issue_cover
x

CURRENT-AFFAIRs-img1 বিশ্বের তৃতীয় উচ্চতম শৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা জয় করতে গিয়ে আর ঘরে ফেরা হল না কলকাতার দুই বাঙালির। অভিযাত্রী দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুই বাঙালির মৃত্যু হয়েছে আর সেই সঙ্গে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন চিলে থেকে আসা এক পর্বতারোহী। জানা যাচ্ছে, ইন্দো-নেপাল সীমান্তে ৮৫৮৬ মিটার উঁচু শৃঙ্গজয়ের লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে যাত্রা শুরু করেছিল পাঁচ সদস্যের একটি দল। এঁদের মধ্যে বিপ্লব বৈদ্য (৪৮) শৃঙ্গজয় করে ফেরার পথে অসুস্থ হয়ে মারা যান। কুন্তল কাঁড়ার (৪৬) নামের অন্য এক অভিযাত্রী শৃঙ্গে ওঠার আগেই অসুস্থ হয়ে মারা যান। পর্বতারোহণের ক্ষেত্রে সমুদ্রতল থেকে আট হাজার মিটারের উপরে উঠলেই বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ এত কমে যায় যে নিশ্বাস নেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। মৃত দুই অভিযাত্রীও অক্সিজেনের অভাবেই মারা গিয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বছরের এই সময়টা আবহাওয়া মোটামুটি পরিষ্কার থাকায় সারা বিশ্বের উঁচু-উঁচু সব পর্বতশৃঙ্গে পাড়ি দেন বহু মানুষ। আপাতত অভিযাত্রী দলের তরফে জানানো হয়েছে, মৃত দুই অভিযাত্রীর দেহ তাঁরা নিরাপদে নীচে নামিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। এর আগে ২০১৪ সালে কাঞ্চনজঙ্ঘা অভিযানে গিয়েই মারা গিয়েছিলেন বাঙালি অভিযাত্রী ছন্দা গায়েন।

সাগরের গভীরতম বিন্দুতেও প্লাস্টিক!

CURRENT-AFFAIRs-img2 পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর সমুদ্রখাতের গভীরতম বিন্দুতে নেমে নতুন এক রেকর্ড গড়েছেন আমেরিকান অভিযাত্রী ভিক্টর ভেসকোভো। গত তিন সপ্তাহে অন্তত চারবার সাবমেরিনে চেপে প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা খাতে নেমেছিলেন ভিক্টর। চারবারের চেষ্টায় তিনি পৌঁছন সমুদ্রের প্রায় ১০,৯২৮ মিটার গভীরতায়। মারিয়ানা খাতের গভীরতা ১১,০০০ মিটারের কাছাকাছি। মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা সেখানে ৯০০০ মিটারের কাছাকাছি। মানে আস্ত মাউন্ট এভারেস্টটাকে যদি উলটো করে মারিয়ানা খাতে ঢোকানোর চেষ্টা করো, তা হলেও খাতের বেশ খানিকটা জায়গা ফাঁকা থেকে যাবে। তা যাই হোক, সেই খাতের ওই গভীরতম বিন্দু, যাকে ‘চ্যালেঞ্জার্স ডিপ’ বলেই সারা বিশ্ব জানে, সেখানে তো ভিক্টর পৌঁছলেন। মানুষের অচেনা নানা প্রাণীও দেখতে পেলেন। কিন্তু সঙ্গে দেখতে পেলেন প্লাস্টিক আর ধাতুর টুকরো! আর তাতেই মন খারাপ হয়েছে ভিক্টর ভেসকোভোর। মন খারাপ হওয়া উচিত আমাদেরও, কারণ সমুদ্রকে এভাবে দূষিত করে তুলেছি এই আমরাই। দিনের পর-দিন ক্ষতিকর বর্জ্য আর প্লাস্টিক যথেচ্ছভাবে সমুদ্রে ফেলার কারণে অসংখ্য সামুদ্রিক প্রাণীর জীবন বিপন্ন হয়েছে। হয়ে চলেছে এখনও। বিশ্ববাসীর প্রতি ভিক্টরের তাই আর্জি, দূষণ কমান। সমুদ্রকে রক্ষা করতে না শিখলে প্রকৃতিও আমাদের চিরকাল রক্ষা করতে পারবে না, এই তাঁর আশঙ্কা। যা একেবারে অমূলক নয়।