issue_cover
x


১৫ এপ্রিল সোমবার বিকেলে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত ৮৫৬ বছরের পুরনো নোত্‌রদেম ক্যাথেড্রালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এই দেশের দমকল-কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুন লাগার কারণ এখনও পরিষ্কার নয়। মনে করা হচ্ছে, সংস্কার কাজ করার সময় কোনওভাবে ভবনটিতে আগুন ধরে যায়। প্যারিসের মেয়র আন্নে হিদালগো এটিকে ভয়ঙ্কর আগুন বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি সবাইকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করতে বলেছেন। আগুন লাগার পরপরই ভবনটি ঘিরে ফেলা হয়েছে এবং দমকলকর্মীরা গভীর রাতের দিকে ধীরে-ধীরে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। গির্জাটির উপরের অংশ পুরোপুরি আগুনে জ্বলে গিয়েছে এবং গির্জার ছাদ পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। দুটি বেল টাওয়ারেই দূর থেকেও পরিষ্কার আগুন দেখা গিয়েছে। প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ নোত্‌রদেম অগ্নিকাণ্ডকে ফ্রান্সের ভয়াবহ ক্ষতি বলে উল্লেখ করেছেন।

একতলা বাড়ির সমান পাইথন

ফ্লোরিডার বিগ সাইপ্রেস জাতীয় সংরক্ষণকেন্দ্র থেকে সম্প্রতি সরিয়ে ফেলা হল ১৭ ফুট লম্বা এবং ৬৩ কেজি ওজনের একটি স্ত্রী পাইথনকে। সাপটা যে ঠিক কত বড়, সঙ্গের ছবিতে তো তোমরা সেটা দেখতে পাচ্ছই, এবার একটু ভেবে দেখো এই সাপকে লম্বালম্বি দাঁড় করালে সেটা ঠিক কতটা উঁচু হবে! অন্তত একটা একতলা বাড়ির সমান তো বটেই। দৈত্যাকৃতি এই সাপ ধরতে টোপ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল ওই প্রজাতিরই কয়েকটি পুরুষ সাপকে। শেষমেশ যখন স্ত্রী সাপটিকে ধরা হয়, তখন তার পেটে ছিল ৭২টি ডিম। কিন্তু ঘটনা হচ্ছে এই যে, সাপটাকে ধরার পর ওই সংরক্ষণ কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা তাকে মেরে ফেলেছেন। নষ্ট করে দিয়েছেন সাপের পেটের সমস্ত ডিমও। আর এখানেই দ্বিধাবিভক্ত হয়েছেন সারা বিশ্বের মানুষ। ইন্টারনেটের সৌজন্যে সাপের ছবি আর তার পরিণতির কথা জনসমক্ষে আসতেই লেগেছে গোলমাল। পশুপ্রেমীরা বলছেন, সাপ এবং তার ডিম, কোনওটাকেই হত্যা করা অত্যন্ত অমানবিক হয়েছে! আর-একদলের আবার বক্তব্য, ‘আপনার নিজের পাড়ায় যদি এমন একটা দৈত্য ঘুরে বেড়াত আর তার এত-এত সন্তান জন্মাত, তা হলে আপনি তার সঙ্গে থাকতেন তো?’ পশুপ্রেমীরা বলছেন, পৃথিবীর অনেক জঙ্গলেই তো সাপটাকে ছেড়ে দিয়ে আসা যেত, যেখানে মানুষের বসবাস নেই। উলটো দিকের লোকগুলো তখনও মুঠি পাকিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে বলছেন, ‘অত বড় একটা সাপকে অজ্ঞান করে অত দূর নিয়ে যেতে কত খরচ হত জানেন?’ কিন্তু খরচ বাঁচাতে প্রকৃতির তৈরি একটা প্রাণকে একেবারে মেরেই ফেলার অধিকার মানুষকে কে দিল? সেটা কিন্তু ভেবে দেখার মতো বিষয়।

চিত্রসৌজন্য : ফেসবুক