস্তুর ওজনের ছ’ভাগের একভাগ। তাই কেউ যদি বলে, ‘তোমার ওজন বেশি!’ তা হলে বলতেই পার, ‘ওজন ভুল নয়, জায়গাটা বেঠিক! চাঁদে গেলে বুঝতে!’ তবে এটাও কি জানতে যে, চাঁদের ঠিক নীচে দাঁড়িয়ে ওজন নিতে পারলেও ওজন কম আসে! পূর্ণ চাঁদ মাথার উপরে পৃথিবীর যত কাছাকাছি থাকবে, সেসময় ওজন নিলে সামান্য কিছুটা হলেও ওজন কমবে। এর কারণ হল, পৃথিবীর উপর বস্তুর ওজন সেই বস্তুর উপর পৃথিবীর অভিকর্ষের টানের উপর নির্ভর করে। চাঁদ ঠিক মাথার উপর থাকলে চাঁদের ঊর্ধ্বমুখী টান পৃথিবীর নিম্নমুখী অভিকর্ষকে খানিকটা কাটাকুটি করে দেয়, ফলে ওজনও কম আসে। বেশ মজার ঘটনা, তাই না?

ওজন কমায় চাঁদ!

ওজন এক বিচ্ছিরি জিনিস, তাই না? একটু বাড়ল কি অমনি বাড়ির বড়রা সব্বাই মিলে শুরু করবে ‘না’-এর ফিরিস্তি! তাও আবার জীবনের প্রিয় জিনিসগুলোতেই ‘না’! চিপ্‌স না, চকোলেট না, আইসক্রিম না, সন্দেশ-রসগোল্লা না… সে এক মহাবিপদ! তবে একবার চাঁদে যেতে পারলেই নিশ্চিন্তি! কেন? ছোটবেলা থেকেই তো পড়ছি চাঁদে যে-কোনও কিছুর ওজন পৃথিবীতে সেই বস্তুর ওজনের ছ’ভাগের একভাগ। তাই কেউ যদি বলে, ‘তোমার ওজন বেশি!’ তা হলে বলতেই পার, ‘ওজন ভুল নয়, জায়গাটা বেঠিক! চাঁদে গেলে বুঝতে!’ তবে এটাও কি জানতে যে, চাঁদের ঠিক নীচে দাঁড়িয়ে ওজন নিতে পারলেও ওজন কম আসে! পূর্ণ চাঁদ মাথার উপরে পৃথিবীর যত কাছাকাছি থাকবে, সেসময় ওজন নিলে সামান্য কিছুটা হলেও ওজন কমবে। এর কারণ হল, পৃথিবীর উপর বস্তুর ওজন সেই বস্তুর উপর পৃথিবীর অভিকর্ষের টানের উপর নির্ভর করে। চাঁদ ঠিক মাথার উপর থাকলে চাঁদের ঊর্ধ্বমুখী টান পৃথিবীর নিম্নমুখী অভিকর্ষকে খানিকটা কাটাকুটি করে দেয়, ফলে ওজনও কম আসে। বেশ মজার ঘটনা, তাই না?

ভাগ্যিস ফেসবুক ছিল!

কম্পিউটারের এম এস ওয়র্ড জানো তো? মাইক্রোসফ্‌ট ওয়ার্ড-এরই ছোট নাম এম এস ওয়র্ড। এই সেই সফ্‌টওয়্যার, যার সাহায্যে কম্পিউটারে লেখালিখি করতে পারি আমরা। সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ছবি ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যাচ্ছিল পশ্চিম আফ্রিকার দেশ ঘানার এক স্কুলের এক কম্পিউটার শিক্ষককে। তাঁর স্কুলে কম্পিউটার নেই। ফলে তিনি ক্লাসভর্তি পড়ুয়াদের এম এস ওয়র্ড শেখাচ্ছেন, ক্লাসের ব্ল্যাকবোর্ডে ছবি এঁকে-এঁকে।
এখন ব্যাপার হল এই যে, কম্পিউটারের একটা সফ্‌টওয়্যারের খুঁটিনাটি ব্ল্যাকবোর্ডে এঁকে দেখানো মোটেই মুখের কথা নয়। সেই কারণেই ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ছবিটি দেখে নড়েচড়ে বসেছেন সারা বিশ্বের অনেক মানুষই। সৌদির এক পি এইচ ডি ছাত্র ইউনাইটেড কিংডম থেকে ঘানার ওই স্কুলে পাঠিয়েছেন ল্যাপটপ। আমাদের দেশের বড় ইনফরমেশন টেকনোলজি কোম্পানি এন আই আই টি-র পক্ষ থেকেও ওই স্কুলে পাঠানো হয়েছে ল্যাপটপ আর বই। সাহায্য করছেন মাইক্রোসফ্‌ট কর্তৃপক্ষও। ফেসবুকের মাধ্যমে ভাল কাজও যে বিশ্বে কিছু-কিছু হচ্ছে, এই ঘটনা আরও একবার তারই প্রমাণ দিল।

ভাগ্যিস ফেসবুক ছিল!

