issue_cover
x

আমার ইচ্ছেমতো


- – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - -

- – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - -
আমার ইচ্ছেমতো
ছোট্ট মেয়ে আমি, স্কুলে পড়ি। এখন থেকেই অনেকে প্রশ্ন করে, বড় হয়ে আমি কী হতে চাই। বুঝতে পারি না কী উত্তর দেব। দাদু বলেন ডাক্তার হতে। দিদু বলেন অ্যাডভোকেট। বাবার ইচ্ছে আমি যেন ইঞ্জিনিয়ার হই। থতমত খেয়ে যাই। কারণ, এসব হতে গেলে আমায় কী-কী করতে হবে তার কোনও ধারণাই আমার নেই। আবার মায়ের মত, মানুষের মতো মানুষ হওয়া। সেটাই বা কী আমি বুঝতে পারি না। এসবের কোনওটা হতেই আমার ইচ্ছে নেই। আমি চাই সকাল-সকাল উঠে সোনা রোদ গায়ে মেখে মাঠে ছুটতে, শীতের দুপুরে ঘুড়ি ওড়াতে, বইখাতার সঙ্গে চিরজীবনের মতো আড়ি করে দিতে। তার বদলে মামাবাড়ির পুকুরে ছিপ নিয়ে মাছ ধরতে, পিসির বাড়ির আম গাছে টাঙানো দোলনাটায় গিয়ে বসতে, পুকুরে সাঁতার কেটে স্নান করতে আর সন্ধে হলেই খেয়েদেয়ে ঠাকুরমার কাছে রামায়ণ-মহাভারতের গল্প শুনতে-শুনতে ঘুমিয়ে পড়তে।

অদ্রি দাঁ
চতুর্থ শ্রেণি, বর্ধমান মডেল স্কুল।