issue_cover
x

চিনে তৈরি জিনিস বেশিদিন টেকে না বলে যতই হ্যাটা করো না কেন, চিন কিন্তু সবার আগে চাঁদে পাঠিয়ে দিয়েছে গাছগাছালির বীজ। শুধু তাই নয়, ক্যানের মধ্যে তারা বানিয়ে পাঠিয়েছে ছোটখাটো একটা গ্রিন হাউস। চিনা বিজ্ঞানীদের আশা ছিল, গ্রিন হাউসে দিব্যি হেসেখেলে বেড়ে উঠবে গাছ। তা, অভিযান শুরু হওয়ার পর দেখা গেল, সত্যি-সত্যিই অঙ্কুরিত হয়েছে তুলোর বীজ। চিন তো বটেই, পাশাপাশি সারা পৃথিবীর বাসিন্দাদের কাছে খবরটা ছিল খুবই আনন্দের। কারণ এর আগে কখনওই চাঁদে এভাবে প্রাণের প্রকাশ ঘটানো যায়নি। কিন্তু এই খবর শুনে আনন্দে মাতোয়ারা হওয়ার উদ্যোগ নিতেই এসে পৌঁছেছে দুঃসংবাদ। চাঁদে শুরু হয়েছে রাত। পৃথিবীর বুকে যেমন রাত স্থায়ী হয় কয়েক ঘণ্টা, চাঁদে কিন্তু রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় টানা দু’ সপ্তাহ! রাত নামতেই সেখানে তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে মাইনাস ১৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। আর প্রবল এই ঠান্ডার সঙ্গে লড়াইয়েই হার মেনেছে ছোট্ট তুলোর অঙ্কুর। চিনা বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, মারাই গিয়েছে সে। রাত কেটে যখন ফের দিন ফিরবে চাঁদে, তখন ওই ক্যানের মধ্যেই আস্তে-আস্তে নষ্ট হয়ে যাবে মৃত অঙ্কুরটি। এই অভিযানে তুলো ছাড়া আর যেক’টি বীজ পাঠানো হয়েছিল, তারাও নষ্ট হবে তখনই। ফলে ঘুরেফিরে আসে ওই কথাটাই। চিনে তৈরি জিনিস বেশিদিন… যাক গে যাক!