কম্পিউটারের এম এস ওয়র্ড জানো তো? মাইক্রোসফ্‌ট ওয়ার্ড-এরই ছোট নাম এম এস ওয়র্ড। এই সেই সফ্‌টওয়্যার, যার সাহায্যে কম্পিউটারে লেখালিখি করতে পারি আমরা। সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ছবি ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যাচ্ছিল পশ্চিম আফ্রিকার দেশ ঘানার এক স্কুলের এক কম্পিউটার শিক্ষককে। তাঁর স্কুলে কম্পিউটার নেই। ফলে তিনি ক্লাসভর্তি পড়ুয়াদের এম এস ওয়র্ড শেখাচ্ছেন, ক্লাসের ব্ল্যাকবোর্ডে ছবি এঁকে-এঁকে।
এখন ব্যাপার হল এই যে, কম্পিউটারের একটা সফ্‌টওয়্যারের খুঁটিনাটি ব্ল্যাকবোর্ডে এঁকে দেখানো মোটেই মুখের কথা নয়। সেই কারণেই ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ছবিটি দেখে নড়েচড়ে বসেছেন সারা বিশ্বের অনেক মানুষই। সৌদির এক পি এইচ ডি ছাত্র ইউনাইটেড কিংডম থেকে ঘানার ওই স্কুলে পাঠিয়েছেন ল্যাপটপ। আমাদের দেশের বড় ইনফরমেশন টেকনোলজি কোম্পানি এন আই আই টি-র পক্ষ থেকেও ওই স্কুলে পাঠানো হয়েছে ল্যাপটপ আর বই। সাহায্য করছেন মাইক্রোসফ্‌ট কর্তৃপক্ষও। ফেসবুকের মাধ্যমে ভাল কাজও যে বিশ্বে কিছু-কিছু হচ্ছে, এই ঘটনা আরও একবার তারই প্রমাণ দিল।

বরফের শহর


কলকাতায় ঠান্ডা পড়ছে না বলে যাদের দুঃখ, তাদের কাছে ওয়েমাইকন শহরের কথা শোনানোই যায়। রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলের একটা ছোট্ট শহর ওয়েমাইকন। স্থানীয় নদী ওয়েমাইকনের নামেই ওই শহরের নাম। শহরের জনসংখ্যা পাঁচশো। গরমকালে এই শহরের তাপমাত্রা থাকে -৪৬ ডিক্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। আর শীতকালে -৬৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্তও তাপমাত্রা নামতে পারে। এত ঠান্ডা নাকি মাউন্ড এভারেস্টের চূড়াতেও নেই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই শহরে একটা বিমানঘাঁটি তৈরি করা হয়েছিল। এছাড়া ওয়েমাইকন শহরে বিশেষ কিছু হয়েছে বলে শোনা যায় না। তার মূল কারণ হল ওই হাড় হিম করা ঠান্ডা। আবহাওয়াও খুব শুকনো। ওই ঠান্ডায় কেমন করে থাকেন ওখানকার মানুষজন? দু’-একটি নমুনা দিলেই বিষয়টা বোঝা যাবে।
ওয়েমাইকন শহরের মানুষজনেরা সারারাত গাড়ি স্টার্ট করে রাখেন। গাড়ির স্টার্ট বন্ধ হয়ে গেলে পরের দিন সকালে গাড়ি নাও চালু হতে পারে। তখন ঘোর বিপদ। কারণ, অত ঠান্ডায় গাড়ি অকেজো হলে লোকে যাতায়াত করবেন কীভাবে? শুধু কি তাই? ওই শহরে কেউ মারা গেলে তাঁকে সমাধিস্থ করার জন্য মাটি খোঁড়ার আগে বরফ গলাতে হয়। তবে না ওই মৃত ব্যক্তিকে সমাধিস্থ করা যাবে!

dvbottom_bg-624x1951112

নিলাম ডেকে শহর বিক্রি

হ্যাঁ, এমন ঘটনাই ঘটেছে। তবে এটা কোনও মহাভারত কিংবা মুঘল আমলের ঘটনা নয়, এই ঘটনা ঘটেছে ২০১২ সালে।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। মার্কিন মুলুকের সবচেয়ে ছোট শহরের নাম, বুফোর্ড। দশ একরের এই ছোট্ট শহরে সবই আছে। এক কালে ওই শহরে থাকতেন হাজারদুয়েক লোক। ১৯৮০ সালে জন স্যামন্স নামের এক ভদ্রলোক সপরিবারে ওখানে থাকতে এলেন। ধীরে-ধীরে জন গোটা শহরটাই প্রায় কিনে ফেললেন। ১৯৯২ সালে জনের স্ত্রী যখন মারা যান, তখন তিনি একাই গোটা শহরে অধীশ্বর। ওই শহরের বাসিন্দা হিসেবে তখন থাকেন মাত্র দু’জন। জন আর তাঁর ছেলে। অতএব জনই তখন শহরের মেয়র। শহরের গ্যাস স্টেশন থেকে দোকানপাট সব তিনি আর ছেলে মিলে সামলাতেন। ২০০৭ সালে জনের ছেলে ওই শহর ছেড়ে চলে আসে আমেরিকার কলোরাডো শহরে। জন তখনও শহর আগলে পড়েছিলেন। কিন্তু ২০১২ সালে ৬১ বছর বয়সে জন ঠিক করেন, বৃদ্ধ বয়সে এভাবে একা থাকা তাঁর পক্ষে আর সম্ভব নয়। তাই তিনি শহরটা বিক্রি করে দেওয়ার জন্য একটি ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দেন। আস্ত শহর এভাবে বিক্রি হচ্ছে দেখে গোটা আমেরিকা জুড়ে তো বটেই, বিশ্বের নানা প্রান্তেও হইচই পড়ে যায়। অনলাইনেই নিলাম হয়। আর নিলাম শুরুর ১১ মিনিটের মধ্যে সেই শহর বিক্রি হয়ে যায়। বৃদ্ধ জন বুফোর্ড শহর বিক্রি করেন ভিয়েতনামের দুই বাসিন্দাকে।