issue_cover
x

california_earthquake_img01 গত ২০ বছরে এমন ভয়ানক ভূমিকম্প হয়নি সেখানে। গতকাল স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ আমেরিকার মোহাভি মরুভূমিতে ৬.৪ মাত্রার ভূকম্প অনুভূত হয়। তারই রেশ এসে পড়ে ক্যালিফোর্নিয়ায়। ১৯৯৯ সালের অক্টোবর মাসে শেষবার ৭.১ মাত্রার ভূকম্প হয়েছিল এই এলাকায়। তবে আনন্দের খবর এই যে, এত ভয়ানক ভূমিকম্পের পরও এবার সেখানে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে অনেকটাই কম। বাড়িঘর হেলে পড়েছে, একটি মাত্র বাড়িতে আগুনও লেগে গিয়েছিল ঠিকই, তবে দমকলকর্মীদের তৎপরতায় সেটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়নি। প্রাণহানির কোনও খবরও এখনও পর্যন্ত নেই। এত তীব্র মাত্রার ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সাধারণত কম শক্তির একাধিক ছোট কম্পন অনুভূত হয়। স্থানীয় মানুষজন আপাতত সেই আতঙ্কেই ভুগছেন। প্রশাসনিক নির্দেশে আশপাশে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, এই দুর্যোগ সেখানকার মানুষ শিগগিরি সামলে উঠবেন।

ক্যানসার নিরাময়ে কলকাতার ছেলে

current-affair02

কলকাতার ছেলে শ্রেয়ান চৌধুরী সেন্ট জেমস স্কুল থেকে লেখাপড়া করে আমেরিকা গিয়েছিলেন উচ্চশিক্ষার জন্য। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়োলজিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ট্যাল ডানিনো এবং মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর নিকোলাস আরাপাইয়ার তত্ত্বাবধানে শ্রেয়ন গবেষণায় নিযুক্ত ছিলেন। ক্যানসার নিরাময়ের সেই গবেষণাতেই তাঁরা পেয়েছেন অভাবনীয় সাফল্য। আমাদের পরিবেশে যত ব্যাক্টেরিয়া আছে, তাদের মধ্যে কিছু আমাদের উপকারেও লাগে, জান নিশ্চয়ই? শ্রেয়নরা এমন বুদ্ধি করেছেন যাতে অমন কিছু নিরীহ ব্যাক্টেরিয়ার সঙ্গে একটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অণুকে জুড়ে দিয়ে ব্যাক্টেরিয়াদের ক্যানসারে আক্রান্ত কোষে পাঠানো যায়। একবার সেখানে পৌঁছে গিয়ে ব্যাক্টেরিয়াদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়তে থাকলে একসময় ওই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অণু ভেঙে যায়। ক্যানসার যেখানে বাসা বেঁধেছে, সেখানে এতক্ষণ রুগির দেহের নিজস্ব রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কাজ করতে পারছিল না। কিন্তু বাইরে থেকে ব্যাক্টেরিয়ার সঙ্গে পাঠানো ওই অণু ভেঙে গেলে তখন তার প্ররোচনায়, আমাদের দেহের নিজস্ব প্রতিরোধ ব্যবস্থাই আক্রমণ করে ক্যানসারে আক্রান্ত কোষকে। শ্রেয়নরা আপাতত ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করে সাফল্য পেয়েছেন। মানুষের উপর পরীক্ষা এখনও বাকি। ক্যানসারের চিকিৎসা আজ সম্ভব হলেও তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় রুগির নানা রকম অসুবিধে হয়ে থাকে। শ্রেয়নদের পরীক্ষা সফল হলে অমন কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার দুশ্চিন্তাও আর থাকবে না। ফলে সব মিলিয়ে তাঁদের এই পরীক্ষা যে ক্যানসার নিরাময়ে নতুন এক দিগন্তের সন্ধান দিল, সেকথা বলাই যায়।