issue_cover
x


মিশরের প্রাচীন সমাধির কারুকার্য যেন আকাশের তারার মতো অফুরন্ত। আজও সেখান থেকে যা উদ্ধার হচ্ছে, তাতে চোখ কপালে উঠে যাওয়ার জোগাড়। কিছুদিন আগে সাক্কারা অঞ্চলে খননকার্য চালিয়ে তেমনই নানা কিছু পাওয়া গেল। সাক্কারা হল কায়রো থেকে ৩০ মাইল দক্ষিণে। সেখানে এক প্রাচীন সমাধিতে খননকার্য চালানো হচ্ছিল। আর সেই খননকার্য করে দেওয়ালে আঁকা ছবি উদ্ধার করলেন প্রত্নতাত্ত্বিকেরা। তাঁরা মনে করছেন, প্রায় চার হাজার বছরের পুরনো এই সব ছবি। কিন্তু কার সমাধি থেকে পাওয়া গেল এমন চিত্রকর্ম? প্রত্নতাত্ত্বিকরা জানাচ্ছেন, এই সমাধি খুয়াই নামের এক বিশিষ্টজনের। খুয়াই সম্পর্কে যেটুকু তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তা হল তিনি সমাজের অত্যন্ত গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং ফারাওয়ের কাছের জন ছিলেন। আরও জানা গিয়েছে, ৪৩০০ বছরের পুরনো এই চিত্রগুলি খুবই ভাল অবস্থায় রয়েছে, রংয়ের ক্ষেত্রেও খুব বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এই চিত্রগুলো থেকে সেই সময়কার অনেক অজানা তথ্য জানা যাবে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

মাঝসমুদ্রে সাঁতার কাটছে কুকুর

মাঝসমুদ্রে ভাসমান তেল উত্তোলন কেন্দ্রে কাজ করার সময়ে অনেক শ্রমিকেরই মাঝে-মাঝে দৃষ্টিবিভ্রম হয়। তাই তাইল্যান্ডের উপকূল থেকে ১৩৫ মাইল দূরে একটি তেল উত্তোলন কেন্দ্রে কাজ করার সময়ে যখন কয়েকজন শ্রমিক দেখেন যে, সাঁতার কেটে তাদের দিকে এগিয়ে আসছে একটি কুকুর, সকলেই ভেবেছিলেন যে সেটা চোখের ভুল। কিন্তু অচিরেই সেই ভুল ভাঙল, যখন তাঁরা দেখলেন যে, ঢেউয়ের মধ্যে মাঝে-মাঝেই একটা মাথা ক্রমাগত ডুবছে আর ভেসে উঠছে। আর মাথাটা আস্তে-আস্তে তাঁদের দিকেই এগিয়ে আসছিল। তড়িঘড়ি খয়েরি রংয়ের অ্যাসপিন প্রজাতির কুকুরটিকে উদ্ধার করেন তাঁরা। তারপর সে বহাল তবিয়তে থাকলেও সবার মনে একটাই প্রশ্ন, কুকুরটি সেখানে গেল কীভাবে? মনে করা হচ্ছে, সকলের অলক্ষ্যে কোনও চলন্ত জলযান থেকে পড়ে গিয়েছিল সে। তবে জোর বরাত যে, সমুদ্র তখন মোটামুটি শান্ত ছিল। না হলে হয়তো তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হত না।