issue_cover
x

গত বছর থেকেই শোনা যাচ্ছিল, আলিপুর চিড়িয়াখানায় নাকি আসতে চলেছেন ভয়াল, বিশাল সরীসৃপ অ্যানাকোন্ডা। সেই শুরু দিন গোনার। অবশেষে অপেক্ষার অবসান। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, চেন্নাইয়ের মাদ্রাজ় ক্রোকোডাইল ব্যাঙ্ক অ্যান্ড সেন্টার ফর হারপেটোলজি থেকে কলকাতায় এসে পৌঁছেছে চার-চারটি হলুদ অ্যানাকোন্ডা। পরিবর্তে আলিপুর থেকে চারটি কেউটে এবং চারটি শাঁখামুটিকে পাঠানো হয়েছে চেন্নাইতে। নতুন অতিথিরা নাকি এই মুহূর্তে লম্বায় চার-সাড়ে চার ফুট। তবে তারা বাড়তে পারেন ১৫ ফুট পর্যন্তও। আপাতত অবশ্য একমাস এদের রাখা হবে পর্যবেক্ষণে। কলকাতার জল-হাওয়ায় এই চারজন একটু মানিয়ে নিতে শিখলেই তাদের নিয়ে আসা হবে দর্শকদের সামনে। টিভি কিংবা সিনেমার পরদার বাইরে! এক্কেবারে চোখের সামনে! উফফ!

লৌহযুগে বাকল দিয়ে তৈরি হত ঢাল

সময়টা লৌহযুগ। সেই সময় মানুষ গাছের বাকল দিয়ে রোজকার ব্যবহার্য বাসনপত্র এবং আরও নানা জিনিস বানাত। সম্প্রতি নৃতত্ত্ববিদরা এমন একটি জিনিস খুঁজে পেয়েছেন, যা তাঁদের অবাক করেছে। সেটি হল বাকলের তৈরি একটি ঢালের ধ্বংসাবশেষ। কার্বন ডেটিং প্রক্রিয়ায় ইংল্যান্ডে প্রাপ্ত এই জিনিসটির বয়স বের করতে গিয়ে দেখা গিয়েছে, আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৯৫ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ২৫৫-র মধ্যে এটি তৈরি হয়েছিল, যে সময়টাকে লৌহযুগের মাঝামাঝি বলে ধরা হয়। ঢালটি সম্ভবত উইলো, পপলার কিংবা হেজ়েল জাতীয় গাছের বাকল দিয়ে তৈরি। তবে ঢালের মতো আত্মরক্ষার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় জিনিসও যে গাছের বাকল দিয়ে বানানো হত, এটা জানতে পেরে অবাক হয়েছেন নৃতত্ত্ববিদরা।