issue_cover
x

science-songi-1.8.2019-img1 ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিমের একটি গ্রামে খননকাজ চালানোর সময় বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেয়েছেন ডায়নোসরের হাড়। তা, সে আর নতুন কী! একসময় সারা পৃথিবী দাপিয়ে বেড়ানো ডায়নোসরের হাড় আজ এই প্রথম খুঁজে পাওয়া গেল, তেমনটা তো নয়। কিন্তু যদি বলি, এবারের এই হাড়টার ওজন ৪০০ কেজি আর তার বয়স মোটামুটি ১৪ কোটি বছর, তা হলে? ডায়নোসর নিয়ে যাঁরা লেখাপড়া করেন, তাঁরা বলছেন, হাড়টা নাকি দৈত্যাকার ডায়নোসর সরোপডের থাই-এর হাড়! কিন্তু কোনও প্রাণীর শুধু থাইয়ের হাড়ের ওজনই ৪০০ কেজি হলে সমস্ত প্রাণীটা দৈর্ঘ্য-প্রস্থ-উচ্চতায় ঠিক কত বড় ছিল, ভাবতে পারছ কি? সরোপডদের (সঙ্গের ছবিতে দেখা যাচ্ছে) হাড় মানুষ এর আগেও খুঁজে পেয়েছে এবং সেগুলো পরীক্ষা করে জানা গিয়েছে, এরা সত্যিই এই পৃথিবীর বুকে হেঁটে বেড়ানো সবচেয়ে ব়ড় চেহারার ডায়নোসর ছিল। সুখের কথা এই যে, এই দৈত্যরা ছিল তৃণভোজী। ফ্রান্সের যে এলাকায় এই খোঁড়াখুঁড়ি চলছিল, ৪০০ কেজির এই হাড় নিয়ে সেখানে স্বাভাবিকভাবেই শুরু হয়েছে ব্যাপক হইচই। এমনকী, ফরাসিদের কেউ-কেউ রীতিমতো উত্তেজিত হয়ে একে সেদেশের অন্যতম একটি জাতীয় সম্পদের তকমাও দিয়ে দিয়েছেন! বিজ্ঞানীরাও উৎফুল্ল, কারণ সদ্য খুঁজে পাওয়া এই হাড়টি পাওয়া গিয়েছে যথেষ্ট অবিকৃত অবস্থায়। যার ফলে এর উপর পরীক্ষানিরীক্ষা চালিয়ে সরোপডদের সম্পর্কে আরও নানা অজানা তথ্য জানা যাবে বলে বিজ্ঞানীমহলের আশা।