issue_cover
x
Bizzare facts

মুণ্ডহীন মাইক

ধড় আছে, কিন্তু মুন্ডু নেই। এমতাবস্থায় কোনও প্রাণীর পক্ষে কি বেঁচে থাকা সম্ভব? স্কন্ধকাটা ভূত ছাড়া আর কেউ এভাবে ঘুরেফিরে বেড়াতে পারে বলে জানা যায় না। ভূতটুতে অবশ্য অনেকেই বিশ্বাস করেন না। তাদের জন্য তাই এই অসাধ্য সাধন করে দেখিয়েছিল ‘মুণ্ডহীন মাইক’! ১৯৪৫ সালে কলোরাডোর এক কৃষক মুরগি কাটতে গিয়ে এমন বিচ্ছিরি কোপ মারেন যে মুরগির ঘাড়ের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিরা অক্ষত থেকে যায়। মাথাটা বাদ গেলেও মস্তিষ্কের বেশ কিছুটাও লেগে থেকে যায় শরীরের সঙ্গে। ‘মাইক’ নামের সেই মুরগি অমন স্কন্ধকাটা হয়ে বেঁচে ছিল টানা ১৮ মাস! এই পুরো সময়টা মাইককে জল আর দুধের মিশ্রণ ড্রপারে করে খেতে দেওয়া হত। দিকে-দিকে তার খ্যাতিও এমনই ছড়িয়েছিল যে, তাকে নিয়ে তার মালিক নানা জায়গায় প্রদর্শনী করে বেড়িয়ে বহু অর্থ উপার্জন করেছিলেন। মালিকের দু’হাতে সেই টাকার গোছা অবশ্য মাইক স্বচক্ষে দেখে যেতে পারেনি। দেখবেই বা কী করে। তার যে মুন্ডুই ছিল না!



বাদুড় যখন হাতিয়ার

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরমাণু বোমা বানানোর আগে বাদুড়কে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার কথা ভেবেছিল আমেরিকা। এই ধরনের বোমায় একটি চোঙাকৃতি পাত্র বানানো হয়েছিল, যে পাত্রের মধ্যে ছিল সহস্রাধিক খোপ। সেই খোপে রাখা থাকত ঘুমন্ত মেক্সিকান বাদুড় এবং প্রতিটি বাদুড়ের সঙ্গে একটি করে ছোট, টাইম বোমা বাঁধা থাকত। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভোরবেলা একটি বোমারু বিমানের সাহায্যে প্যারাসুটের সাহায্যে লক্ষ্যবস্তুর কাছাকাছি এই বোমা ফেলা হবে এবং বাদুড়গুলিকে ছেড়ে দেওয়া হবে। বাদুড়গুলি উড়তে থাকবে এবং আগে থেকে ঠিক করা নির্দিষ্ট সময়ে বোমাগুলি ফেটে যাবে। লক্ষ্যবস্তু হিসেবে জাপানের যে শহরগুলি ঠিক করা হয়েছিল, সেগুলি ছিল বেশিরভাগই কাগজ এবং কাঠে তৈরি। ফলে সহজেই বিস্ফোরণ ঘটে যেত। তবে কোনও অজানা কারণে এই বোমা কোনওদিনই ব্যবহার করা হয়নি।