issue_cover
x
Bizzare facts

বেবি-জাম্পিংয়ের উৎসব

স্পেনের বার্গোস প্রদেশের গ্রাম ক্যাসত্রিলো দে মুরসিয়াতে প্রতিবছর জুনমাসে অনুষ্ঠিত হয় এক অদ্ভুত উৎসব, যার নাম ‘এল কোলাসো’ বা বেবি জাম্পিং। এই অনুষ্ঠানে রাস্তায় ১২ মাস বা তার চেয়ে কম বয়সি শিশুদের তোষক পেতে শুইয়ে রাখা হয়। তারপর এক বা একাধিক মানুষ লাল-হলুদ পোশাক পরে ‘শয়তান’ সেজে লাফিয়ে সেই শিশুদেরকে টপকায়। ১৬২০ সাল থেকে ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের একটি প্রথা হিসেবে এটি চলে আসছে। বিশ্বাসীরা মনে করেন এতে শিশুদের জীবনের পথ মসৃণ হয় এবং অশুভ প্রভাব কেটে যায়। আশ্চর্য প্রথা, তাই না?



শূকরদের দ্বীপ

উত্তর আমেরিকার একপাশে বাহামা দ্বীপপুঞ্জে প্রায় ৩৬৫ খানা ছোট-বড় দ্বীপকে একত্রে বলা হয় এক্সুমা। আমাদের আগ্রহ এই লেখায় ঘনীভূত হবে তার মধ্যে একটিমাত্র দ্বীপের উপর, যার নাম ‘বিগ মেজর কে’। যাকে কিনা অনেকেই বলে থাকেন ‘শূকর দ্বীপ’! এরকম অদ্ভুত নামকরণের কারণ?
জনমনিষ্যিহীন এই দ্বীপের কাছাকাছি গেলেই শুনতে পাবে শূকরদের হাঁকডাক, ঘোঁতঘোঁত ভীমবিক্রমে কেঁপে উঠবে কানের পরদা! এর কারণ আর কিছুই নয়, দ্বীপ জুড়ে বিপুল সংখ্যায় শূকরদের উপস্থিতিই এর জন্য দায়ী!
ঠিক কবে, কোথা থেকে শূকররা এই দ্বীপে এসে হাজির হয়েছিল, জানা নেই। কেউ বলে দ্বীপের ধারকাছে ডুবে যাওয়া জাহাজ থেকেই শূকরদের পাল এসে পৌঁছেছিল এই দ্বীপে। কেউ আবার বলে জলদস্যুরা এককালে শূকরদের রেখে গিয়েছিল এই দ্বীপে, পরে সময়মতো ফিরে এসে কেটেকুটে খাবে বলে। কিন্তু ফিরে আসা আর তাদের হয়নি।
সে যেভাবেই তারা এসে থাকুক না কেন, আজকাল এই দ্বীপের শূকররা আছে মহা ফুর্তিতে। প্রথম-প্রথম দ্বীপের জঙ্গলে খাবার খুঁজে বেড়াতে হলেও এখন দ্বীপে তাদের দেখতে ভিড় জমানো মানুষের কাছ থেকেই দিব্যি পেট ভরে খাবার খাওয়া হয়ে যায়। ভিড় জমানো মানুষদের সঙ্গে চুটিয়ে তারা খেলে বেড়ায় দিনভর, সাঁতারও কাটে একসঙ্গে। শূকরদের স্বর্গরাজ্য আর কাকে বলে!